
নিজস্ব প্রতিবেদক.
ভবন নির্মাণ করবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। নতুন ভবন নির্মাণ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ হবে প্রায় ২৮ কোটি টাকা। কোম্পানিটির সর্বশেষ পরিচালনা পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।তথ্য অনুসারে, প্রগতি লাইফ রাজউকের অনুমোদিত নকশায় গুলশান-১, প্লট-১৩, রোড-১৮ ও ২১-এ নিজস্ব জমিতে ভবন নির্মাণ করবে। এর আগে বীমা কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ভবন নির্মাণের অনুমোদন পেয়েছে কোম্পানিটি।চলতি ২০২৩ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) প্রগতি লাইফের আয় বেড়েছে ১ কোটি ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির জীবন বীমা তহবিল হয়েছে ৬২২ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এ যা ছিল ৬১৩ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সে হিসাবে প্রগতি লাইফের তহবিল বেড়েছে ৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা।কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল।৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য মোট ১৭ শতাংশ লভ্যাংশের ঘোষণা করেছে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ। এর মধ্যে ১১ শতাংশ নগদ ও ৬ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে প্রগতি লাইফের পরিচালনা পর্ষদ। ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডাররা ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন।এছাড়া ২০১৮ হিসাব বছরের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য প্রগতি লাইফ ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দেয়। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য ৮ শতাংশ নগদ ও ১৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় তারা।সর্বশেষ রেটিং অনুসারে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’। ২০১৯-২১ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অন্যান্য গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (আলফা রেটিং)।২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রগতি লাইফের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩২ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ২৫ লাখ ৪৫ হাজার ২৮৮। এর মধ্যে ৩৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে, ২৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৩৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে।