আব্দুস সাত্তার সুমন বৃষ্টি বন্যা হতে পারে প্রকৃতেরি খেলা, বাঁধের পানি ছেড়ে দিয়ে মিটায় মনের জ্বালা। পূর্ব থেকে ছিল তারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, বদলে গেল সবই তখন হলো তারা ক্ষিপ্ত। যুদ্ধ
শাহজালাল সুজন বহিতেছে তরী উড়িতেছে পাল অনল দগ্ধ বায়ে, ঝরিতেছে বিধু রূপায়ণে মৃদু রক্তিম আভা গায়ে। পুড়িয়েছে নদী শুকিয়েছে জল অবাক দৃষ্টি কত, ছলছল আঁখি বাতায়নে ডাকি বেদনার নীল শত।
আব্দুস সাত্তার সুমন বোনের আনা কুকুর ছানা হীরা তাহার নামটি, গায়ের গতর তুলতুলে তার পরিবারের প্রাণটি। সাদা রঙের লোমের বাহার থাকতো মোদের ঘরে, ছোট্ট ছিলাম আমরা সবাই অতীত মনে পরে।
আফসার আশরাফী চার পাশে দেখি শুধু পানি আর পানি- তার ওপর ভেসে আসে ছোট শিশু সানি। আমার প্রিয় জন্মভূমি দেশ ভাসে বন্যায় – দেখে চোখে অশ্রু ঝড়ে মানুষের কান্যায়। এ
মোশাহেদ চৌধুরী জানি আমি আল্লাহ তোমার করুণার নেই শেষ রক্ষা করো দয়ার গুণে আমার বাংলাদেশ।। বানের জলে ভাসছে দেশের লক্ষ নারী নর যাচ্ছে ভেসে ভিটেমাটি সাধের বাড়িঘর। ভাসছে পশু, দুধের
মোশাহেদ চৌধুরী জানি আমি আল্লাহ তোমার দয়ার যে নেই শেষ আল্লাহ তুমি রক্ষা করো আমার বাংলাদেশ।। বানের জলে ভাসছে দেশের লক্ষ নারী নর যাচ্ছে ভেসে বসতভিটা সাধের বাড়িঘর। ভাসছে পশু,
জেসমিন জাহান নিপা চোখের ভাষায় স্বপ্ন আঁকা নাম না জানা তুমি জলে ভরা চারিদিকে স্বাধীন বঙ্গভূমি। কে বাঁচাবে কাকে আজি পানির উত্তাল ঢেউ জন জীবনে বিপন্ন হবে ভালো নেই যে
তাম্মি আমি লিখবো না আর কবিতা মনে ভাসে তার ছবি টা, কত যে কথা থেকে যায় হাহাকারে তা পূর্ণতা পায়….. অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকা মন ভুবনে তাকে দখলে রাখা, যেন
মুক্তা মনি এত রাত জাগো কেনো? আসেনা কি ঘুৃম? ঘুমকে আমি দিয়েছি ছুটি তাই রাতটা নির্ঘুম। হাজার কথা ভীড় করে ব্রেনকে রাখে সজাগ কতকিছুর হিসাব মিলাই ঘুমকে বলি যাহ্ ভাগ!
মোশাহেদ চৌধুরী সভ্য দেশে কীসব শুনি —- এ’ কেমন অনাচার অধিকার যে ছিলোই তার স্বাধীনভাবে বাঁচার। ছিঁড়ে খুবলে খেলো যখন ডজনখানেক শেয়াল কোথায় ছিলো বিবেক তখন কেউ করেনি খেয়াল !