
কটিয়াদী প্রতিনিধি:
নৃশংস হত্যাকান্ডের বছর পার হলেও গ্রেপ্তার হয়নি মূল আসামী,হয়নি মামলার চার্জশিট এমনকি আসামীরা প্রকাশ্যে করছে ঘুরাফেরা,ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের দেওয়া হচ্ছে প্রাণনাশের হুমকি।এমনি কিছু গুরুতর অভিযোগ উঠেছে চাঞ্চল্যকর এক হত্যাকান্ডের ঘটনায়।আর এই অভিযোগগুলো করছে স্বয়ং অসহায় ভুক্তভোগী পরিবার।গত বছরের জুলাই মাসে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পৌরসভার হালুয়াপাড়া এলাকায় নৃশংসভাবে হত্যাকান্ডের শিকার হয় মারিয়া আক্তার স্মৃতি নামে এক নারী।পরিবারের অভিযোগ,নৃশংসভাবে হত্যা করে রাতের আধারে ফসলি জমিতে ফেলা রাখা হয় লাশ। চালানো হয় অমানবিক নির্যাতন।আলোচিত স্মৃতি হত্যাকান্ডে পুরো জেলা জুড়ে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হলেও এক বছরেও রহস্যজনক কারনে শেষ হচ্ছে না তদন্ত।দুজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হলেও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। অসহায় পিতা মো. মানিক মিয়া এখনো ভুলতে পারছেন না নিজের মেয়ের নৃশংস হত্যাকান্ডের সেই দৃশ্যগুলো।২৬ জুলাই শনিবার বিকেলে কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আয়োজন করেন এক সংবাদ সম্মেলন।উপস্থিত সংবাদকর্মীদের কাছে তুলে ধরেন বিচার না পাওয়া ও আসামীদের ভয়ে আতঙ্কে থাকার বিষয়গুলো।পরিবারের অভিযোগ,নিহত মারিয়া আক্তার স্মৃতি ছিলেন বিবাহিত। স্বামী প্রবাসে থাকায় বাবার বাড়িতেই বেশিরভাগ সময় থাকতেন এই স্মৃতি।বিবাহিত জানার পরেও বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলো স্থানীয় এক যুবক মারিয়া আক্তার স্মৃতিকে। প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করাটাই জীবনের কাল হলো এই নারীর। হতে হলো নৃশংসভাবে খুন।
কৌশলে ঘর থেকে বের করে নিয়ে শরীরের উপর চালানো হয় পৃথিবীর নিকৃষ্টতম নির্যাতন।অসহায় পরিবারের দাবি,স্মৃতি হত্যাকান্ডের বিচার চাইতে গিয়ে তারা পড়েছেন চরম বিপদে। আসামীরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য ও পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিচ্ছে নানাভাবে।এমনকি মেয়ের মতো তাদেরকেও হত্যা করার হুমকি দিচ্ছে।পরিবারের অভিযোগ,আইনশৃঙ্খলাবাহিনী নিচ্ছেনা কোনো ব্যবস্থা।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্ঠা ও প্রধান উপদেষ্ঠার কাছে চেয়েছেন ন্যায় বিচার।