1. admin@auchsangbad.com : admin :
যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স ‘সরমান,হারুন,সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি.. - আউচ সংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কটিয়াদীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মহরম আলী ওরফে মঞ্জুর আলীর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক আসামিকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ ভৈরব থানার ওসির বিরুদ্ধে! পাকুন্দিয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে মুক্তিযোদ্ধার উপর হামলা ও বাড়ি ঘর ভাংচুর চৌদ্দগ্রামে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক সেমিনার ও সততা ষ্টোর উদ্বোধন সর্বজনীন পেনশন ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আরসিসি সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন শিক্ষক বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহে আলোচনা সভা ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ প্রতিপাদ্যে নানা কর্মসূচি জাপানের কিয়োটোতে 46th SICOT Congress-এ যোগদান শেষে দেশের উদ্দেশ্যে টোকিও ত্যাগ করলেন ডা. এম কামরুজ্জামান মানিক বিএনডিএসের ১ম কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ ঘোষণা সভাপতি মোঃ শরীফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাহনূর কিবরিয়া সুজন হোসেনপুরে বিএমইউজে-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে ১০ লাখ টাকা জরিমানা আইসিটি বিভাগে নিয়োগের নামে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার কোটি টাকা : ‘প্রমোট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’-এর পকেটে হাজার কোটি টাকা মঙ্গলবাড়িয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপারন্টেনডেন্ট গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে ‘প্রমোট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ নামের একটি বিতর্কিত সংস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের প্রায় কোট টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তথ্য গোপন করে ঘুষ দিয়ে চাকরি, চাকুরী হওয়ার পর স্বামীকে তালাক ইন্স্যুরেন্সে ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইডিএবি) ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা গাজীপুর জেলা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনকল্যাণে ব্যাপক উন্নয়ন: আচমিতা ইউপি চেয়ারম্যান মতিউর রহমান ১ লাখ ৯ হাজার টাকায় ওমরাহ: ৩৬ যাত্রী নিয়ে সৌদি আরবের পথে লাব্বাইক হজ্জ্ব সার্ভিসেস ১৪ দিনের প্যাকেজে ভিসা, আপ-ডাউন টিকিট, হোটেল, তিন বেলা খাবার ও পরিবহন সুবিধার দাবি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাঈদ আহমেদ আসলামকে বিআইএফের ফুলেল শুভেচ্ছা নিকলীতে শিক্ষিকাকে মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ নাঈমের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ লিগ্যাল এইডে এক বছরে ৪১৩৫ বিরোধ নিষ্পত্তি সাইফুল ইসলামের মধ্যস্থতায় মীমাংসা ১,৪৯৬ বিরোধ, আদায় ৮ কোটি ১৮ লাখ টাকা বীমা খাতের সংস্কার ও গ্রাহক আস্থা পুনর্গঠনে গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা আইডিআরএ চেয়ারম্যানের ধান সংগ্রহে অনিয়ম: বিরিশিরি এলএসডির কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ঈশ্বরগঞ্জে অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের প্রথম মামলা, গ্রেফতার

যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স ‘সরমান,হারুন,সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি..

