রাসেল আহমেদ ত্রিশাল প্রতিনিধি

-(-প্রিয় দেশবাসী-)-আমি মোঃ রাসেল আহমেদ খান এক এতিম অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী হুইলচেয়ার পার্সন। আমি আজ বরাক্লান্ত নিয়ে আমার এই ব্যর্থজীবনের করুণ কাহিনী বা এই দেশের কিছু দুর্নীতি ও অনিয়মের বাস্তব চিত্র আপনাদের মাধ্যমেঃ-মানন্বীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সম্মুখে তুলে ধরতে চাই-?-ইনশাআল্লাহ!!!-(প্রিয় দেশবাসী)- আমি কিন্তু জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী ছিলাম না? তবে কেন আজ আমার এই দুঃসহ্য যন্ত্রণাময় অন্ধকার জীবন? আজকে আমার এই জীবন দুর্দশার করুণ পরিণতির কারণ হলোঃ- আজ থেকে প্রায়/৩০/বছর আগের ঘটনাঃ- আমি তখন সম্পুর্ণ সুস্থ ছিলাম, আমার বয়স তখন প্রায়/৩/বছর ঠিক তখন একটি মেইত উর্ত্তিন্য হয়ে একেবারেই বিষাক্ত হয়ে যাওয়া সরকারি পোলিও টিকা আমার দুই উড়াতে পোস্ট করলে, সেই বিষাক্ত পোলিও টিকা রিএকশন করে আমার দুই পা’ই অবস হয়ে যায়? য়ার কারনেই আমি ছোটবেলা থেকেই প্রতিবন্ধী নামক অভিশপ্ত জীবন ভয়ে বেড়াচ্ছি?-(প্রিয় দেশবাসী)- দুুঃখের সাথে বলতে হয়যে, ঘটনার সময় আমাকে সরকারি ভাবে বিভিন্ন সুবিধা বা আর্থিক সহযোগীতা দিয়ে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি থাকলেও? আজকে আমার প্রতিবন্ধকতার/৩০/বছর পরেও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কোন ধরনের/১/টাকারও আর্থিক সহযোগীতা পাইনি? এমনকি আমার প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড বা চলার জন্য একটি হুইলচেয়ার সেই পাইনি? সেই ছোট্টবেলা থেকেই অনেক দুঃখ কষ্ট করে সামাজিক অনেক বাধা বিপন্ন পেরিয়ে জীবনের সাথে যুদ্ধ করে আমি/৩০/বছর অতিক্রম করেছি। কিন্তু এখানেই ত জীবনের শেষ নয়? আমি জানিনা আর কতদিন আমাকে এই রকম ঘরবন্ধী জীবন দশায় প্রতিনিয়ত মৃত্যুর যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে?-(প্রিয় দেশবাসী)- আমার প্রতিবন্ধকতার/৩০/বছর পরেও কেন আজও সরাসরি ভাতা থেকে বঞ্চিত তার উদাহরণঃ-আজ থেকে প্রায়/৪/বছর আগে আমাদের /১০ নং-মঠবাড়ীর ইউপি চ্যায়ারম্যান কদ্দুস মিয়ার কাছে যায় আমার ভাতার কার্ডের জন্য গিয়ে যা বুজলাম উনার নেতৃত্বে প্রতিবন্ধী বিধবা বয়স্ক শিশু ও গর্ভ কালিন ভাতার কার্ডের নাম করে চলছে এক রকম রমরমাহ ব্যবসা? একটা কার্ডের জন্য নেওয়া হচ্ছে/৪/৫/৬/হাজার টাকা। আরো বেশী টাকা গুশ দিয়ে অনেকেই স্বামী থাকা সত্ত্বেও বিধবা বা অন্যান্য কার্ড করে নিচ্ছে? তারপর আমার কাছেও অফিসের খরচ দেখিয়ে গুশের টাকা দাবি করা হয়, তারপর আমি বললাম প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করতে ত কোন টাকা লাগেনা, যা মানন্বীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবার টিভিতে দেখাচ্ছে ত আপনি গুশচান কেন আমি কোন গুশের টাকা দিতে পারবোনা, টাকা ছাড়া কার্ড করে দিলে দেন তানাহলে আমি অন্য ভাবে কার্ড করে নেবো? এই কথা শুনার পর তিনি আমার সাথে খুুুব বাজে ব্যবহার করেন পরে চলে আসি? তার কয়েক দিন পর আমি ত্রিশাল উপজেলা সমাজ সেবা অফিসে যায় ভাতার কার্ডের জন্য ত ওখানে গিয়েও দেখি একি চিত্র। ওনারাও আমার কাছে গুশের টাকা দাবি করেন? তারপর আমি নিরুপায় হয়ে তাদের কাছে গুশের টাকা শিকারত্তি দিয়েই ভাতার কার্ডটি সম্পূর্ণ করি? তারপর আমার ভাতার কার্ডিটি ইউনিয়ন পরিষদে আসা মাত্রই চ্যায়ারম্যান কদ্দুস মিয়া আটকে রেখে প্রায়/৩/যাবত টাকা উত্তলন করে নিয়ে কার্ডবইটি বাতিল করে, ব্যলেন্জ শূূন্য কার্ড-বইটি আমার হাতে ফিরত দিয়েছে?-(প্রিয় দেশবাসী) আমার এই ঘটনা ছাড়াও আরো অসংখ্য অনৈতিক অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে জরিত সে বা তার সন্তানেরা? এই পরিষদে যত ধরনের সরকারি আর্থিক সহযোগিতা আসে সাধারণ গরীব দুঃখী অসহায় মানুষের জন্য, বা রাস্তাঘাটের কর্মসূচির টাকা ব্রিজ কালবার, এমনকি মসজিদ, মাদ্রাসায় যে সরকারি অনুদান আসে তার বেশীরভাগ টাকায় সে আত্মসাৎ করে? যেমনঃ আমাদের মসজিদে/১ লক্ষ টাকার মধ্যে/৫০- হাজার দিছে বাকিটা আত্মসাৎ করেছেন। তাছাড়া নিরীহ মানুষের জমি বেদখল দেওয়া সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি দালালী এমনকি শির্শ মাদক ব্যবসায়ি তার ছেলে প্রকাশে মার্ডার করেছে তারপরও কোন বিচার হয়নি? যার কারণে চ্যায়ারম্যান কদ্দুস মিয়া/২.