1. admin@auchsangbad.com : admin :
যে কুকুরের কথা পবিত্র কোরআনে ৪ বার এসেছে। - আউচ সংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কটিয়াদীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মহরম আলী ওরফে মঞ্জুর আলীর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক আসামিকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ ভৈরব থানার ওসির বিরুদ্ধে! পাকুন্দিয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে মুক্তিযোদ্ধার উপর হামলা ও বাড়ি ঘর ভাংচুর চৌদ্দগ্রামে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক সেমিনার ও সততা ষ্টোর উদ্বোধন সর্বজনীন পেনশন ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আরসিসি সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন শিক্ষক বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহে আলোচনা সভা ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ প্রতিপাদ্যে নানা কর্মসূচি জাপানের কিয়োটোতে 46th SICOT Congress-এ যোগদান শেষে দেশের উদ্দেশ্যে টোকিও ত্যাগ করলেন ডা. এম কামরুজ্জামান মানিক বিএনডিএসের ১ম কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ ঘোষণা সভাপতি মোঃ শরীফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাহনূর কিবরিয়া সুজন হোসেনপুরে বিএমইউজে-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে ১০ লাখ টাকা জরিমানা আইসিটি বিভাগে নিয়োগের নামে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার কোটি টাকা : ‘প্রমোট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’-এর পকেটে হাজার কোটি টাকা মঙ্গলবাড়িয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপারন্টেনডেন্ট গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে ‘প্রমোট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ নামের একটি বিতর্কিত সংস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের প্রায় কোট টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তথ্য গোপন করে ঘুষ দিয়ে চাকরি, চাকুরী হওয়ার পর স্বামীকে তালাক ইন্স্যুরেন্সে ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইডিএবি) ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা গাজীপুর জেলা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনকল্যাণে ব্যাপক উন্নয়ন: আচমিতা ইউপি চেয়ারম্যান মতিউর রহমান ১ লাখ ৯ হাজার টাকায় ওমরাহ: ৩৬ যাত্রী নিয়ে সৌদি আরবের পথে লাব্বাইক হজ্জ্ব সার্ভিসেস ১৪ দিনের প্যাকেজে ভিসা, আপ-ডাউন টিকিট, হোটেল, তিন বেলা খাবার ও পরিবহন সুবিধার দাবি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাঈদ আহমেদ আসলামকে বিআইএফের ফুলেল শুভেচ্ছা নিকলীতে শিক্ষিকাকে মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ নাঈমের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ লিগ্যাল এইডে এক বছরে ৪১৩৫ বিরোধ নিষ্পত্তি সাইফুল ইসলামের মধ্যস্থতায় মীমাংসা ১,৪৯৬ বিরোধ, আদায় ৮ কোটি ১৮ লাখ টাকা বীমা খাতের সংস্কার ও গ্রাহক আস্থা পুনর্গঠনে গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা আইডিআরএ চেয়ারম্যানের ধান সংগ্রহে অনিয়ম: বিরিশিরি এলএসডির কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ঈশ্বরগঞ্জে অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের প্রথম মামলা, গ্রেফতার