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৫৫৭ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

যমুনা লাইফের এই সিন্ডিকেটের জোকসাজসে মূলধন গায়েব করেছে ৪ কোটি,গ্রাহকদের দায় প্রায় ৪০ কোটি প্লাস,১১ বছরে এক টাকারও এফডিআর করতে সক্ষম হয়নি কোম্পানিটি,প্রতিবেদকের তথ্যে উঠে আসে চতুর্থ প্রজন্মের বিমা কোম্পানি যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সকে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছেন কোম্পানির অর্থ ও হিসাব বিভাগের ইভিপি মোজাম্মেল হক সরমান।অবৈধভাবে কোম্পানির কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ,ভ্যাট ও ট্যাক্স ফাঁকি,কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে সিন্ডিকেট সহ নানা অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।বীমা উন্নয়ণ ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান বরাবর ‘সরমান সিন্ডিকেটের অপসারণ’ চেয়ে আইডিআরএ চিঠি দিয়েছিলেন ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকরা,চট্টগ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের প্রায় আড়াই কোটি টাকা কেলেঙ্কারির মূল সহযোগিতাকারী সরমান,তারই নির্দেশেই এফ ডি আর নামে অধিক কমিশন দিয়ে মাঠ থেকে টাকা উঠিয়ে সাধারণ পলিসি করিয়াছিলেন সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মকর্তারা, যার মামলা আজও চলমান।গত পহেলা অক্টোবর আইডিআরএ তে দেয়া এক চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল যমুনা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানির মালিক পক্ষ- সবাই সদ্য বিদায়ী স্বৈরশাসক আওয়ামী সরকারের হেভি ওয়েট এমপি ও মন্ত্রী ছিলেন।কোম্পানীর চেয়ারম্যান বদরুল আলম খান ও পরিচালক মোঃ সালাহউদ্দিন চৌধুরী দু’জন হলেন,সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী প্রতিনিধিত্বকারী।ভাইস চেয়ারম্যান সামিয়া রহমান ও পরিচালক আয়েশা সুলতানা- এরা দু’জন হলো সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের নাতনী ও তার স্ত্রী।পরিচালক মোঃ মাইদুল ইসলাম হলেন সাবেক মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলামের ছেলে। বাকি সব পরিচালকরা হলেন- কুলিয়ার চর সি ফুডস লিমিটেড এর মালিক মরহুম মোঃ মুছা মিয়ার স্ত্রী ও সন্তান।এরা সবাই আওয়ামী পরিবারের লোক প্রভাবশালী আওয়ামী এমপি ও মন্ত্রীদের ব্যবহার করে যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের কিছু ডেস্ক কর্মকর্তা ও সিএফও সরমান,হারুন কোম্পানির থেকে সুকৌশলে কোটি কোটি টাকা আত্নসাৎ করেছেন। বর্তমানে পরিচালকরা সবাই আত্মগোপনে থাকার কারনে একটি চক্র আইডিআরএ থেকে অপসারিত ব্যক্তি ডক্টর বিশ্বজিৎ মন্ডল কে সিইও সিসি হিসাবে নিয়োগ দিয়েছিলেন,যার নামে ইতিপূর্বে এই কোম্পানিতেই আর্থিক অনিয়মের কারণে পুনবহাল না করে অন্য সিইও নিয়োগ করেছিলেন বোড,আগামী সরকার পতনের পরে,তড়িঘড়ি করে আওয়ামী দোসর,বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরিরত অবস্থায় আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িত,অভিযুক্ত ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আর্থিক সহায়তাকারী বিশ্বজিৎ কুমার মন্ডল কে পুনরায় ২৮ আগস্ট ২০২৪ নিয়োগ দিয়েছিলেন বোর্ড।বিভিন্ন অনিয়ম,স্বজন প্রীতি, ব্যবসাবিহীন বেতন প্রদানসহ চিঠিপত্রে ইসলামী শব্দগুলো চিঠিপত্র থেকে কেটে দিতেন,আসসালামু আলাইকুম, বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম,আলহামদুলিল্লাহ,মাশাআল্লাহ্ তারই কারণে ৯৫ পার্সেন্ট মুসলিম কর্মী ও কর্মকর্তা কর্মরত প্রতিষ্ঠানে ক্ষোবের সৃষ্টি হয়,যার প্রেক্ষিতে গত ১৪ জানুয়ারি ২০২৫ কোম্পানির চেয়ারম্যান তাকে অব্যাহতি প্রদান করেন।