
ভোরের স্বর্ণ কোমল রোদে কুয়াশা ভেজা সবুজ ঘাসে
পাদুকা ছাড়া হাঁটছিলাম মনের আনন্দে পাদুটাভিজিয়ে অন্য মনে
হঠাৎ কেমন যেনো একটা শব্দ কান দুটো ভারি করে
দিল মূহুর্তে
বৃষ্টি নেমে আসলো স্বপ্নের মতো অঝোরে, আমি হাঁটছি শরীর ভিজিয়ে
আজ ইচ্ছে করেই এমনটা করছি মনের যতো সব রাগ অভিমান দিবো ভাসিয়ে
বৃষ্টির ছোঁয়ায় মাটির গন্ধে মনটা আরো উতলা হয়ে
গেলো নিমিষে
বকূল তলায় গিয়ে কিছু বকুল নিলাম কুলিয়ে প্রিয়
মানুষটার জন্যে।
আজ বিকেলের ঠিক কিছুক্ষণ পর আলো নিবু নিবু
অবস্থায় সে আসবে
দিন তো শেষ হতে অনেক বাকি, হঠাৎ বোধ করলাম শরীরের কাঁপুনি
হাতে কপালে হাত দিতেই অনুভব করলাম জ্বর আসছে নিয়মে
আমি হার মানতে রাজি নয়,চাদর গায়ে জড়িয়ে গেলাম
দেখা করতে
সে আসলো বসলো ঠিক আমার উল্টো দিকে অদ্ভূত ভাবে দেখছে আমাকে
আমি নীরবতা পালন করে তাকিয়ে আছি তার দিকে তার মতোই করে।
হঠাৎ কেন জানি হেসে উঠলাম দুজনে একসাথে পাশের সবাই তাকিয়ে আছে ।
কি আজব,তুমি এতো গরমে চাদর মুরিয়ে বসে আছো কি করে এখানে?
আমি বসে কাঁপছিলাম ,সে আমার হাত ধরেই বুঝে গেলো
আমি ঠিক নেই।
পকেট থেকে বের করে দিলাম কুরানো বকুল গুলো তার হাতে।
তুমি না একটা পাগল,এমন অবস্থায় কেউ কি কোন দিন বের হয় ?
আমি আস্তে আস্তে মাথাটা নীচু করে বলে উঠলাম হ্যা বের হতে হয় তোমার জন্যে।
সে আমার দিকে তাকিয়ে পাগলের মতো জড়িয়ে ধরলো মুহূর্তে।