
মোস্তফা আল মাসুদ,বগুড়া।
গতকাল মঙ্গলবার রাত ১ টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুপালী মারা যান।এর আগে রাত ৯টার দিকে কাহালু পৌর এলাকার পাল্লাপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।রুপালী ওই গ্রামের মো. পলাশের স্ত্রী।এ ঘটনায় পলাশ, মোজাম্মেল ও আফরোজা আহত হন।আহতদের মধ্যে পলাশ,মোজাম্মেল ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।এ ছাড়া গ্রেফতার অন্য তিন জন হলেন মোজাম্মেল হকের স্ত্রী আফরোজা (২৫),বাবা রাশেদ আলী (৬০) ও মা মরিয়মকে (৫৫)।
বুধবার নিহত রুপালীর ভাই একই উপজেলার মুরইলের বাসিন্দা সুমন বাদি হয়ে চারজনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন কাহালু থানার ওসি আব্দুল হান্নান।স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়,টিউবওয়েলের পানি নেয়া এবং বিদ্যুৎবিল দেওয়াকে কেন্দ্র করে মো. পলাশ (৪২) এবং তহার সৎ ভাই মোজাম্মেল হকের পরিবারের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল।এর জের ধরে গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে দুই ভাইয়ের পরিবারের মধ্যে ঝগড়াসহ হাতাহাতি শুরু হয়।
এক পর্যায়ে মোজাম্মেল তার হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে ভাবি রুপালীর পেটে ছুরিকাঘাত করেন। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় কাহালু উপজেলা হাসপাতালে নেয়া হয়। অবস্থা খারাপ হলে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান।ওসি আব্দুল হান্নান বলেন,এ ঘটনায় আজ চারজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।গ্রেফতার মধ্যে মোজাম্মেল পুলিশি হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।রুপালীর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।