আব্দুস সাত্তার সুমন দাঁত পরেছে খুকুমণির জন্মদন্ত নড়ে, আব্বু, আম্মু, ছোটমনি সবাই মিলে ধরে। দাঁতের উপর দাঁত উঠেছে সামনে পিছের ঘরে, সবার নাকি ঘাম ছুটেছে টানাটানির করে। দাঁতের গোড়ায় রক্ত
আব্দুস সাত্তার সুমন ছুটি আপনার কেমন হলো গেলেন কোন দেশে? সবার নাকি ঘুম কেড়েছেন ভার্চুয়ালি রেশে। বিরতিতে নেট সমাচার নাইতো মোদের দাবি, যেটা খুশি সেটা করেন আপনার হাতে চাবি। এনালকের
আব্দুস সাত্তার সুমন উত্তেজনা রুদ্রশ্বাসে জড়ো পাপে তাপে, গুলির শব্দে আত্মচিৎকার বাংলার ভূমি কাঁপে। হেফাজতে রাখো প্রভু যোগাযোগ যে বন্ধ, কর্ম রুজি জব্দ আজি অর্থনীতি মন্দ। লাঠিসোটা বর্ষা বল্লম হাতে
আব্দুস সাত্তার সুমন অযথা নিয়ে কথা হয় অন্যের যুক্তি টানে, পন্ডিত মশাই ব্যাখ্যা দেখায় মহাজগৎ জানে। রক্ত আজি হিংসার কড়া শত্রু যেন ঘরে, জঙ্গলের সব আচার রীতি মনে লালন করে।
আব্দুস সাত্তার সুমন সাদা আভায় রশ্মি বিলায় সূর্য ডোবার সাথে, মিষ্টি আলোয় তোমায় খুঁজে গভীর চাঁদনী রাতে। ধানের শীষে সরষে বাগান আধো আলো ছায়া, শিউলি তলায় গোলাপ জলে ভালোবাসার মায়া।
মোশাহেদ চৌধুরী যদি বলো ভিজতে রাজি ওরে শ্রাবণের জলে নয় রক্তের লালে যেমন করে সাঈদের রক্ত ঝরে যা দেখেনি কেউ কোনো কালে। নাহয় সবুজটুকুও হোক লাল কী আসে যায় আর
মোশাহেদ চৌধুরী কোথায় চলে গেলে বন্ধু জলে ভেসে ভেসে সহেনা আর পরানে যে দেখা দাও গো এসে।। চাইয়া থাকি নদীর পথে কখন আসবা মাঝি তুমি রাজি হইলে পরে আসবে ঘরে
আবুল হাশেম-রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীর বাঘায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ( অনূর্ধ্ব- ১৭) পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান হয়।মঙ্গলবার (৩০)জুলাই বাঘা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তরিকুল
মোশাহেদ চৌধুরী কোথায় চলে গেলে বন্ধু জলে ভেসে ভেসে সহেনা আর পরানে যে দেখা দাও গো এসে।। চাইয়া থাকি নদীর পথে কখন আসবা মাঝি তুমি রাজি হইলে পরে আসবে ঘরে
মোশাহেদ চৌধুরী শকুনে পেয়েছে তারে হারানোর বহুদিন পর মাংসভুক শকুন তাই ফেটে পড়ে উল্লাসে। রক্তমাংস খেয়ে সে পরিতৃপ্ত করবে জটর সব কথা থাকে না লেখা মহাকালের ইতিহাসে। কোন আকালের ঘাটে