
শেখ মামুনুর রশীদ মামুনঃ
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের গন্ডাবেড় গ্রাম একটি প্রত্যন্ত অবহেলিত অঞ্চল।এই গ্রামে অসংখ্য শিশু শিক্ষার্থী,বৃদ্ধ,গর্ভবতী মা,সহ একমাত্র কৃষি নির্ভর এই গন্ডাবেড় গ্রামের সকল রাস্তা ঘাট বিগত বন্যার পানিতে ভেঙে যায়।ফলে মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাপন চলাচলের সমস্যা ছিল চরমে।তাই এই সামাজিক জনদূর্ভোগ রোধের লক্ষ্যে যুবদলের একনিষ্ঠ কর্মী লিটন খানের নিজ উদ্যোগে ও সামাজিক সহযোগিতায় রাস্তার বড় বড় গর্ত গুলো প্রায় ২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে মাটি ভরাট করে এই অবহেলিত রাস্তার মেরামত কাজ সম্পন্ন করেন তিনি।স্হানীয়রা জানান,শুধু তাই নয়,বিগত সময়ে বন্যার পানি শুধু আমাদের রাস্তাঘাট ভাঙ্গেনি,কৃষি জমির ফসল, পুকুরের মাছ,গরু,ছাগল,হাস মুরগী সহ সকল কিছু ধ্বংশ করে দিয়ে গেছে।নিঃস্ব হয়ে গিয়েছিলাম আমরা।আর সেই দুঃসময়ে আমাদের সুখে দুঃখে লিটন খানকে পাশে পেয়েছি।তিনি দলীয় ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে আমাদেরকে ত্রাণ সামগ্রী উপহার দিয়েছেন।নৌকা দিয়ে মানুষের বাড়ী ঘরে গিয়ে গিয়ে শুকনো খাবার পৌঁছে দিয়েছেন লিটন খান।জানা গেছে,গরীব অসহায় মানুষের বিপদে আপদে পাশে পাওয়া লিটন খানের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্হানীয় এলাকা বাসী।তাই আগামী দিনে স্হানীয় এলাকার ৯ নং ওয়ার্ডের যুবদলের সভাপতি পদে লিটন খান কে দেখতে চায় স্হানীয় কর্মী সমর্থকরা।দলীয় কর্মীরা মনে করেন,লিটন খান একজন পরীক্ষীত সৎ,যোগ্য,দক্ষ,তরুণ, কর্মট,জন বান্ধব নেতা।তাকে সভাপতির দায়িত্ব দিলে দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে বলে মনে করেন তারা।তবে এ বিষয়ে লিটন খান বলেন,আমি সেবার ব্রত নিয়ে স্হানীয় এলাকার মানুষের জন্য দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে আসছি। গরিব অসহায় মানুষের দুঃখ কষ্ট আমি সহ্য করতে পারিনা।তাই নিজের সাধ্যমত তাদের বিপদে আপদে ঝাপিয়ে পড়ি।দলীয় পদাধিকার বলে দায়িত্ব পেলে,আরো ভালো করে কাজ করতে পারব বলে আমি বিশ্বাস করি।