
মোঃ জাহিদ হোসেন-দিনাজপুরঃ নানান কর্মসুচীর মধ্য দিয়ে দিনাজপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা এ্যাড.আমজাদ হোসেনের ১৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।কর্মসুচীর মধ্যে ৯ মে ২০২৩ মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার ১নং চেহেলগাজী ইউনিয়নের কর্নাইগ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলতাফুজ্জামান মিতার নেতৃত্বে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করা হয়।এসময় জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলতাফুজ্জামান মিতা বলেন স্মৃতিতে রবে সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম আমজাদ হোসেন। রাজনীতির মাঠে অনেক অবদান রয়েছে তার যা জেলা আওয়ামীলীগ কখনো ভুলবে না।তিনি অশ্রু কন্ঠে আরো বলেন দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর থেকে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে জয়লাভ। দীর্ঘদিন দিনাজপুরে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছন তিান। মরে গিয়েও আজ দিনাজপুর বাসীর অন্তরে জাগ্রত রয়েছেন বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম আমজাদ হোসেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক রায়হান কবীর সোহাগ,দপ্তর সম্পাদক মনিরুজ্জামান জুয়েল,প্রচার সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক শাজাহান নবেল, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আক্তারুজ্জামান, মরহুম আমজাদ হোসেনের ছেলে জেলা আওয়ামীরীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শওকত হোসেন বুল্লা, ১ নং চেহেলগাজী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জর্জিস সোহেল, সাধারণ সম্পাদক কাশেম আলী। দুপুরে সুইহারীস্থ বাস ভবনে মরহুম আমজাদ হোসেন ফাউন্ডেশন পরিচালনা পর্ষদের আয়োজনে মরহুমে রুহের আত্বার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও ৭শত দুস্থ ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে দুপুরের খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এসময় মরহুম আমজাদ হোসেন এর ছেলে ও জেলা আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শওকত হোসেন বুল্লা বলেন, দিনাজপুরে তখনো অনেক নেতা ছিলেন তার মাঝেও ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু দিনাজপুরে এসে আমার বাবাকে মনোনয়ন দেন। এবং সে সময় আবার বাবা বিপুল ভোটে নির্বাচিত হোন। পরবর্তীতে আমার বাবা আবার মনোনয়ন পান এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে হারিয়ে পুনরায় নির্বাচিত হোন। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে গেছেন। দাযিত্ব পালন কালে সর্বদা মানুষের পাশে থেকে কাজ করার চেষ্টা করে গেছেন। তিনি চলে গেছেন কিন্তু রেখে গেছেন অনেক স্মৃতি। তিনি থাকবেন দিনাজপুর বাসীর অন্তরে। মরহুমের নাতি শওকত হোসেন বুল্লার ছেলে আরাফাত হোসেন তার দাদার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দিনাজপুর বাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
উল্লেখ, ১৯৫২’র ভাষা আন্দোলন ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন সহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সক্রিয় ভূমিকা। দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর থেকে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে জয়লাভ। দীর্ঘদিন দিনাজপুরে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পেছনে অগ্রনি ভুমিকা, স্বাধীনতা সংগ্রামে জীবন বাজী রেখে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন। পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ নামক স্বাধীনরাষ্ট্রে লাল সবুজের পতাকা উত্তলোনের অবদান রেখে গেছেন।