
অনেক কথা আজকে আমার জানতে খুব ইচ্ছা করে
এখনও কী তোর চওড়া কাঁধ ঢাকা থাকে সেই চাদরে!
অন্য কাঁধে ঝুলানো ব্যাগ,লম্বামতো
ইচ্ছে করে এখন তোকে দেখতে পেলে কেমন হতো!
পাঞ্জাবি তোর সেটাই পরিস!
দেখেছি যা দীর্ঘটা দিন এমনি করেই
পুরান হলেও ধোয়া কী হয়
নাকি চলে সারাবছর এক ধোয়াতেই!
সিগারেট কী ফুঁকিস এখন আগের মতো!
কী যেন নাম সিগারেটের, ভুলেই গেছি।
তুই কী এখন রেখেছিস দাড়ি খোঁচা খোঁচা
থাকলে তো সব সাদাকালো
এমনই থাক,সেইতো ভালো।
শুনেছিলাম বে’ করেছিস
এখনো তোর বউ কী আছে!কী যেন নাম!
সেই মেয়েটির কথা ভেবে মনে মনে
আমার যে খুব কষ্ট হয়।
তুই তো খুবই জ্বালাস তাকে,সত্যি কী তাই !
আমার মতো জ্বালাবে না,বলে দিলাম
জেনে রাখিস বউ হয়ে তোর ঘর করছে।
ছেলেপুলে কটা?পারলে জানাস।
ইচ্ছে করে তোর ছেলেদের আদর দিতে
জানিস!আমারটিও পড়ছে আজ ভার্সিটিতে।
আচ্ছা তুই কী লিখিস এখন!লিখবে না আর
লিখে লিখে সেইতো কবেই মাতাল হলো কাব্যপ্রেমে
কী হলো আর এমন লিখে, অযুত পাথার!
আচ্ছা থাক এ’সব কথা —-
আর একটিবার দেখা হতো যদি,
দেখতি আমি তেমনই আছি তোর ডুবসাঁতারের নদী।