
রাসূল পাক (সাঃ) বলেন,” আর তুমি হে আলী! তুমি আমার একমাত্র মনোনীত এবং আমার আমানতদার”। (খাসায়েসে নাসায়ী: ১৯, মাজমাউয যাওয়ায়েদ ৯:১৫৬)।” জেনে রেখো যে, সে তোমাদের মাঝে আমার ভাই, উত্তরসূরী এবং স্হলভিষিক্ত। সুতরাং তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনবে এবং তাঁর আনুগত্য করবে”। (তারীখে তাবারী ২:২১৭, আল কামিল ফিত তারীখ ২:৬৪, মাআলিমুত তানযীল ৪:২৭৮)।”আমার পরে তুমি প্রত্যেক মুমিন নর ও নারীর উপর কর্তৃত্বের অধিকারী। (আল মুস্তাদরাক হাকেম ৩:১৩৪, আল মুজামুল কাবীর তাবারানি ১২:৭৮/১২৫৯৩)।” এ হলো আমার ভাই, আর আমার পরে আমার ওয়াসী এবং খলীফা।তাঁর নির্দেশের কর্ণপাত করো এবং তাঁর আনুগত্য করো”। (তারীখে তাবারী ২:৩৩১,মাআলিমুত তানযীল ৪:২৭৯,কানযুল উম্মাল ১৩:১৩১)।
“প্রত্যেক নবীর ওয়াসী এবং উত্তরসূরী থাকে। আর আমার ওয়াসী এবং উত্তরসূরী হলো আলী “। (আর রিয়াদুন নাদরাহ ৩:১৩৮, আল ফেরদৌস ৩:৩৩৬/৫০০৯,ইমাম আলী (আঃ)-ইবনে আসাকির ৩:৫/১০৩০-১০৩১)।
” আমার প্রতি তিনটি ওহী অবতীর্ণ হয়েছে, নিশ্চয়ই আলী মুসলমানদের নেতা,মুত্তাকিনদের ইমাম এবং নুরানী ও শুভ্র মুখমন্ডলের অধিকারীদের সর্দার”। ( কানজুল উম্মাল ৬ষ্ঠ খন্ড, পৃষ্ঠা নং ১৭৫ এবং হাদিস নং ২৬২৮)।
” আলী সৎকর্মশীলদের নেতা আর ব্যভিচারীদের হন্তা।যে কেউ তাঁকে সাহায্য করে সে সাহয্য প্রাপ্ত হয় আর যে ব্যক্তি তাকে ত্যাগ করে সে বিফল হয় “। (কানযুল উম্মাল ১১:৬০২/৩২৯০৯, আল মুস্তাদারক হাকেম ৩:১২৯)।
” বিশ্ব প্রতিপালক আলীর ব্যাপারে আমার সাথে কঠিনভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছেন। অতঃপর আমাকে বলছেন, নিশ্চয়ই আলী হলো হেদায়েতের পতাকা, ঈমানের শীর্ষচূড়া, আমার বন্ধুগনের নেতা আর আমার আনুগত্যকারী সকলের জ্যোতিস্বরুপ”। (শারহে নাহজুল বালাগা -ইবনে আবীল হাদীদ ৯:১৬৮)।
” আমি যার মাওলা আলীও তার মাওলা। হে আল্লাহ! যে আলীকে ভালোবাসে তুমি তাকে ভালোবাস।আর যে আলীর সাথে শক্রতা করে তুমি তার সাথে শত্রুতা করো “। ( তিরমিজি ৫:৬৩৩/৩৭১৩, মুসনাদে আহমাদ ১:৮৪,৮৮,১১৯,১৫২,৩৩১)।
” যে ব্যক্তি আলী থেকে পৃথক হয়, সে আমা থেকে পৃথক হয়। আর যে আমা থেকে পৃথক হলো সে মহান আল্লাহ থেকে পৃথক হয়ে গেল “। ( আল মানাকিব -ইবনে মাগাযেলী ২৪০/২৮৭)।
” আলী সত্যের সাথে আর সত্য আলীর সাথে। এই দুটো কখনো একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন হবে না। যতক্ষণ না কেয়ামতের দিন হাউজে কাওসারে আমার সাথে মিলিত হবে “। (তারীখে বাগদাদ ১৪:৩২১)।” আলী আমা থেকে আর আমি আলী থেকে। আমি আর আলী ব্যতীত কেউই আমার রেসালাতের অধিকার পূরণ করেনি “। ( সুনানে তিরমিজি ৫:৬৩৬/৩৭১৯, মুসনাদে আহমাদ ৪:১৬৪)।