যে কুকুরের কথা পবিত্র কোরআনে ৪ বার এসেছে।

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৩৫ বার পঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
পবিত্র কোরআনের সুরা কাহফে আল্লাহ তাআলা বেশ কয়েকটি বিস্ময়কর ঘটনার কথা বলেছেন।এর মধ্যে একটি আসহাবে কাহফের ঘটনা।এই ঘটনার নামেই মূলত সুরাটির নাম রাখা হয়।ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি কুকুরের বীরোচিত ভূমিকার কথাও পবিত্র কোরআনে আলোচিত হয়েছে।কুকুর পোষার ব্যাপারে ইসলামের বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও পবিত্র কোরআনে কেন কুকুরটিকে এত গুরুত্ব দেওয়া হলো,কুকুরটি কি আসলেই জান্নাতে যাবে এবং এই কুকুরের ঘটনা থেকে আমাদের জন্য কী শেখার আছে-এসব জিজ্ঞাসা নিয়েই আজ আমি হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর এই লেখা।
আসহাবে কাহফ কারা
আরবি ‘আসহাবুল কাহফ’ শব্দের অর্থ গুহাবাসী। পবিত্র কোরআনে এমন একদল যুবককে আসহাবুল কাহফ বলা হয়েছে, যাঁরা একজন খোদাদ্রোহী অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে বাঁচতে এবং নির্বিঘ্নে আল্লাহর ইবাদত করতে পাহাড়ের গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। আল্লাহ তাঁদের বিশেষ ব্যবস্থায় সুরক্ষা দেন এবং ৩০০ বছর পর্যন্ত তাঁদের ঘুমন্ত অবস্থায় রাখেন। এরপর তাঁদের ফের জাগিয়ে দেন এবং সেকালের মানুষের জন্য এক বিস্ময়কর ঘটনা ও নিদর্শন বানান।
সুরা কাহফের ১৪টি আয়াতে আসহাবে কাহফের আলোচনা এসেছে। সেই আলোচনায় যুবকদের সংখ্যা এবং তাঁরা কত দিন সেই গুহায় ঘুমিয়ে ছিলেন তা এসেছে। তবে ঘটনাটি কখন ঘটেছিল এবং কোথায় ঘটেছিল—এ ব্যাপারে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। যুবকদের সংখ্যা সম্পর্কে মহানবী (সা.)-এর যুগের মানুষের তিনটি মতের কথা বলা হয়েছে—তিনজন, পাঁচজন ও সাতজন। এরপর বলা হয়েছে, আসল সংখ্যা আল্লাহই ভালো জানেন।
এ ঘটনা কখন হয়েছিল, তা নিয়েও ব্যাপক মতভেদ রয়েছে। কোনো কোনো আলেম বলেছেন, ইসা (আ.)-এর জন্মের আগেই পুরো ঘটনাটি ঘটেছিল। কেউ বলেছেন, গুহায় আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা ইসা (আ.)-এর জন্মের আগের হলেও ফের জেগে ওঠার ঘটনা তাঁর জন্মের পর। কেউ কেউ পুরো ঘটনাই ইসা (আ.)-এর জন্মের পর বলে মত দিয়েছেন। কেউ বলেছেন, মহানবী (সা.)-এর জন্মের মাত্র কুড়ি বছর আগেই তাঁরা জেগে উঠেছিলেন। তবে দাকয়ানুস নামের অত্যাচারী রোমান সম্রাটের আমলেই এ ঘটনার সূচনা বলে সকলে মনে করেন।
