
বিশেষ প্রতিনিধি
চৌদ্দগ্রাম হাই স্কুলে ব্যবস্থাপনা ও সম্পদ ব্যবহারে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে, সদ্য পলাতক সাবেক ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আমলে তৎকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য মুজিবুল হক মুজিবের প্রভাব খাটিয়ে মো. আরিফুর রহমানকে চৌদ্দগ্রাম হাই স্কুলের সভাপতি করা হয়। ওই সময়ে সভাপতি পদে থাকা অবস্থায় বিদ্যালয়ের স্বার্থবিরোধী একাধিক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে স্থানীয়দের একাংশ দাবি করছেন।
অভিযোগকারীদের ভাষ্যমতে,সভাপতি থাকা কালে বিদ্যালয়ের আঙিনায় থাকা মূল্যবান মেহগনি ও ইউক্যালিপটাসসহ একাধিক গাছ টেন্ডার ছাড়াই বিক্রি করা হয় এবং সেখান থেকে প্রাপ্ত অর্থের স্বচ্ছ হিসাব নেই। একই সঙ্গে স্কুলসংলগ্ন পুকুর অবৈধভাবে লিজ দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও তোলা হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি,তৎকালীন সংসদ সদস্যের ছত্রচ্ছায়ায় থাকায় দীর্ঘদিন এসব বিষয়ে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাননি। ফলে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রশ্নের মুখে পড়ে।
এ বিষয়ে জানতে মো. আরিফুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে রাজি হননি/যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি (প্রযোজ্যটি রাখুন)। অন্যদিকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একজন প্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “অভিযোগগুলো তদন্তসাপেক্ষ। সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।”
এদিকে এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের একটি অংশ স্বাধীন তদন্ত,সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ব্যবহারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
দায়িত্বশীল অনুস্মারক: সংবাদটি অভিযোগভিত্তিক। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও প্রমাণাদি যাচাই শেষে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।