” আলী কোরআনের সাথে আর কোরআন আলীর সাথে “। ( কানযুল উম্মাল ১১:৬০৩/৩২৯১২)।” আলী ঈমানে সর্বাপেক্ষা দৃঢ়পদ, উম্মতের মধ্যে হক ও বাতিলে প্রার্থক্যকারী আর মুমিনদের কর্তা”। (কানযুল উম্মাল ১১:৬১৬/৩২৯৯০)।” যদি মানুষ আলী ইবনে আবি তালিবের ভালোবাসায় একমত হতো, তাহলে মহান আল্লাহ কখনো জাহান্নামকে সৃষ্টি করতেন না”।( আল ফেরদৌস ৩:৩৭৩/১৩৫)।
” নিশ্চয়ই আলী আমা থেকে আর আমি আলী থেকে। আর সে আমার পরে সকল মুমিনের নেতা”। ( মুসনাদে আহমাদ ৪:৪৩৮)।
” আলী সৃষ্টিকুলের সেরা “। ( আল ইমাম আলী (আঃ) ইবনে আসাকির ২:৪৪৩/৯৫৯, মানাকিব খারেযমী ৬২)।
” আলী আমার জ্ঞানের ভান্ডার “। ( শারহে নাহজুল বালাগা -ইবনে আবিল হাদীদ ৯:১৬৫)।
” যদি তুমি না থাকতে, তাহলে আমার পরে মুমিনদের শনাক্ত করা যেত না “। ( আল রিয়াদুন নাদরাহ ৩:১৭৩)।
” তুমি কাবার ন্যায়। সবাই তোমার কাছে আসে কিন্তু তুমি কারোর কাছে যাও না “। (উসুদুল গবাহ ৩১৪৬)।
এবার আসি মূল প্রসঙ্গে
দয়াল রাসূল পাক (সাঃ) শেষ জীবনে এসে মক্কা বিজয় করে। তখন লক্ষাধিক কাফের মুশরিক জীবন বাঁচানোর জন্য নিরন্তর উপায় না দেখে সবাই ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে এবং গায়ে সাহাবী তকমা লাগায়। তবে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআন শরীফে এদের বিরুদ্ধে সূরা মোনাফেকসহ অসংখ্য আয়াত নাজিল করে মুসলিম জাতিকে সতর্ক করে দিয়েছেন। আমাদের দেশের রাজনীতিতে দেখা যায় বিনপি ক্ষমতায় আসলে অসংখ্য আওয়ামীলীগের লোকজন গা বাঁচানোর জন্য বিনপিতে যোগদান করে। আবার আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে অসংখ্য বিএনপির লোকজন গা বাঁচানোর জন্য আওয়ামীলীগে যোগদান করে। ঘটনাটা সেইরকমই ঘটেছে। রাসূলে খোদা ওফাত হওয়ার সাথে সাথে দেহ মোবারক রেখে সবাই বনু সকিফা নামক স্হানে খলিফা নির্বাচন করার জন্য চলে যায়। আর এদিকে মাওলা আলীসহ মাত্র ১৩ জন সাহাবী রাসূলে খোদার দেহ মোবারকের পাশে দাফন কাফন সম্পন্ন করার জন্য সবার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। অবশেষে মাওলা আলী তিনদিন অপেক্ষা করার পর ১৩ জন সাহাবী নিয়ে রাসূলে খোদার দেহ মোবারক দাফন কাফন সম্পন্ন করে। আর এদিকে অনেক বাক-বিতন্ডার পর সবাই মিলে আবু বকরকে প্রথম খলিফা নির্বাচন করে রাসূলের দেহ মোবারক দাফন কাফন সম্পন্ন করতে আসে। তখন দেখে মাওলা আলী রাসূলে খোদার দেহ মোবারক দাফন কাফন সম্পন্ন করে ফেলছে। যেহেতু ঘটনাটা সবাই একবাক্যে স্বীকার করে, তাই অধম দলিল দেওয়ার প্রয়োজনবোধ করলাম না।
অথচ রাসূলে খোদা গাদীরে খুমে সোয়ালক্ষ সাহাবীর সামনে মাওলা আলীকে মুসলিম জাহানের মুমিনদের অভিভাবক,উত্তরসূরী এবং খলিফা নির্বাচন করে যায়। তাছাড়া রাসূলে খোদা সবার নিকট ওয়াদাবদ্ধ করিয়ে নেয় মাওলা আলীকে মানার জন্য। কিন্তু অদৃষ্টের নির্মম পরিহাসে আবু বকর হয়ে যায় প্রথম খলিফা। কিন্তু বিনাবাক্যে প্রথম খলিফা হওয়ার কথা ছিলো মাওলা আলীর। এখানে রাসূলে খোদার ওছিয়তনামা চরমভাবে লংঘিত হয়েছে, তা একমাত্র বিবেকবান মানুষগুলো বুঝতে পারবে। আচ্ছা বলুন তো ভাই হযরত আলী যদি মুসলিম জাহানের অভিভাবক হয়, তাহলে তারা অভিভাবকের অনুপস্থিতিতে কিভাবে খলিফা নির্বাচন করলো?