
ফখর উদ্দিন ইমরান,বিশেষ প্রতিবেদক
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় ২৪১ টি কেন্দ্রে ৪৭ হাজার ৩ শত ৩৭ শিশুদের মাঝে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল বিতরন করা হয়েছে। সারাদেশের ন্যায় ১৫ ই মার্চ শনিবার কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জাতীয় ভিটামিন ’এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রালয়ের উপসচিব সাইফুল ইসলাম। এ সময় উপস্হিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. অভিজিৎ শর্মা, ডেপুটি সিভিল সার্জন দিদারুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ ঈশা খান, আবাসিক মেডিকেল অফিসার সৈয়দ শাহরিয়ার, মেডিকেল অফিসার মেহেদী হাসান,স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো: জহিরুল ইসলাম বাচ্চু, এমটি ইপিআই রিয়াজ মাহমুদ প্রমূখ। পরবর্তীতে তারা বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র সহ অস্থায়ী কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
কটিয়াদী উপজেলায় মোট ২৪১ টি কেন্দ্রে ৪৮হাজার ২ শত ৫৫ জন শিশুকে সকাল ০৮ থেকে বিকাল ০৪ পর্যন্ত ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ছিল। ৪৭ হাজার ৩ শত ৩৭ শিশুকে খাওয়ানো হয়েছে। পরবর্তীতে বাদ পড়া শিশুদের কে পর্যায়ক্রমে খাওয়ানো হবে।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার অফিস সূত্রে জানা যায়, শৈশবকালীন অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং শিশুমৃত্যুর হার কমাতে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে।কটিয়াদী উপজেলার এমটি ইপিআই কর্মকর্তা রিয়াজ মাহমুদ মুক্তা বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল ধরনের প্রচার করা হয়েছে। যাতে করে কোনো শিশু ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,জেলা,উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে।ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বছরে ২ বার ৯৮ শতাংশ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানোর ফলে ভিটামিন ‘এ’ অভাবজনিত অন্ধত্বের হার ১ শতাংশের নিচে কমে এসেছে এবং শিশু মৃত্যুর হারও কমেছে।এই সাফল্য ধরে রাখতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ৬-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো চলমান রাখা হয়েছে।