উল্লেখ্য সরমান ও হারুন চক্রটি কোম্পানির কোটি কোটি টাকা বিভিন্ন মাধ্যমে বের করে ফেলেছে এমনকি কোম্পানির হতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকে আজ পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।যমুনা লাইফে ৬ টি উপায়ে অর্থ লোপাট হয়েছে – আইডিয়ারের চিঠিতে এমন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।আর কোম্পানির এই অর্থ আত্নসাতের মাস্টার মাইন্ড হলেন- অর্থ ও হিসাব বিভাগের ইনচার্জ মোঃ মোজাম্মেল হক সরমান,ইভিপি (অর্থ ও হিসাব) এবং গ্রুপ বিমার ইনচার্জ ও এসইভিপি মোঃ হারুন অর রশিদ।গত কয়েক বছর ধরে তারা সুকৌশলে কোম্পানি থেকে অবৈধভাবে টাকা নিয়েছে এবং অদ্য অব্যাহতি প্রাপ্ত সিইও,আইডিয়ারে হতে অপসারিত, মামলাবাজ নামে খ্যাত বিশ্বজিৎ কুমার মন্ডল থাকাকালীন সাড়ে পাঁচ মাসে তা আরো বেগমান হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।চিঠিতে আরো উল্লেখ করেন,যমুনা লাইফের অর্থ ও হিসাব বিভাগের ইনচার্জ মোজাম্মেল হক সরমান দীর্ঘদিন যাবত সরকারি কোষাগারে কোন ধরনের ভ্যাট এবং ট্যাক্স জমা দেন নাই।যার কারনে অডিটে প্রায় থেকে ২ কোটি টাকা জরিমানা হয়েছে।তখন ঘুস বানিজ্য করে ২ কোটি টাকার বিপরীতে ১ কোটি টাকা ঘুষ দিলে ২ কোটি টাকা মাফ পাবে বোর্ডকে এমন কাহিনি বলেন। বোর্ড তাতে রাজি হয়।ভ্যাট ও ট্যাক্সের টাকা ফাঁকি দিতে ঘুষ হিসেবে কোম্পানি থেকে ১ কোটি টাকা বের করা হয়।এই টাকা থেকে সরমান ২০ লক্ষ টাকা খরচ করে ৮০ লক্ষ টাকা আত্নসাৎ করেন।বর্তমানে ভ্যাট ও ট্যাক্স এখনো মামলা চলমান রয়েছে।এছাড়াও পরিবহন বিভাগের ইনচার্জ এর মাধ্যমে সব চেয়ে বেশি টাকা বের করছেন সরমান সিন্ডিকেট।বিভিন্ন ভুয়া বিলের মাধ্যমে হাজার হাজার টাকা লুটপাট করেন আওয়ামী মধু পুষ্ট সরমান ও হারুন সিন্ডিকেট।অভিযোগে বলা হয়েছে, যমুনা লাইফে সরমান সিন্ডিকেট প্রাধান কার্যালয়ের ক্যাশিয়ারের মাধ্যমে প্রায় ৮ কোটি টাকা বের করে নিয়েছে।সরমান সারা দেশের ক্যাশিয়ারদের কাছ থেকে প্রিমিয়ামের টাকা সংগ্রহ করে এবং পুরো টাকা ব্যাংকে জমা না করে বিল সমন্বয়ের কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেন।এরপর সিন্ডিকেটটি প্রিমিয়ামের টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেন।পরে,বছর শেষে ঐ টাকা বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মীর নামে ডিউ দেখিয়ে আত্মসাৎ করেন।গ্রুপ বীমার ইনচার্জ হারুন অর রশিদ এবং হিসাব বিভাগের ইনচার্জ মোজাম্মেল হক সরমান- এরা গ্রুপ বীমাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে লুটপাট করছে কয়েক কোটি টাকা।এমনকি যমুনা লাইফ বাংলাদেশের অন্যসব বীমা কোম্পানির চেয়ে কম রেটে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রুপ বিমা গ্রহন করতেন যার কারণে যথাসময়ে দাবী পরিশোধ করতেও ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ তুলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের সঙ্গে পুনরায় চুক্তি নবায়ন করতে রাজি হননি বলেও জানা যায়।এমনকি চুক্তিকৃত গ্রুপ বীমার প্রিমিয়াম যার রেটিং কোন একচ্যুয়ারির অনুমোদনও নেই। ফলে গ্রুপ বিমা সবসময় লচে থাকে এবং লচের টাকা একক বীমার টাকা থেকে পূরণ করা হচ্ছে এমন অভিযোগ রয়েছে।বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুস ও গিফট এবং কমিশন প্রদানের নাম করে প্রয় ৬ কোটি নগদ টাকা লুটপাট করতেছে সরমান ও হারুন সিন্ডিকেটটি যাক চুক্তি কি তো প্রতিষ্ঠানগুলোর সূত্রে উঠে এসেছে।