
মফিজ উদ্দিন স্টাফ রিপোর্টার.
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদতে উপজেলা জামায়াতের চরঝাকালিয়া অফিস থেকে ৮৪ টি তিন ফুটি প্লাস্টিকের পাইপ সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়ার সময় আটক করে স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীরা।স্হানীয় নেতা সোহাগ ও মামুন জানান,জামায়েত নেতা ইসমাইল সিএনজি দিয়ে লাঠি শুটা চারঝালিয়া জামায়ের অফিসে নিয়ে আসে এবং উচ্চবাচ্চ কথা বলে। তাদের অভিযোগ নাশকতার উদ্দেশ্যে লাঠি শুটা এবং প্লাস্টিকের পাইপ গুলো জমায়েত করছিল জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা । স্থানীয় দুই পক্ষ উত্তেজিত হয়ে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়।এই পরিস্থিতিতে স্থানীয়রা বলেন দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। পরে কটিয়াদী থানায় বিষয়টি জানানো হলে তদন্ত কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ খানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম এসে মালামাল তাদের আয়ত্তে নেয়। এবং তিনি জানান,ম্যাজিস্ট্রেট এসে বিষয়টির সমাধান দিবেন। কিন্তু যথা সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত না হওয়ায় পুলিশ কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেনি। পরবর্তীতে কিশোরগঞ্জ জেলা শিবিরের সভাপতি হাসান আল মামুন এর নেতৃত্বে শিবির এবং জামায়াতের একদল নেতাকর্মী এসে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সাথে বাকবিতণ্ডায় জরায় উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার পর এক পর্যায়ে তারা পুলিশের কাছ থেকে আটককৃত মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা আরো জানায়,নির্বাচনের ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে জামাত-শিবিরের নেতাকর্মীরা পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা প্রদান করেছেন ও যথা সময় দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে উপস্থিত না হওয়ায় এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। তাদের দাবি উশৃংখল জামাত নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। উপজেলা জামায়াতের আমিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনাটি পরিকল্পিত ভাবে ঘটা নেতৃবৃন্দ জানান,এই পাইপগুলো দলীয় বিভিন্ন প্রোগামের শৃঙ্খলা রক্ষার্থে স্বেচ্ছাসেবকরা ব্যবহার করেন।কিন্তু স্থানীয়রা ভিন্ন কথা বলে, জামাতে নেতারা গন্ডগোল করার জন্য এ ধরনের প্রস্তুতি। শিবির নেতা সাংবাদিকদের কে হলুদ।সাংবাদিক তিরস্কার করেছি এবং পুলিশের উপর বারবার চড়াও হয়েছে।