এমন অভিভাবকের কিবা মূল্য আছে। ধরুন আপনার পিতা মারা যাওয়ার সময় ভাইয়ের মধ্যে বড় ভাইকে সকল ভাইয়ের জন্য অভিভাবক নিযুক্তি করে গেল। এখন সেই ভাইয়েরা যদি অভিভাবক বড় ভাইকে বাদ দিয়ে সবাই মিলে সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা করে ফেলে, তাহলে কি তারা বড় ভাইকে অভিভাবক মানলো নাকি অপমান করলো। আর পিতার ওছিয়তনামা কি এখানে মানা হলো? ঠিক সেইরকম ঘটনা ঘটছে মাওলা আলীর বেলায়। বিষয়টি অবশ্যই বিবেকবান মানুষের নিকট চিন্তার খোরাক জোগায়।
ঝেড়ে কাশ দিয়ে বুকে হাত রেখে একটি সত্য কথা বলুন আমায়। জগতের বুকে এমন কোন পীর দেখছেন, সে ওফাত হওয়ার সাথে সাথে দেহ মোবারক রেখে ভক্তরা সবাই মিলে কে খলিফা হবে তার জন্য মারামারি করতে। নিশ্চয়ই এমনটি কখনো দেখেননি বরং ভক্তরা সবাই মোর্শেদের বিয়োগ ব্যথায় কান্নাকাটি করছে। অথচ দয়াল রাসূলের বেলায় ঘটল উল্টো হৃদয় বিদারক ঘটনা। এমন হৃদয় নিংড়ানো করুন ঘটনা কার নিকট সুধাবো। সত্য কথা বলতে গেলেই হয়ে যাই কাফের, নাস্তিক, শিয়া, ইহুদিদের দালাল এবং ভন্ড। জগতের বুকে এমন কথা কখনো শুনছেন, পিতা মারা যাওয়ার পর সন্তানরা পিতার লাশ রেখে সম্পত্তি ভাগাভাগি করতে। এমন নোংরা ঘটনা অধমের জানা নেই, আপনাদের কারোর জানা থাকতে পারে। যদি এমন ঘটনা কোথাও ঘটে থাকে, তাহলে তাদেরকে মানুষ পশু হিসাবে আখ্যায়িত করছে। নিশ্চয়ই মানুষ তাদেরকে বাহবা দেয়নি। পশুবৃত্তির মনমানসিকতা ছাড়া এমন কাজ কখনো করা সম্ভব নয়। জগতে কোন পীরের এবং পিতার বেলায় যা ঘটলো না, অথচ তাই ঘটলো শুধু দয়াল রাসূলের বেলায়। এরচেয়ে তুঘলকি কান্ড কি হতে পারে, তা আমার জানা নেই। শুধু নীরব ভাষায় বলতে চাই ইহা অবৈধ অবৈধ অবৈধ। ইহা আমার একান্ত ব্যক্তিগত অভিমত এবং অন্তর আত্মার পূর্ণ সহমত।
আচ্ছা বলুন মহাশয়, হযরত আবু বকর,ওমর এবং উসমান মারা যাওয়ার পর কি, তাদের লাশ তিনদিন রেখে পরবর্তী খলিফা নির্বাচন করা হয়েছিলো? নিশ্চয়ই এমন অমানবিক ঘটনা মুসলিমরা দেখেনি। শুধুমাত্র দেখেছে রাসূলে খোদার বেলায়। ইহা যদি বৈধ হয়, তাহলে আবু বকর, ওমর,উসমান এবং পীরদের বেলায় ঘটলো না কেনো। যদি আমরা এই ঘটনাকে বৈধ বলি, তাহলে ইহা সুন্নতে রাসূল। তাই সবারই একবাক্যে মানা উচিত। কিন্তু আপনারা একে বৈধ বলবেন আবার নিজেদের বেলায় এই সুন্নত মানবেন না, তা তো হতে পারে না মহাশয়। আমার কাছে এটাকে ধোঁকাবাজি এবং প্রতারণার শামিল মনে হয়। যদি বলেন আবু বকর মৃত্যুর আগে ওমরকে খলিফা নির্বাচন করে গেছেন। আবার ওমর উসমানকে নির্বাচন করে গেছেন। তাহলে আমি বলবো বেশ ভালো কথা। তাহলে আপনারা রাসূলে খোদার মনোনীত খলিফা মাওলা আলীকে মানতে পারলেন না কেনো? নাকি শুধু একমাত্র আপনাদের খলিফা নির্বাচন করার এখতিয়ার ছিলো, অথচ রাসূলে খোদার খলিফা নির্বাচন করার অধিকার ছিলো না। নাউজুবিল্লাহ। এমন আষাঢ় মাসের গল্প শুনতে শুনতে কান জ্বালা পোড়া হয়ে গেছে। তাই কান আর এমন শব্দ দূষণ শুনতে চায় না। অধমের হৃদয়ের বাণী শুধু একটি কথা বলে, মাওলা আলী দয়াল রাসূলের মনোনীত একমাত্র বৈধ খলিফা। মাওলা আলী একমাত্র বৈধ খলিফা, খলিফা, খলিফা, খলিফা, খলিফা।