ঘটনাটি কোথায় ঘটেছিল, তা নিয়ে দুটি মত রয়েছে। বেশির ভাগ মুফাসসির বলেছেন, ঘটনা জর্ডানের প্রাচীন নগরী পেত্রায় ঘটেছিল। কেউ বলেছেন, তুরস্কের ইজমিরে।কুকুরটি সম্পর্কে কোরআনে যা বলা হয়েছে
আসহাবে কাহফের ঘটনায় কুকুরটির কথা মোট চারবার এসেছে। যেমন, এক আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তুমি মনে করবে—তারা সজাগ, অথচ তারা ছিল ঘুমন্ত, আমি তাদের ডানে-বামে পার্শ্ব পরিবর্তন করাতাম। আর তাদের কুকুরটি গুহার দরজার সামনে তার সামনের পা দুটি প্রসারিত করে ছিল। তুমি যদি তাদের দেখতে, তাহলে অবশ্যই পেছন ফিরে পালিয়ে যেতে, আর অবশ্যই আতঙ্কিত হয়ে পড়তে।’ (সুরা কাহফ: ১৮)
এ আয়াতে আসহাবে কাহফের ঘটনায় কুকুরটির মূল ভূমিকার কথা উঠে এসেছে। মহান আল্লাহ গুহামুখের যে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করেছিলেন, তাতে কুকুরের পা ছড়িয়ে বসে থাকা ছিল অন্যতম। এ কারণেই কোনো কোনো মুফাসসির জন্তুটিকে কুকুর না বলে বাঘ আখ্যা দিয়েছেন। কারণ, কোরআনে উল্লিখিত আরবি ‘কালব’ শব্দটি বাঘ অর্থেও ব্যবহৃত হয়। তবে অধিকাংশ মুফাসসির বলেছেন, সেটি কুকুরই ছিল; বাঘ ছিল না।
এরপর আসহাবে কাহফের সংখ্যার আলোচনায় আরও তিনবার কুকুরটির কথা এসেছে। যেমন, আল্লাহ তাআলা বলেছেন, কিছু লোক বলবে, তারা ছিল তিনজন, চতুর্থটি ছিল তাদের কুকুর। আর কিছু লোক বলবে, তারা ছিল পাঁচজন, ষষ্ঠটি ছিল তাদের কুকুর, অজানা বিষয়ে সন্দেহপূর্ণ অনুমানের ভিত্তিতে। আবার কিছু লোক বলবে, তারা ছিল সাতজন, আর অষ্টমটি ছিল তাদের কুকুর। বলো, তাদের সংখ্যা সম্পর্কে আমার প্রতিপালকই বেশি জানেন। অল্প কয়জন ছাড়া তাদের সংখ্যা সম্পর্কে কেউ জানে না। কাজেই সাধারণ কথাবার্তা ছাড়া তাদের ব্যাপার নিয়ে বিতর্ক করো না, আর তাদের সম্পর্কে কারও কাছে কিছু জিজ্ঞেসও করো না। (সুরা কাহফ: ২২)
এ আয়াত থেকে বোঝা যায়, দলের সদস্য যত জনই হোন, কুকুরটি যে ছিল, তাতে কারও দ্বিমত নেই।কুকুরটি সম্পর্কে মুফাসসিরগণ যা বলেছেন কুকুরটির গায়ের রং ও নাম সম্পর্কে তাফসিরে বিভিন্ন বক্তব্য এসেছে। মুতাকিল বলেছেন, কুকুরটি ছিল হলুদ রঙের। কুরতুবি বলেছেন, হলুদে লালের মিশেল ছিল। কেউ কেউ বলেছেন, পাথরের রঙের ছিল। অধিকাংশ মুফাসসির কুকুরটির নাম ‘কিতমির’ বলেছেন। আলি (রা.) বলেছেন ‘রাইয়ান’। এ ছাড়া ‘তাকুর’, ‘সাহবা’, ‘কাতমুর’ ইত্যাদি নামও এসেছে।
কুকুরটি কীভাবে আসহাবে কাহফের সঙ্গে যুক্ত হলো এ বিষয়ে মুফাসসিরগণ বলেন, কুকুরটির মালিক ছিলেন একজন সাধারণ কৃষক। কেউ কেউ বলেছেন, সেকালের রাজার বাবুর্চি।
কৃষক হোন বা বাবুর্চি—আসহাবে কাহফের সদস্যরা যখন পালিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনিও তাদের সঙ্গে রওনা হন। কারণ তিনিও সত্য ধর্মের অনুসারী ছিলেন। ফলে কুকুরটিও তাঁদের পিছু নেয়। কোনো কোনো তাফসিরে কুকুরটির মানুষের মতো কথোপকথনের আলাপও এসেছে। যাই হোক, কুকুরটি যে আল্লাহর বিশেষ রহমত হিসেবে তাঁদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
কুকুরটি কি আসলেই জান্নাতে যাবে
