
দুটি উরুর অন্তরালে,
আড়াল করা এক নিষিদ্ধ উপত্যকা—
সেখানে জেগে থাকে
আদিম আকাঙ্ক্ষার বিস্ফারিত নীরবতা।
জঙ্ঘার সংযোগস্থলে যখন বয়ে যায়
অভিপ্রেত উত্তেজনার গোপন স্রোত,
তখন প্রতিটি লোমকূপে
তোমার কল্পিত ঠোঁটের কম্পন জেগে ওঠে।
ছোঁয়ার আগেই ছুঁয়ে ফেলো তুমি—
চেতনার গভীরে,
ইচ্ছার সবচেয়ে রন্ধ্রপথে,
যেখানে স্পর্শ নয়, বরং
চোখের নিরবতা বেয়ে উঠে আসে
মিলনের আকুল স্পন্দন।
এই তো সেই প্রেম—
যার শরীর নেই, অথচ তীব্রতার শেষ নেই।
যেখানে নিঃশ্বাসের মধ্যেও
উষ্ণতা জমে ওঠে,
আর দৃষ্টির এক ঝলকে
কামনা গলে পড়ে অন্তরঙ্গতায়।
তোমার চুলের ঘ্রাণে
আমি অনির্বচনীয় স্পর্শ খুঁজে পাই—
যেন অনুপস্থিত বাহুর আলিঙ্গনেও
একটি প্রলম্বিত মিলনের গোপন আহ্বান।
প্রেম তো শুধুই শরীরের খেলা নয়—
প্রেম, সেই বিশুদ্ধ বিকার—
যেখানে দীর্ঘশ্বাস হয়ে ওঠে শব্দহীন আহ্বান,
আর মৌনতাও স্পষ্ট ভাষা হয়ে ওঠে
মনের গভীরতম চাঞ্চল্যে।
আমাদের কথারা,
রয়ে যাবে আমাদের অঙ্গস্মৃতিতে—
আঙুলের ফাঁকে, ঠোঁটের কাঁপনে,
যেন শেষ রাত্রির কামনায় গাঁথা এক নিঃশেষ চুম্বন।
আমি নিজেকে উন্মুক্ত করে দেবো—
নির্বস্ত্র, নিরঙ্কুশ,
তোমার প্রতিটি ইচ্ছার কাছে পরাজিত হয়ে।
তুমি এসো—
আমার এই উন্মত্ত অভিলাষে শরিক হতে,
আমার ভাষার প্রত্যেক প্রান্তে ছুঁয়ে দাও
তোমার সম্মত স্পর্শের উত্তাপ।
আর যদি কখনো আমি
ইন্দ্রিয়ের উচ্ছ্বাসে মাত্রা ছাড়িয়ে যাই,
তোমার কঠিন শাসন হবে আমার শ্রেষ্ঠ আশ্রয়।
তুমি তো জানো—
আমার দুষ্টুমি, আমার নিবেদন—
সবটুকু তোমারই জন্য,
যতক্ষণ না তুমি আমায়
তোমার ভেতরে সম্পূর্ণ করে নাও।
তুমি যখন অনুমতি দাও,
আমি আমার অন্তরের দরজা খুলে দেই—
নিঃশেষ আত্মসমর্পণে,
কারণ আমার সমস্ত আনন্দ, কামনা, তৃপ্তি—
তোমার উষ্ণতায়, তোমার গভীরে
স্থায়ী আশ্রয় চায়।
তুমি তো সেই অমৃতের আধার—
যার এক ফোঁটা ছুঁয়েই
আমি অমর হতে চাই—
প্রেমে, কামনায়, অনুভবে।