
মামুনুর রশীদ মামুনঃ
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন মোঃ নাজমুস সাকিব।দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই শহরজুড়ে তৈরি হয়েছে ইতিবাচক আলোচনা। কারণ,এর আগে জামালপুর সদর থানায় দায়িত্ব পালনকালে তিনি অপরাধ দমন,মাদক নিয়ন্ত্রণ,সচ্ছ পুলিশিং ব্যবস্থাপনা—সব ক্ষেত্রেই দেখিয়েছেন উল্লেখযোগ্য সফলতা।
স্থানীয়দের মতে,জেলায় দীর্ঘদিন ধরে চলা নানা অপরাধ চক্র,মাদক ব্যবসা,চাঁদাবাজি এবং কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে একজন কার্যকর,নিষ্ঠাবান ও দূরদর্শী পুলিশ কর্মকর্তা অত্যন্ত জরুরি ছিল। সেই প্রয়োজন পূরণেই নাজমুস সাকিবের আগমনকে দেখছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
পুলিশ সূত্র জানায়,দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি থানার বিভিন্ন ইউনিটের কার্যক্রম পর্যালোচনা শুরু করেছেন। অপরাধ দমনে প্রযুক্তির ব্যবহার, মাঠপর্যায়ের টহল জোরদার,ভুক্তভোগীদের দ্রুত সেবা প্রদান এবং থানাকে সত্যিকারের জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর—এগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ শুরু করবেন বলে শোনা গেছে।
জামালপুরে দায়িত্ব পালনকালে তার নেতৃত্বে একাধিক চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উৎঘাটন এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান প্রশাসনের ভেতরে–বাইরে প্রশংসিত হয়। ফলে ময়মনসিংহবাসীর প্রত্যাশা—শহরের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে শিগগিরই দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।
বিভিন্ন স্তরের নাগরিকরা বলছেন,“একজন সক্ষম ওসি পাওয়া ময়মনসিংহ শহরের জন্য খুবই প্রয়োজন ছিল। নাজমুস সাকিব সেই শূন্যতা পূরণ করবেন—এটাই আমাদের বিশ্বাস।”
নতুন এ ওসি দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং বলেছেন,“মাদক,চাঁদাবাজি,কিশোর গ্যাং—কোনো অপরাধীই ছাড় পাবে না। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর কিন্তু ন্যায়নিষ্ঠ অবস্থানই হবে আমার অঙ্গীকার।”
ময়মনসিংহের নাগরিকরা তাই এখন তাকিয়ে আছেন নতুন ওসির কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের দিকে—নিরাপত্তাহীনতার অন্ধকার ভেদ করে শান্তি ও স্বস্তির শহর গড়ে উঠবে—এমনটাই তাদের প্রত্যাশা।