
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-কিশোরগঞ্জের নিকলীতে দিন যাচ্ছে আর বেড়ে উঠছে চাঁদাবাজির অভিযোগে,রাত পোহনোর আগেই শোনা যায়,চাঁদাবাজি,হত্যা,রাহাজানি,শিশু ধর্ষণ, চুরি,ছিনতাই,অপহরণ,ইভটিজিং এবং মাদকের মতন জঘন্য কাজ।এর ধারাবাহিকতা কে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের নিকলীতে আলী জামশেদ নামের এক হত্যা মামলার আসামীর বিরুদ্ধে ঝড় উঠেছে চাঁদাবাজির অভিযোগ।আলী জামশেদ নিকলী উপজেলা জারইতলা ইউনিয়নের সাজনপুর আঠারোবাড়ীয়া গ্রামের মৃত মুসলিম মিয়ার ছেলে।অভিযোগ রয়েছে,নিকলী জারইতলার ইউনিয়নের সাজানপুর আঠারবাড়ীয়া গ্রামের আলোচিত ইশাদ হত্যার ঘটনা,অভিযোগ রয়েছে,রশিদ রঞ্জন, আবু,গোপাল ও স্বপন,চাঁদা না দেওয়াতে তাদের পরিবারের সাথে প্রতিনিয়তই হচ্ছে ব্ল্যাকমেলিং এর ঘটনা। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়,চার-পাঁচ বছর আগে আপন চাচাতো বোন জোসনা আক্তারের স্বামীকে কে বাজিতপুর উপজেলায় সরাচর রেললাইন এলাকায় আলী জামশেদ সহ সন্ত্রাসী দলবল নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। অভিযোগ পাওয়া যায়,হিন্দু সম্প্রদায়ের গান্ধী পরিবারের রশিদ,রঞ্জন,আবু,গোপাল,স্বপন সহ চাঁদা না দেওয়ার দায়ে গভীর রাতে ঘরে আগুন লাগিয়ে পুড়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।এভাবে সাধারণ মানুষকে নির্যাতন করে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা এবং তৈরি করেছে অট্টালিকা।শুধু তাই নয় নিকলী বিভিন্ন হোটেল প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে গরুর হাট-বাজারে, নদী নালাখাল বিল।তার বিরুদ্ধে রয়েছে চাঁদাবাজির ব্যাপক অভিযোগ। জানা যায়, দুই সপ্তাহ আগে
নিকলী সাজনপুর গরুরহাটে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়াতে ইজারাদার মোঃ আলম মিয়া কে লাঞ্ছিতের ঘটনা।এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী ইজারাদার মোঃ আলম মিয়া বাদী হয়ে নিকলী থানায় আলী জামশেদের বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজির অভিযোগ দায়ের করেছেন,অভিযোগটি এখনো কোন প্রক্রিয়া পাইনি বলে মোঃ আলম মিয়ার সূত্রে জানা যায়।আরো জানা যায়,নিকলীতে এখন চাঁদার স্বর্গরাজ্য পরিণত হয়েছে,জানা যায় সাত-আট মাস আগে নিকলী আলম রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এর কাছ থেকে এই চক্রের বিরুদ্ধে পাঁচ লক্ষ টাকার চাঁদার অভিযোগ উঠেছিল।কিন্তু এ ব্যাপারে আলম রিসোর্টের এর প্রতিষ্ঠাতা মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া চাঁদাবাজ ও অপসাংবাদিকদের বিরুদ্ধে নিকলী থানায় তিনটি চাঁদাবাজির অভিযোগ দিলে ও অভিযোগটি একটি প্রভাবশালীর চক্রের কারণে মামলা কোনো প্রক্রিয়া হয়নি বলে মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়ার সূত্রে জানা যায়। এই ব্যাপারে সাজনপুরের আঠারো বাড়িয়ার এক ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য মোঃ চাঁন মিয়া জানান,চক্রটির মূল হোতা হল হত্যা মামলার কুখ্যাত আসামি আলী জামশেদ। তার বিরুদ্ধে এলাকায় বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে, আদম ব্যবসা,চাঁদাবাজি,মাদক,অপহরণ,ছিনতাইসহ আরো অনেক অভিযোগ।সাজনপুর গ্রামের গোলাপ মিয়া ও রাজন মিয়ার কাছ থেকে বিদেশ নেওয়ার কথা বলে বিশ থেকে পঁচিশ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এই অপকর্মের কারণে তার প্রথম স্ত্রী দুই সন্তানের জননী তাকে ডিভোর্স দিয়ে চলে যায়।এই নিয়ে ইজারাদার মোঃ আলম মিয়া জানান,দুই সপ্তাহ আগে আমার কাছে আলী জামশেদ নামে এই কুখ্যাত আদম ব্যবসায়ী পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন,আমি টাকা না দেওয়াতে আমাকে লাঞ্ছিত করেন।এ ব্যাপারে নিকলী থানায় আলী জামশেদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির একটি অভিযোগ রয়েছে।এ নিয়ে আলী জামশেদ কে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে সে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।এ বিষয় নিকলি থানার ওসি মোহাম্মদ মনসুর আলী আরিফ জানান,ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।