
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে স্থানীয়ভাবে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকজন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ পরিস্থিতিতে জনমনে আতঙ্ক ও উদ্বেগ বাড়লেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কী ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্ট কোনো তথ্য পৌঁছেনি বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে থাকলে নাগরিকদের সুরক্ষায় পৌরসভার প্রস্তুতি কোথায়? নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, ড্রেন ও নর্দমা পরিষ্কার, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ এবং জনসচেতনতামূলক প্রচারণা কতটা কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু মশা নিধনের ওষুধ ছিটানোই যথেষ্ট নয়। এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস করা, বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা জরুরি।
এ অবস্থায় চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান পরিচালনা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে নিয়মিত তদারকি এবং মাইকিং ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
একই সঙ্গে পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চান স্থানীয় বাসিন্দারা—ইতোমধ্যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় কোনো বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে কি না এবং হলে তা বাস্তবায়নে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে?
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে নাগরিকদের অবহিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।