
স্টাফ রিপোর্টার:নরসিংদী মনোহরদীর চরমান্দালীয়ায় কৃষক দল আয়োজিত কৃষক সমাবেশে হামলার ঘটনা ঘটেছে।হামলায় কৃষক দলের ৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।সাবেক সাংসদ সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল ও উপজেলা বিএনপি সাধারন সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার(দোলন) এর হুকুমে স্থানীয় বিএনপি-যুবদলের নেতা কর্মীরা এ হামলা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ শাহাদত হোসেন বিপ্লবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।বুধবার (৫ ফেব্রয়ারী) বিকাল ৪টায় উপজেলার চরমান্দালীয়া ইউনিয়নের পশ্চিম চরমান্দালীয়া টাওয়ারের মোড় সমাবেশে এ হামলার ঘটনা ঘটে।এসময় সমাবেশে হামলার প্রতিবাদে বিকাল ৫ টায় কৃষক দলের পক্ষ থেকে এক প্রতিবাদ সভা করেছেন কৃষক দলের নেতারা।সভায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ শাহাদত হোসেন বিপ্লব বলেন,বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে কৃষকদের ঐক্যবদ্ধ করার জন্য কেন্দ্রীয় কৃষকদল ৩(তিন) মাসব্যাপী সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষক সমাবেশ করছে।ঐ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মনোহরদী উপজেলার চরমান্দালীয়া ইউনিয়নে কৃষক সমাবেশের আয়োজন করে স্হানীয় কৃষকদল। আমাদের প্রথমে পশ্চিম চরমান্দালীয়া টাওয়ারের মোড়ে কৃষক সমাবেশ করার কথা ছিল সভাস্থলে সমাবেশের প্রস্তুতি চলছিল।উক্ত সভায় বিএনপির নেতাদেরও অংশগ্রহণ করার আমন্ত্রণ জানাই।কিন্তু তারা আমাদের সমাবেশে না এসে সাবেক সাংসদ সংস্কারপন্থী নেতা ও জিয়া পরিবারের ওপর কালিমালেপনকারী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল ও উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব দোলনের হুকুমে জুয়েল,গোলাপ,শাহিন,শফিকুল,আবু তাহের,মজিবুরসহ একদল বিএনপি নামধারী সন্ত্রাসী লাঠি সোটা নিয়ে সমাবেশে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।বক্তরা অভিযোগ করেন যে,বিগত খুনি হাসিনা সরকারের আমলে সাখাওয়াত হোসেন বকুল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী সাবেক শিল্পমন্ত্রী হুমায়ুনের নিকটাত্মীয়ের সুবাদে মনোহরদী- বেলাবো’র প্রতিটি স্হানীয় নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।বিগত ৫ আগস্টের পর দোলনের নেতৃত্বে এলাকায় নদী,বাজার,বাস-টেম্পো স্ট্যান্ড দখল,ফসলী জমির মাটিকাটা ও চাঁদাবাজির রামরাজত্ব কায়েম করে বিএনপির ইমেজ ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে।
এ হামলায় কৃষকদলের আবুল কাশেম,দেলোয়ার,সেকান্দর,আলী হোসেনসহ ৫ জন আহত হয়।তারা আমাদের সংগঠনের নেতাকর্মীদের মারধর করে নগদ টাকা, মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। আমাদের সমাবেশের চেয়ার টেবিল মাইক্রোফোন ও মাইকসহ দোকন পাট ও রাইসমিল ভাঙচুর করে।সভায় জেলা কৃষক দলের আহবায়ক শফিকুল ইসলাম আপেল, সদস্য সচিব দিপক কুমার বর্মন প্রিন্স,মনোহরদী উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক আলী আকবর,সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সুরুজ মিয়া,সাবেক ছাত্র নেতা খ ম কামরুল ইসলাম,মহসীন কবিরসহ জেলা ও উপজেলার স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব দোলন বলেন,কৃষক দলের এ ধরনের কোনও কর্মসূচির কথাই আমার জানা নেই।হামলার বিষয়ে আমি জানি না।তারা কেন আমাকে জড়িয়েছে এ ধরনের অভিযোগ করছে সেটিও আমার জানা নেই।