সুফিবাদের একশ্রেণীর জ্ঞান পাপীরা বলে, মাওলা আলীকে মাওলায়াত বেলায়ত দান করা হয়েছে। কিন্তু রাষ্টীয় খলিফা ভিন্ন বিষয়। শুনুন মহাশয়, রাষ্টীয় খলিফা হলো শরিয়ত আর বেলায়াতের খলিফা হলো মারেফাত। অন্ধত্ব দুর করে ভাবুন, শরিয়ত ছাড়া মারেফাত নয় আবার মারেফাত ছাড়া শরিয়ত নয়। উভয় বিদ্যায় বিদ্যান যিনি, তিনিই পরিপূর্ণ মহামানব। তাহলে কি আপনারা বলতে চান, আমার মাওলা আলী শরিয়তের খলিফার যোগ্য ছিলো না। এই জন্য দয়াল রাসূল মাওলা আলীকে শরিয়তের অর্থাৎ রাষ্টীয় খেলাফত দিয়ে যাননি। নাউজুবিল্লাহ। রাসূলে খোদা নিজেই ছিলেন মারেফাত, তবুও কেনো মদিনার খলিফা হলেন। কারণ শুদ্ধ ইসলাম প্রচার এবং প্রসারের জন্য রাষ্টীয় ক্ষমতা নিয়ামক হিসাবে কাজ করে। যদি মাওলা আলী শুধু বেলায়াতের খলিফা হতো, তাহলে কখনো আর রাষ্টীয় খলিফায় আসতো না। মূলত রাসূলে খোদার রাষ্টীয় খিলাফতের মসনদ ছিলো পুতঃপবিত্র। আর এই পুতঃপবিত্র মসনদে বসতে একজন মহাপবিত্র পুতঃপবিত্র মহামানবের প্রয়োজন। আর মাওলা আলী ছিলেন রাসূলে খোদার একমাত্র মনোনীত মহা পুতঃপবিত্র মহামানব এবং যোগ্য উত্তরসূরী। মাওলা আলীর চেয়ে বিচক্ষণ,জ্ঞানী, দূরদর্শিতা এবং সৃষ্টি জগতে পুতঃপবিত্র আর কেউ ছিলো না। তাই দয়াল রাসূল ঠিকই গাদীরে খুমে মাওলা আলীকে একাধারে রাষ্টীয় এবং বেলায়াতের খলিফা নির্বাচন করে যায় মহান আল্লাহর হুকুমে। কিন্ত দয়াল রাসূল ওফাত হওয়ার সাথে সাথে মুসলিম জাতি রাসূলে খোদার আদেশ এবং ওছিয়তনামা মানতে পারেনি। এই জন্যই রাসূলে খোদা বলছেন, আমার উম্মতের মধ্যে ৭৩ কাতার হবে। তার মধ্যে ৭২ কাতার জাহান্নামী এবং ১ কাতার জান্নাতি। যারা মাওলা আলীকে একমাত্র রাসূলে খোদার মনোনীত বৈধ প্রথম খলিফা মানে, তারাই একমাত্র মুক্তিপ্রাপ্ত এককাতারে শামিল। বাকী সবাই ঐ ৭২ দলের।
মাওলা আলী যদি প্রথম খলিফা হতো এবং মুসলিম জাতি একবাক্যে মেনে নিতো, তাহলে আজ সারাবিশ্বে মোহাম্মদী ইসলাম ব্যতীত কিছুই থাকতো না। মুসলিম জাতি হতো সুসভ্য,মানবিক, আধ্যাত্নিক, মুমিন, ঈমানদার এবং বীরের জাতি। হে মুসলিম জাতি! মাওলা আলীর কদম ব্যতীত তোমাদের কোন মুক্তির সুব্যবস্হা নেই এবং থাকতে পারে না। অতি দ্রুতগতিতে মাওলা আলীর কদমে ক্ষমা ভিক্ষা চেয়ে, আহলে বাইতকে আঁকড়ে ধরুন। বিশ্বাস করুন,তখন পৃথিবীর কোন পরাশক্তি আমাদের বিন্দুমাত্র কিছু করতে পারবে না। আবার আমরা সুসভ্য, মানবিক এবং বীরের জাতিতে পরিণত হবো। জয় মোহাম্মদী ইসলামের জয়, জয় মাওলা আলীর জয়।