৫০/বছর আগে দুর্নীতির দায়ে গ্রেফতার হয়ে অনেক মারধর খেয়েছিলেন। কিন্তু তারপরও বলতেই হয় যে, উনার টাকা ও ক্ষমতার কাছে এদেশের সকল আইন যেন অন্ধ হয়েযায়। এতকিছুর চাক্কশ প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে কেউ একশন নিতে পারেনা? এখন আমার মতো একজন অসহায় প্রতিবন্ধী মানুষ উনার বিরুদ্ধে যে কোন আইনগত ব্যবস্থা নিবো সেই শক্তি সমর্থ নেই বিদায়, মানন্বীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য সাংবাদিক প্রিসিলা আপুর সাথে আমার এই বিষয়ে কথা বলে একটি ভিডিও ভাইরাল করেছি বিদায়, আমাকে সামাজিক ও মানসিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করছে এবং আমার সহ পরিবারকে মিথ্যা মানহানি মামলার হুমকি দিচ্ছেও প্রতিনিয়তই!-(প্রিয় দেশবাসী) তারপর আমার ভিডিও টি ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ এনামুল হক স্যারের নজরে আসে, তিনি খুবই ভালো মানুষ আমাকে খবর দিয়ে নিয়ে বিস্তারিত শুনে তাতক্ষনিক ভাবে ইউনও স্যারকে নির্দেশ দেন, সঠিক তদন্ত করে চ্যায়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো-/১.৫০/ মাস হয়েগেল এখনো কোন প্রতিকার পাচ্ছি না? তাই আমি আবারও মানন্বীয় ডিসি মহোদয় স্যারের দৃষ্টি আকর্ষণ বলতে চাই- অতিব জুরুরি আমার বিষয়টি সঠিক তদন্ত করে চ্যায়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। পাশাপাশি ডিসি মহোদয় সহ বাংলাদেশের সকল ধরনের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বা দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই?-চ্যায়ারম্যান কদ্দুস মিয়ার বিরুদ্ধে সঠিক তদন্ত করলে আরো অনেক দুর্নীতির চানচল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে? তারপরও আমার এই বিষয়ে মানন্বীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি-কারণঃ আমার সাথে যা ঘটেছে, এই চিত্রটি সারা বাংলাদেশেই চলমান রয়েছে, যা আমরা প্রতিনিয়তই ভিবিন্ন চ্যানেলে পত্রিকা ও ফেইজবুকে দেখতে পাই, এই অসহায় মানুষ গুলোর হৃদয়ের আর্তনাদ বুকফাটা কান্নার অশ্রুজলে যেন সিক্তকরে দেই পুরু জাতিকে। তাই মানন্বীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন প্রতিবন্ধী বান্ধব জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমার আকুল আবেদন বিনিত অনুরোধ রইলো? অতি বিলম্বে বাংলাদেশের এই বিশাল প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী অসহায় মানুষের উপর যুগযুগ ধরে যে, জুলুম অত্যাচার নিপীড়ন নির্যাতন পতারনা হয়রানি করা হচ্ছে তা বন্ধ করা হোক! তাদের পাপ্প ন্যায্য মৌলিক অধিকার এইদেশে প্রতিষ্ঠিত করা হোক। আর এই রকম দুর্নীতিবাজ অমানবিক চ্যায়ারম্যানদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করে দিস্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হোক?- একজন ত্যাগী আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে, শুধু আমার ন্যায় সুবিচার টুকু দাবি করছি, পাশাপাশি আমার শারীরিক সমস্যার উন্নত চিকিৎসার দাবি করছি? আর চিকিৎসার পরেও যদি আমি সুস্থ না হয়, তাহলে মানন্বীয় প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে আমাকে একটি প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড-বই উপহার দিবেন। শুধু এতটুকুই প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির আকুতি?-(প্রিয় দেশবাসী ও সাংবাদিক ভাই বোনদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ রইলো, আমার এই বিষয় মানন্বীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে তুলে ধরে আমাকে ন্যায় সুবিচার পাইয়ে দিতে আন্তরিক সহযোগীতা করুণ।
নিম্নে আমার সাথে যোগাযোগের ঠিকানাঃ- নাম মোঃ- রাসেল আহমেদ খাঁন। বয়স/৩৩/
পিতা মৃত মোঃ- আফতাব উদ্দিন খাঁন।
মাতা মোছাঃ- রাজিয়া খাতুন।
গ্রামঃ- হরিয়া গুণী।
পোস্টঃ- রাণীগঞ্জ। (৭)নং- ওয়ার্ড।
উপজেলাঃ- ত্রিশাল। জেলাঃ- ময়মনসিংহ।
মোবাইল -( 01741-428195-)-(রাসেল আহমেদ খান)-!!!