
মোঃ মহিউদ্দিন সরকারঃ কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধিঃ
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম প্রান্তিক পরীক্ষার নোট বা সাজেশন দেয়ার কথা বলে পাশের রুমে নিয়ে পঞ্চম শ্রেণীর কিশোরী শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ও প্রতিবাদে ৪শিক্ষার্থী পরীক্ষা বর্জন করেছে। অন্যদিকে উক্ত ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের তদন্ত রিপোর্টও ঝুলছে।
নুরেছা দুখিয়ারগাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আজিজুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান,ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীসহ মোট ৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি। তিনি আরো বলেন, আমরাও তদন্ত রিপোর্টের অপেক্ষায় আছি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমদাদুল হক তালুকদারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে কথা হয় ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিলুফা ইয়াসমিন নিপার সাথে। তিনি জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমদাদুল হক তালুকদার ছুটিতে গেছেন।তদন্ত রিপোর্ট সম্পর্কে আমি কিছু বলতে পারছি না।
এ দিকে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা রহিমা আক্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
উল্লেখ্য গত ৫মে আনুমানিক রাত ৮টায় উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের নুরেছা দুখিয়ারগাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ সাইকুল ইসলাম ওরফে চান মিয়ার বিরুদ্ধে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে এবং ৬ মে এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে স্কুলে উত্তেজনা তৈরি হলে তৎক্ষনাৎ স্কুল ছুটি দিয়ে দেয়া হয়। ঐ দিনই উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমদাদুল হক তালুকদার, কেন্দুয়া থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ওমর কাইয়ুমসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমদাদুল হক তালুকদার ৫ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন ও এর পরের দিন অর্থাৎ ৭ মে প্রতিবেদন দাখিলের কথা ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তা আজও (৮ ম) দাখিল হয় নি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে যথেষ্ট আগ্রহ ও উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।