
জীবনে বেঁচে থাকা’ আর ‘বাঁচিয়ে রাখা
পার্থক্যটা খুব সূক্ষ্ম হলেও খুবই গভীর দেখছি।
একটি জীবনকে উপভোগ করতে শেখায়
অন্যটি কেবল দিন গননা দিয়েই চলছি।
আমরা অনেক সময় বুঝতেই পারি না,
জীবনে বাঁচছি, নাকি জীবনকে বাঁচিয়ে রাখছি।
যারা কেবল নিজেকে বাঁচিয়ে রাখে,
তার জীবন কেটে যায় ভবিষ্যত সুখের আশায়।
যারা এ জীবনে বাঁচে
জীবনের প্রতিক্ষণ উপভোগ করে বিলাসীতায়।
গ্লাসের অর্ধেকটা যদি জলে ভরা দেখি
তখনই জীবন সুন্দর হয়ে ওঠবে।
যদি গ্লাস অর্ধেক খালি দেখে ভাবি
তখনই জীবন অসুন্দর হয়ে কাঁদবে।
জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই একটা সুযোগ
কেউ পা হারিয়েও পর্বত জয় করেছে।
জীবন জীবনের জন্যে সুন্দর এই পৃথিবীতে
কেউ অসম্ভব কষ্টেও নিজেকে নতুন করে গড়ে তুলছে।
নিজেকে করুনার হাত ধরে
কেবল বাঁচিয়ে রাখিনি বরং বাঁচতে শিখিয়েছে।
যদি নিজেকে ভালোবাসো তাহলে দেখো
জীবনে বেঁচে থাকা নাকি জীবনকে বাঁচিয়ে রাখা
প্রশ্নটা একবার নিজেকে করেই দেখো।
পৃথিবীর সবচেয়ে সুদর্শন ছেলে লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও
কিংবা সুন্দরী মেয়ে ঐশ্বরিয়া রায়
তারাও বহুবার হৃদয়ভঙ্গের শিকার হয়েছে কি ভাবো।
তারা থেমে থাকেনি ঝুঁকি নিয়েছে, বার বার
ব্যর্থতাকে স্বাভাবিকভাবে মেনে আলিঙ্গন করেছে
বিজয় আসবে একদিন, স্বপ্ন দেখেছে দাঁড়বো।
কেন সময়টা শুধু বাঁচিয়ে রাখার পেছনে শেষ করছো?
আক্ষেপ করার বদলে প্রতিযোগী হও
যা করতে চাও তাই করে যাও ,নয় মরছো।
জীবনকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে
ভুল করো, ব্যর্থ হও—তবুও করো, নয় হারছো।
জীবনের আসল সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে
বেঁচে থাকার মাঝেই, বাঁচিয়ে রাখার মাঝে নয়তো।