
নিকলী প্রতিনিধি(কিশোরগঞ্জ)
কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়ন পরিষদে দুই উদ্যোক্তাকে একমাস যাবৎ বেকার রেখে জন্ম,মৃত্যু সনদের সকল কাজ করছেন ইউপি সচিব আঃ মান্নান।যে কারনে সাধারণ সেবা গ্রহীতারা দিনের পর দিন অপেক্ষা করে বিভিন্ন সনদ নিতে হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে।দুই উদ্যোক্তাকে তাদের কাজের বাইরে রাখায় সনদ প্রাপ্তিতে বেড়েই চলছে জন ভোগান্তি।সরেজমিনে গেলে, উদ্যোক্তা তানিয়া আক্তার ও নাঈম অভিযোগ করে জানান,তারা দীর্ঘ দিন ধরে কারপাশা ইউনিয়ন পরিষদে কাজ করে আসছেন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে।কাজ করার পূর্ব শর্ত হিসেবে তারা যাথারীতি আবেদন পত্র উপজেলা প্রশাসনে দিয়ে সুনামের সহিত কাজ করছিলেন।সর্বশেষ গত জানুয়ারী মাসের এগারো তারিখে কাজ করতে গেলে উদ্যোক্তা তানিয়াকে কাজ করতে নিষেধ করেন সচিব আঃ মান্নান।তানিয়া নিষেধের কারন জানতে চাইলে উপজেলায় যোগাযোগ করতে বলেন সচিব এবং উদ্যোক্তাদের ওটিপি দেওয়া বন্ধ রাখেন সচিব আঃ মান্নান ও প্রশাসক উপজেলা আইসিটি অফিসার এফ,এম নূরুজ্জামান। একসপ্তাহ পর তাদেরকে কাজ করতে আসিটি অফিসার ওটিপি সরবরাহ শরু করেন।কিছুদিন কাজ করার পর আবারো উদ্যোক্তাদের কাজ বন্ধ করে দেন সচিব ও প্রশাসক নুরুজ্জামান আবারো কাজ বন্ধের কারন কানতে চাইলে,নিয়োগ সংক্রান্ত জটিলতা আছে তাই আবারো সকলেই আবেদন করতে হবে এবং জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন কর্মকর্তাদের নাম প্রকাশ করেন তারাই বিষয়টি নিস্পত্তি করবেন বলে তাল বাহানা করতে থাকেন প্রশাসক নুরুজ্জামান।উপজেলা প্রশাসনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও উদ্যোক্তদের কাজ বন্ধের কারন জানতে পারেননি তারা।এরই মধ্যে,চুক্তি সাবক নারী উদ্যোক্তা ভঙ্গ করে ২০২৩ সালের শেষে ডিজিটাল সেন্টারের সেবা গ্রহীতাদের গুরুত্বপূর্ণ কাগজ ও অর্থ আত্নসাৎ করে সহকর্মী শরিফুলে সাথে দ্বিতীয় বিয়েতে আবদ্ধ হয়ে বিদেশে পারি জমান,দীর্ঘ দিন পর প্রবাস ফেরৎ হয়ে সচিব প্রশাসক ও প্যানেল চেয়ারম্যান এর যোগ সজসে ঐ উদ্যোক্তাসহ আরো তিন জনের আবেদন নিয়েছেন প্রশাসক নুরুজ্জামান যা উপজেলা প্রশাসনে এখনো জমা হয়নি।এসুযোগে ইউপি সচিব অতিরিক্ত টাকা কামাতে দিবারাত্রী একাই কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।এ বিষয় জানতে চাইলে,কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খাঁন জানান,উদ্যোক্তদের নিয়োগ ও সুযোগ সুবিধা স্থানীয় চেয়ারম্যান এবং ইউএনও দেখেন,তাতে তার কোন হস্তক্ষেপ নাই বলে তিনি জানিয়েছেন।