
শাহ সারওয়ার জাহান,কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি.
তিন বন্ধুর খরচের টাকা যোগাড় করতে অটো চালক ডিসিস্ট মনির হোসেন উরফে ফয়সাল কে খুন করা হয়েছে।বিবরণে প্রকাশ,ফয়সাল রাতে বাড়ী না ফেরায় থানায় গিয়ে ২৯/১১/২০২২ তার পিতা সাইফুল ইসলাম পিতা মৃত মতি মিয়া সাং মজলিশপুর থানা-বাজিতপুর অভিযোগ করলে থানা পুলিশ নিহতের লাশ সনাক্ত করেন। পুলিশ ব্যুরো অব 

ইন্ভেষ্টিগেশন(পিবিআই)কিশোরগঞ্জ জেলা ইউনিট বাজিতপুর উপজেলার সরারচর থেকে উজানচর যাওয়ার রাস্তায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিকট ফয়সালের লাশ বাজিতপুর থানা পুলিশ পর্যবেক্ষণ করলেও আসামী সনাক্ত করতে না পারায় পিবিআই তাদের তদন্তে প্রাপ্ত সন্দিগ্ধ আসামী আলী আকবর(২২),আসামী রাকাত(১৮)কে গ্রেফতার করে।বিচারিক আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট এর নিকট আসামীদের দেয়া১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দিতে উঠে আসে অনেক কথা।হাতে টাকা না থাকায়এক সেলুনে বসে অটো ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা থেকে সরারচর বাজারে ওয়াজ শুনতে যায় তিনবন্ধু।অপর এক বন্ধু কাওসার ওয়াজ শেষে উজানচর যাওয়ার জন্য একটি অটো ভাড়া নেয়। অটো দিয়ে উজানচর যাওয়ার পথে অর্ধেক পথ গিয়ে আবার অটো ঘুরিয়ে সরারচর যেতে বলে।দুই বন্ধু চালকের দুইপাশে বসলে পিছনের বন্ধু সুযোগ বুঝে দড়ি দিয়ে গলা পেচিয়ে ফেলে।কিছুক্ষণ পর শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ফয়সালের মৃত্যু হয়।তিন বন্ধু লাশ ফেলে রেখে অটো চালিয়ে বাজিতপুর ভাংগারী দোকানে বিক্রয় করে টাকা ভাগাভাগি করে।১ নং সংঘবদ্ধ এজাহার নামীয় আসামী আলী আকবর(২২)পিতা ইমতিয়াজ সাং পশ্চিম মন্ডলভোগ থানা কটিয়াদী কে গ্রেফতার করলে তার দেয়া বক্তব্যনুযায়ী অপর আসামী রাকাতও কাউসার এর সন্ধান পান পিবিআই।পিবিআই কিশোরগঞ্জ জেলা ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার মোঃ শাহাদত হোসেন পিপিএম সূএে বর্ণিত হত্যাকান্ডের মূল আসামীদের ধরতে খুব বেশী সময় লাগেনি।একজনকে গ্রেফতার এর পর অন্যদের সন্ধান খুব সহজে পেয়ে যাই বলে মামলাটির বিচারের কাজ সম্পূর্ণ করতে অসুবিধা থাকলো না।