এভাবেই সাধারণ বীমা গ্রাহকের টাকা অন্য দিকে চলে যাচ্ছে এবং কোম্পানির বীমার মেয়াদ শেষে গ্রাহকের টাকা না পাওয়ার আশঙ্কা করা করছেন সাধারণ গ্রাহকগণ,ইতিমধ্যে ম্যাচুরিটি টাকা,সারভাইবেল বেনিফিট এর টাকা,অফিস ভাড়া ও স্টাফদের বেতন যথা সময়ে দিতে ব্যর্থ হচ্ছেন কোম্পানিটি আর ডেথ ক্লেম নিয়ে নানান তালবাহানার অভিযোগ তো রয়েছে।শুধু তাই নয়,কোম্পানির বার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যমে সরমান লক্ষ লক্ষ টাকায় নিজের পকেট ভারি করেছে।প্রতি বছর কোম্পানির বার্ষিক সম্মেলন করা হয়েছে কক্সবাজারে।সেখানে ডেক্স ও উন্নয়ন কর্মীসহ প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ জন বীমা কর্মী-কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করতেন। তাদের জন্য হোটেল ভাড়া, হল রুম ভাড়া,খাবার খরচ পরিবহন ব্যবস্থা- সবগুলোর দায়িত্বে থাকতেন সরমান।এখানে ২০ লক্ষ খরচ হলে সরমান বিল করতেন ৩০ লক্ষ টাকা এমন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।এই সম্মানের বিরুদ্ধে সকল অনিয়ম, দূনীর্তি,সজন প্রীতি ও লুটপাটের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক শৃংঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগও রয়েছে।সরমান ও হারুন যমুনা লাইফের পরিচালকদের ম্যানেজ করে আইডিআরএ থেকে অপসারণকৃত ব্যাক্তি ড. বিশ্বজিৎ মন্ডল কে সিইও হিসেবে কোম্পানিতে এনেছিলেন তাদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য, গোপনে মন্ডলের সাথে চুক্তিও হয়েছিল ‘আর্থিক ভাবে পূর্নবাসন করার এবং সেই ধারাবাহিকতায় ২৫ সেপ্টেম্বর সরমান,হারুন ও জাহিদকে পদোন্নোতি দেন মন্ডল।একইসঙ্গে জানা যায় ৩০ হাজার টাকা বেতনের কর্মকর্তা থেকে মাত্র দেড় বছরে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বেতন বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন সরমান,অন্যদিকে অনেক কর্মকর্তা কর্মচারীগণ তাদের প্রাপ্য পদোন্নতি ও ইনক্রিমেন্ট বঞ্চিত হয়েছেন,এমনকি এই দুই কর্মকর্তাকে গাড়ি সুবিধাও দেয়া হয়েছে।সেখানে গড় গাড়ি বাবদ খরচ দেড় লাখ টাকা।যেখানে কোম্পানির লাইফ ফান্ড নেগেটিভ- সেখানে সরমান ও হারুন এতো টাকা কিভাবে খরচ করেন সেই প্রশ্ন সর্বমহলে।বর্তমানে কোম্পানির নাজুক অবস্থায় ডাবল পদোন্নতিও প্রশ্নবৃদ্ধ রয়ে যায়।কেউ প্রতিবাদ করলে কোম্পানি থেকে বহিষ্কার করার হুমকি দেয়া হয় যথারীতি।গত পাঁচ মাসে কর্মকর্তারা বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিবাদ করায় ৯ জনকে সাময়িক বরখাস্ত ও ৩ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে,সরমান- হারুন সিন্ডিকেটের অনেক কিছু জেনে যাওয়াই অনেক অভ্যন্তরী কর্মকর্তাকে এক মাসের নোটিশে অব্যাহতি দেয়ার নজিরও রয়েছে কোম্পানিটিতে।অনেকেই সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও কোম্পানীর প্রিমিয়ামের টাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইডিআরএকে যমুনা লাইফে প্রশাসক নিয়োগের দাবী পরামর্শ প্রদান করে আসছেন।এ বিষয়ে কথা বলতে মোজাম্মেল হক সরমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও সাড়া মেলেনি এবং ক্ষুদে বার্তা পাঠানোর পর কোন উত্তর আসেনি।এমনকি চেয়ারম্যানকে ফোন দেয়া হলেও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এই বিষয়ে আইডিআরএ পরিচালক (আইন) আব্দুল মজিদ বলেন,বীমা খাতে কোন অন্যায় মেনে নেয়া হবেনা।কোন ব্যক্তি বা কোম্পানির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ আউচ সংবাদ প্রতিদিন
Theme Customized By Shakil IT Park
error: Content is protected !!