
হাকীম মোঃরফিকুল ইসলাম
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সতাল থেকে পূর্ব তারাপাশা পর্যন্ত সড়ক এখন যেন গর্তের রাজ্য। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের কোনো উদ্যোগ না থাকায় সড়কটির অবস্থা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত,খানাখন্দ আর জলাবদ্ধতায় প্রতিদিনই চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী।
বিশেষ করে আলী হোসেনের দোকান থেকে শুরু করে পূর্ব তারাপাশার আলী ভরা মোড় পর্যন্ত অংশটুকু সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক। সামান্য বৃষ্টিতেই বড় বড় গর্তে পানি জমে পথচারীদের চলাচল হয়ে পড়ে দুঃসাধ্য। অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হয়। শিক্ষার্থী ও বয়স্কদের জন্য এই রাস্তাটি রীতিমতো আতঙ্কের নাম।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. সেলিম মিয়া বলেন,“বর্ষায় পানি আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলায় আমাদের জীবন অতিষ্ঠ। অনেক বছর ধরে রাস্তাটির কোনো সংস্কার হয়নি। এভাবে আর কতদিন?”
সড়কটিতে নেই কোনো কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা। ফলে বৃষ্টি হলেই তৈরি হয় জলাবদ্ধতা। আবার শুকনো সময়ে উড়তে থাকা ধুলোর কারণে এলার্জি, শ্বাসকষ্টসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন স্থানীয়রা। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছে শিক্ষার্থীরা— বিদ্যালয়ে যেতে গিয়ে প্রতিদিনই পড়তে হচ্ছে বিড়ম্বনায়।
এমন অবস্থায় বহু চালক বিকল্প পথে যেতে বাধ্য হচ্ছেন, যদিও তা সময় ও ব্যয়— দুটোই বাড়িয়ে দিচ্ছে।এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন,“আগামী সেপ্টেম্বর মাসে সড়কের কার্পেটিং কাজ শুরু হবে। এর আগেই জরুরি ভিত্তিতে বড় গর্তগুলো ভরাট করার প্রক্রিয়া হাতে নেওয়া হয়েছে।”তবে এলাকাবাসীর আস্থা এখন আর কথার আশ্বাসে নেই।তাদের প্রশ্ন— “কবে মিলবে স্থায়ী সমাধান? প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটছে,আর কতদিন অপেক্ষা?”তাদের দাবি,অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে সড়কটি মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করে তুলতে হবে,যাতে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটে।