1. admin@auchsangbad.com : admin :
পবিত্র কুরআন শরীফ এবং আল্লাহর নির্দেশ আর কতকাল অস্বীকার করবেন। - আউচ সংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কটিয়াদীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মহরম আলী ওরফে মঞ্জুর আলীর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক আসামিকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ ভৈরব থানার ওসির বিরুদ্ধে! পাকুন্দিয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে মুক্তিযোদ্ধার উপর হামলা ও বাড়ি ঘর ভাংচুর চৌদ্দগ্রামে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক সেমিনার ও সততা ষ্টোর উদ্বোধন সর্বজনীন পেনশন ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আরসিসি সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন শিক্ষক বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহে আলোচনা সভা ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ প্রতিপাদ্যে নানা কর্মসূচি জাপানের কিয়োটোতে 46th SICOT Congress-এ যোগদান শেষে দেশের উদ্দেশ্যে টোকিও ত্যাগ করলেন ডা. এম কামরুজ্জামান মানিক বিএনডিএসের ১ম কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ ঘোষণা সভাপতি মোঃ শরীফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাহনূর কিবরিয়া সুজন হোসেনপুরে বিএমইউজে-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে ১০ লাখ টাকা জরিমানা আইসিটি বিভাগে নিয়োগের নামে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার কোটি টাকা : ‘প্রমোট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’-এর পকেটে হাজার কোটি টাকা মঙ্গলবাড়িয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপারন্টেনডেন্ট গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে ‘প্রমোট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ নামের একটি বিতর্কিত সংস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের প্রায় কোট টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তথ্য গোপন করে ঘুষ দিয়ে চাকরি, চাকুরী হওয়ার পর স্বামীকে তালাক ইন্স্যুরেন্সে ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইডিএবি) ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা গাজীপুর জেলা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনকল্যাণে ব্যাপক উন্নয়ন: আচমিতা ইউপি চেয়ারম্যান মতিউর রহমান ১ লাখ ৯ হাজার টাকায় ওমরাহ: ৩৬ যাত্রী নিয়ে সৌদি আরবের পথে লাব্বাইক হজ্জ্ব সার্ভিসেস ১৪ দিনের প্যাকেজে ভিসা, আপ-ডাউন টিকিট, হোটেল, তিন বেলা খাবার ও পরিবহন সুবিধার দাবি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাঈদ আহমেদ আসলামকে বিআইএফের ফুলেল শুভেচ্ছা নিকলীতে শিক্ষিকাকে মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ নাঈমের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ লিগ্যাল এইডে এক বছরে ৪১৩৫ বিরোধ নিষ্পত্তি সাইফুল ইসলামের মধ্যস্থতায় মীমাংসা ১,৪৯৬ বিরোধ, আদায় ৮ কোটি ১৮ লাখ টাকা বীমা খাতের সংস্কার ও গ্রাহক আস্থা পুনর্গঠনে গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা আইডিআরএ চেয়ারম্যানের ধান সংগ্রহে অনিয়ম: বিরিশিরি এলএসডির কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ঈশ্বরগঞ্জে অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের প্রথম মামলা, গ্রেফতার

পবিত্র কুরআন শরীফ এবং আল্লাহর নির্দেশ আর কতকাল অস্বীকার করবেন।

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪
  • ২০৪ বার পঠিত

আশেকে রাসূল মোজাম্মেল হোসাইন ।

সূরা আল কাহফ (الكهف), আয়াত নং ১৭

وَمَنۡ یُّضۡلِلۡ فَلَنۡ تَجِدَ لَہٗ وَلِیًّا مُّرۡشِدًا ٪

উচ্চারণঃ ওয়া মাই ইউদলিল ফালান তাজিদা লাহূত্তয়ালিইইয়াম মুরশিদা-।

অর্থঃ আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, আপনি কখনও তার জন্যে মোর্শেদ অর্থাৎ পথপ্রদর্শনকারী ও সাহায্যকারী পাবেন না।

সূরা আল আরাফ (الأعراف), আয়াত নং ৩০

فَرِیۡقًا ہَدٰی وَفَرِیۡقًا حَقَّ عَلَیۡہِمُ الضَّلٰلَۃُ ؕ اِنَّہُمُ اتَّخَذُوا الشَّیٰطِیۡنَ اَوۡلِیَآءَ مِنۡ دُوۡنِ اللّٰہِ وَیَحۡسَبُوۡنَ اَنَّہُمۡ مُّہۡتَدُوۡنَ

উচ্চারণঃ ফারীকান হাদা-ওয়া ফারীকান হাক্কা ‘আলাইহিমুদ্দালা-লাতু ইন্নাহুমুততাখাযুশশায়া-তীনা আওলিয়াআ মিন দূ নিল্লা-হি ওয়া ইয়াহছাবূনা আন্নাহুম মুহতাদূ ন।

অর্থঃ একদলকে পথ প্রদর্শন করেছেন এবং একদলের জন্যে পথভ্রষ্টতা অবধারিত হয়ে গেছে। তারা আল্লাহকে ছেড়ে শয়তানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করেছে এবং ধারণা করে যে, তারা সৎপথে রয়েছে।

পবিত্র কুরআন শরীফ আরবী ভাষায় নাজিল হয়েছে বিধায় পীর শব্দটি আসেনি। কারণ পীর ফারসি শব্দ। যেমনটি নামাজ ও রোজার কথা পবিত্র কুরআন শরীফে কোথাও খুঁজে পাবেন না কিন্তু কোরআনে সালাত এবং সওম কথাটি উল্লেখ রয়েছে। ঠিক তেমনিভাবে পীরের বদলে রয়েছে, মোর্শেদ, ওলি, ওসিলা, সাদেকীন ইত্যাদি শব্দ। মোর্শেদ আরবী শব্দ পীর ফারসি শব্দ এবং বাংলায় হলো পথপ্রদর্শক। যিনি আল্লাহর মনেনীত হয়ে পথভোলা মানুষকে হেদায়েতের পথ দেখান তিনিই হলেন নবী-রাসূল,পীর, মোর্শেদ, পথপ্রদর্শক এবং অলী আল্লাহ। নামের ভিন্নতা হলেও বস্তু কিন্তু একই। পবিত্র কুরআন শরীফে আল্লাহ কাদেরকে মোর্শেদ বলে অভিহীত করছেন এবং যুগে যুগে কারা সেই পথপ্রদর্শক বা মোর্শেদ। নবুয়াতের যুগে প্রত্যেক নবী-রাসূলগণই হলো সেই যুগের মানুষের জন্য আল্লাহর মনোনীত পথপ্রদর্শক। আর নবুয়াত শেষে বেলায়াতের যুগে আল্লাহর মনোনীত প্রত্যেক অলী আল্লাহগণই হলো সেই যুগের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক। তবে যুগে যুগে আল্লাহর মনোনীত সকল নবী-রাসূল এবং অলী আল্লাহগণের ভক্তদের সংখ্যা ছিলো খুবই নগন্য। বরং এঁদের বিরোধিতাকারীদের সংখ্যা ছিলো সবচেয়ে বেশি। এই জন্য আল্লাহর মনোনীত সকল নবী-রাসূল এবং অলী আল্লাহগণ সমকালীন যুগের মানুষের নিকট থেকে ভন্ড, কাফের, নাস্তিক ইত্যাদি উপাধি পেয়ে থাকেন। এই বিপদগামী দলরা অসংখ্য নবী-রাসূল এবং অলী আল্লাহদের শুধু বিরোধিতা করেনি বরং তাঁদেরকে অকথ্য নির্মম অত্যাচার এবং হত্যা করছে। যতদিন পর্যন্ত আল্লাহর হেদায়েত জগতের বুকে চালু থাকবে, ততদিন পর্যন্ত আল্লাহর মনোনীত মহামানব অর্থাৎ পথপ্রদর্শক আসতে থাকবে। এই ধারা সবসময় চলমান ছিলো এবং থাকবে। যখনই আল্লাহর মনোনীত মহামানব পথপ্রদর্শককারী থাকবে না, তখনই আল্লাহর তরফ থেকে সাথে সাথে হেদায়েত বন্ধ হয়ে যাবে।

আল্লাহ পবিত্র কুরআন শরীফে সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করছেন, আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করছেন তার ভাগ্যে কখনো পথপ্রদর্শক রাখেনি এবং সে কখনো পথপ্রদর্শনকারী এবং সাহায্যকারী খুঁজে পাবে না। আবার বলছেন, আমি একদলকে পথপ্রদর্শন করেছি এবং অন্য দলকে পথভ্রষ্ট অবধারিত করেছি। তারা আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে শয়তানকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করছে, তবে তারা মনে করে যে, তারা সৎপথেই রয়েছে। এখনই সুচিন্তিত বিবেকের কাছে বারবার করাঘাত করুন, তাহলে সঠিক উত্তর পেয়ে যাবেন। কাদেরকে আল্লাহ পথভ্রষ্ট বলছেন এবং কারা শয়তান ও শয়তানকে বন্ধু রুপে গ্রহণ করেছে। মহান আল্লাহর সুস্পষ্ট বাণীটা কি কখনো আমাদের মনে ভাবনার উদয় হয়েছে? যারা মহান আল্লাহর মনোনীত অলী আল্লাহদের বিরোধিতা করে, তারাই মূলত মানুষ শয়তান এবং তাদের অনুসারীরা হলো ঐ মানুষ শয়তানের সহযোগী। তারাই তো আল্লাহর মনোনীত মহামানব পথপ্রদর্শক ছেড়ে দিয়ে মানুষ শয়তানকে বন্ধু রুপে গ্রহণ করছে। অথচ নিজেদেরকে সৎপথ প্রাপ্ত মনে করে থাকে। আর এই মানুষ শয়তানগুলো হলো যুগে যুগে পথভ্রষ্ট আলেমগণ। এখানে মহান আল্লাহ অদৃশ্য শয়তানের কথা বলেনি বরং আল্লাহর মনোনীত অলী আল্লাহ বিরোধী মানুষ শয়তানকে বুঝিয়েছেন।

মহান আল্লাহ তায়ালা অন্য আয়াতে বলছেন, তাদের চোখ আছে কিন্তু দেখে না, কান আছে কিন্তু শোনে না এবং হৃদয় আছে কিন্তু উপলব্ধি করে না। এরা অন্ধ, বধির এবং অন্তরকে সীল মোহর মেরে দিয়েছি। এই জন্যই আমাদের সমাজের পথভ্রষ্ট আলেমগণ অর্থাৎ মানুষরুপী শয়তানরা কখনো হেদায়েত পায় না বরং আল্লাহর মনোনীত মহামানবদের বিরোধিতা করে থাকে। আর এদের সংখ্যাই সমাজে সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত দেখা যায়। কারণ আল্লাহ এদেরকে অন্ধ, বধির এবং অন্তরকে সীল মোহর মেরে দিয়েছেন। তাই এরা হেদায়েতশূণ্য শুধু কিতাবি বিদ্যায় বিদ্যান। যারাই নবী-রাসূলদের বিরোধিতা করছেন, তারা কোন সাধারণ মানুষ ছিলেন না বরং তারা ছিলেন ঐ আমলের সবচেয়ে বড় আলেম এবং ক্ষমতাশীল ব্যক্তিগণ। যেমন আবু জেহেল ছিলেন তৎকালীন আমলে সবচেয়ে বড় আলেম। আবু জেহেল হাজার হাজার কিতাবি বিদ্যার অধিকারী ছিলেন। শুধুমাত্র আল্লাহর মনোনীত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব দয়াল রাসূল পাক (সাঃ) কে না মানার কারণে কাফেরে পরিণত হয়েছে।

কিছু সময়ের জন্য আপনার মনকে হাজার হাজার বছর আগে নবী-রাসুলের যুগে নিয়ে যান। এবার ভাবুন তো যারা মুসা (আঃ), ঈসা (আঃ) নুহ ( আঃ) এবং ইব্রাহিম (আঃ) নবীর বিরোধিতা করছে, তারা কি হেদায়েত প্রাপ্ত লোক ছিলো নাকি কাফের ছিলো? নিশ্চয়ই তারা সুপথগামী ছিলো না বরং পথভ্রষ্ট ছিলো। কিন্তু আশ্চর্য বিষয় হলো তারাও নিজেদেরকে সৎপথ প্রাপ্ত মনে করতো। বরং তারা উল্টো নবী-রাসুলদেরকে পথভ্রষ্ট, কাফের, নাস্তিক এবং ভন্ড মনে করতো। এবার আপনার মনকে সরাসরি বর্তমানে নিয়ে আসুন এবং চারিদিকে চোখ ভুলান। দেখুন এখনো ঐ ধরনের চরিত্রের লোকজনই আল্লাহর মনোনীত অলী আল্লাহদেরকে কাফের, নাস্তিক এবং ভন্ড বলে ফতোয়া দিচ্ছে। আর তাদের অনুসারীরা অন্ধের মতো আল্লাহর মনোনীত অলী আল্লাহদের বিরোধিতা করছে। যুগ পাল্টিয়েছে, ধরণ বদলে গেছে কিন্তু চরিত্র হুবহু একই রয়ে গেছে। আরে ভাই যদি কিতাবই একমাত্র মুক্তির পথ হতো, তাহলে আল্লাহ যুগে যুগে মানুষকে হেদায়েত করার জন্য নবী-রাসূল এবং অলী আল্লাহ পাঠাতেন না। মনে করিয়েন না, আল্লাহ আপনাদের চেয়ে কম বুঝে। নাউজুবিল্লাহ।

লক্ষি ভাই আমার! এবার আপনার মনকে একবারের জন্য প্রশ্ন করে দেখুন, কে আপনার পথপ্রদর্শক? আপনি কি আল্লাহর মনোনীত মহামানব পথপ্রদর্শক খুঁজে পেয়েছেন নাকি দিকহারা পথিকের ন্যায় ঘুরিতেছেন। যদি আপনি আল্লাহর মনোনীত মহামানব পথপ্রদর্শক খুঁজে না পান, তাহলে আপনি নিশ্চিত ধরে নিন আপনি পথভ্রষ্ট এবং আপনার বন্ধু শয়তান। কথাগুলো কিন্তু আমার নয়, তাই অধমের উপর রাগ করে লাভ নেই। নিতান্তই যদি রাগ করতে হয়, তাহলে আল্লাহর সাথে রাগ করুন। কারণ কথাগুলো আল্লাহ স্বয়ং তাঁর পবিত্র কুরআন শরীফে বলছেন। অধম শুধু তুলে ধরেছি মাত্র। এখন মানা আর না মানা আপনার একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। অধম শুধুমাত্র নৈতিক দায়িত্ববোধ এবং গোলামির স্বার্থে তুলে ধরেছি। এরচেয়ে ভিন্ন কিছু নয়।

অনেকেই ভাবতে পারেন, আমরা আল্লাহর মনোনীত অলী আল্লাহ কিভাবে চিনবো এবং তাঁকে কোথায় খুঁজে পাবো। যদি কুতর্ক না করেন, তাহলে সুন্দর একটি সমাধানের পথ বলে দিচ্ছি।
” আল্লাহুম্মা সাল্লেআলা সাইয়্যেদিনা মুহাম্মাদিন ওয়া আলা ইমাম মাহাদী রাহামাতাল্লিল আলামিন ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লিম”। এই দরুদ শরীফটি প্রতিদিন রাত্রিবেলা ঘুমানোর পূর্বে কমপক্ষে ৫০০ বার পড়বেন একটানা ৪০দিন। আর দরুদ শরীফ পড়া শেষ হওয়ার পর প্রতিদিন মহান আল্লাহর কাছে বলবেন, ওগো দয়াময় মাওলা তুমি দয়া করে তোমার মনোনীত মহামানব পথপ্রদর্শককারীকে ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে দেখাও। যাতে আমি অতি সহজে তেমার মনোনীত অলী আল্লাহকে চিনতে পারি এবং তাঁর কাছে গিয়ে বায়াত হতে পারি। এভাবে একাধারে ৪০দিন সাধনাটি করতে থাকুন, মহান আল্লাহ নিশ্চয়ই আপনার মনের বাসনা দুর করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরম দয়ালু এবং ক্ষমাশীল। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাঁর নুরময় কদমে আশ্রয় ভিক্ষা দিক। আমিন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ আউচ সংবাদ প্রতিদিন
Theme Customized By Shakil IT Park
error: Content is protected !!