
রাজশাহী প্রতিনিধি
রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার শ্রীপাঠ খেতুরি ধামে অনিয়মে ভরপুর মন্দিরের নামে চলছে ধর্ম ব্যবসা।বিতর্কিত ম্যানেজার গোবিন্দ পাল।ম্যানেজার গোবিন্দ পালের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান অভিযোগ এলাকাবাসী ও ভক্তবৃন্দের।এলাকাবাসী জানান ম্যানেজার গোবিন্দ পাল এলাকাবাসী ও বাহির থেকে আশা ভক্তবৃন্দের সাথে খারাপ আচরণ করে প্রাসাদ চাইতে গেলে জাত তুলে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকে।ট্রাস্ট কমিটির পদত্যাগের দাবিতে আজ বুধবার ৫ ফেব্রুয়ারী বেলা ১২টায় আনুমানিক তিন শতাধিক গ্রাম বাশিকে নিয়ে শ্রীপাঠ খেতুরী ধামের ভক্ত বিশ্রামাগারে একটি সভার আয়োজন করে।সভায় উপস্থিত ছিলেন গোদাগাড়ী কেন্দ্রীয় মন্দিরের সভাপতি শান্ত কুমার মজুমদার,সাধারণ সম্পাদক নয়ন কুমার শীল,গৌরাঙ্গ ট্রাস্ট বোর্ডের ট্রাস্টি সুনন্দন সররকার রতন সহ তিনশতাধিক এলাকাবাসী ও ভূক্তভুগি।সভায় ট্রাস্টি সুনন্দন সরকার রতন কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন মন্দিরের ম্যানেজার গোবিন্দ পাল একজন হুন্ডি ব্যবসায়ী এছাড়াও মন্দিরে বরাদ্দের চাউল এর কিছু অংশ বিক্রি করা হয়,রান্না করা অন্ন ভোগ ১৫০টাকা প্লেট হিসেবে বহিরাগত ভক্তদের কাছে বিক্রি করা হয় এবং বাহির থেকে আসা ভক্তবৃন্দ রাত্রি যাপন করলে ঘরের ভাড়া বাবদ টাকাও নেন ম্যানেজার গোবিন্দ পাল।টাকা ছাড়া প্রসাদ পাননা গরিব দুরথেকে আসা ভক্তরা টাকা দিতে না পেরে প্রসাদ না নিয়ে ফিরে আসার চিত্র হরহামেশাই ঘটে।এইমর্মে এলাকা বাসি সহ সুনন্দন সরকার রতন অভিযোগও করেন মন্দির পরিচালনা কর্তৃপক্ষ সহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।পরবর্তীতে অভিযোগের পরে কোন সুরাহা না হলে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী বর্তমান ট্রাস্ট কমিটির পদত্যাগের দাবি জানান।তিনি আরো বলেন, বেশ কয়েক বছর আগে খামারি প্রকল্প থেকে আসা প্রনোদনার বিশ হাজার টাকা আত্মসাৎ এর চেষ্টা করেন ম্যানেজার গোবিন্দ পাল।বিষয়টি এলাকার সজল ঘোষ ও তার শশুর গোবিন্দ ঘোষ জানতে পারে জন সম্মুখে সজল ঘোষ ও গোবিন্দ ঘোষ বিষয়টি নিয়ে আসে এবং প্রতিবাদ গড়ে তোলেন সেই সময়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে সেই সময়ের সভাপতি মদন মোহন দে পরবর্তীতে ম্যানেজার গোবিন্দ পাল কে জিজ্ঞেসাবাদ করলে এক পর্যায়ে ম্যানেজার গোবিন্দ পাল অস্বীকার করেন।কিন্তু সজল ঘোষ ধীরে ধীরে প্রমাণ খুঁজতে থাকেন।যখন প্রকৃত বিষয়টি জনসম্মুখে প্রমাণ সহ আসতে থাকে,ঠিক তখন গোবিন্দ পাল স্বীকার করেন যে তিনি তার নিজস্ব খামারের টাকা মনে করে নিজস্ব খাতে রাখেন। সভাপতি মদন মোহন দে এবং সজল ঘোষ এর চাপে ম্যানেজার গোবিন্দ পাল গৌরাঙ্গ দেব বিগ্রহ ট্রাস্ট তহবিলে টাকা জমা দিতে বাধ্য হয়।সভাপতি মদনমোহন দের মৃত্যুর পর সভাপতির দায়িত্ব নেন শ্রী বিদ্যুৎনারায়ণ সরকার তখন থেকেই আবারো বেপরোয়া হয়ে ওঠেন ম্যানেজার গোবিন্দ পাল ভক্তবৃন্দের সাথে খারাপ আচরণ আবারো প্রসাদ বিক্রয় ও গোপনে হুন্ডির ব্যবসা চালাচ্ছেন গোবিন্দ পাল।এ বিষয়ে ম্যানেজার গোবিন্দ পাল জানান- এসব আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।আমি এসবের সাথে জড়িত নই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।এ দিকে এখনো খুবই রয়েছেন এলাকাবাসী ও ভক্তবিন্দু ম্যানেজার গোবিন্দ পাল সহ টাস্ট বোর্ডের সকল সদস্যদের পদত্যাগের দাবি জানান হিন্দু সম্প্রদায়।