তাফসিরে আবুস সউদ, তাফসিরে মাজহারি, তাফসিরে রুহুল মাআনিসহ বেশ কিছু তাফসির গ্রন্থে প্রখ্যাত তাবেয়ি খালেদ ইবনে মাদান (রহ.)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে আসহাবে কাহফের কুকুর জান্নাতে যাবে বলা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘আসহাবে কাহফের কুকুর ও বালআম বাউরের গাধা ছাড়া কোনো চতুষ্পদ জন্তু জান্নাতে যাবে না।’
আসহাবে কাহফের কুকুরটি যে সম্মানিত, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এই কুকুরের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন।তাহলে কি কুকুর পোষা জায়েজ আসহাবে কাহফের কুকুরকে মর্যাদা দেওয়া হলেও ইসলামে শখের বশে কুকুর পোষা বৈধ নয়। কারণ ইসলামে শখ করে কুকুর পালন করা নিষেধ। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ঘরে কুকুর আছে, সে ঘরে রহমতের ফেরেশতারা প্রবেশ করেন না।’ (বুখারি) তবে শিকার করা, ফসলের সুরক্ষা, পশুপাখির নিরাপত্তা, ঘরবাড়ি, দোকান ও অফিস পাহারা দেওয়া এবং অপরাধী চিহ্নিত করার জন্য কুকুর পোষা বৈধ। (মুসলিম, তিরমিজি, ফতোয়ায়ে আলমগিরি: ৪ / ২৪২)
মুফাসসিরগণ বলেন, আসহাবে কাহফের কুকুরকে মর্যাদাবান সাব্যস্ত করতে ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো সমস্যা নেই। কারণ সেটি ছিল কৃষক বা বাবুর্চির সম্পদ সুরক্ষার জন্য পোষা কুকুর, যা ইসলামের দৃষ্টিতে অবৈধ নয়। কেউ কেউ বলেছেন, কুকুরটি আসহাবে কাহফের সম্পদ সুরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত ছিল। ফলে তা শখের বশে পালিত কুকুর নয়। কোনো কোনো মুফাসসির বলেছেন, শখের বশে পালিত হলেও সমস্যা নেই। কারণ, তা ইসলামপূর্ব যুগের। তখন কুকুর পোষার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপিত হয়নি।
আসহাবে কাহফের কুকুর থেকে যা শেখার আছে
কুকুর হয়েও পবিত্র কোরআনে সম্মানজনক আলোচনায় আসা নিঃসন্দেহে গৌরবের। তাই এ ঘটনা থেকে আমাদের শেখার বিষয় হলো—সৎসঙ্গে স্বর্গে বাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। অর্থাৎ, ভালো মানুষের সঙ্গে চললে ভালো হওয়া যায়। খারাপ মানুষের সঙ্গে চললে অপরাধে জড়াতে হয়। আল্লাহর খাস বান্দাদের সান্নিধ্য নিলে তাঁদের মতো হওয়ার সুযোগ মেলে এবং পাপীদের দলে ভিড়লে অপরাধের গহ্বরে হারিয়ে যেতে হয়। তাই আমাদের উচিত, মুত্তাকিদের দলে নিজেদের নাম লেখানো, তাঁদের সান্নিধ্যে সময় কাটানো এবং তাঁদের দেখানো পথে জীবন পরিচালিত করা।
বিখ্যাত তাবেয়ি ইবনে আতিয়া বলেছেন, ‘নেককার মানুষকে যারা পছন্দ করে, তারা তাদের কল্যাণ লাভ করে। একটি কুকুর নেককার বান্দাদের ভালোবাসলো এবং তাঁদের সঙ্গ দিল, আল্লাহ তাআলা তাঁর নামও পবিত্র কোরআনে উল্লেখ করে দিলেন।’ তাই মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যাকে ভালোবাসবে, তার সঙ্গেই তোমার হাশর হবে।’ (বুখারি ও মুসলিম)
লেখক: বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, সাবেক ইমাম ও খতিব কদমতলী মাজার জামে মসজিদ সিলেট।
সংবাদটি শেয়ার করুন :
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ আউচ সংবাদ প্রতিদিন
Theme Customized By Shakil IT Park
error: Content is protected !!