আব্দুস সাত্তার সুমন বৃষ্টি ভেজা দিনটি ছিল গর্জন আকাশ ভারি, দাওয়াত ছিল জন্মদিনের এলাম তাহার বাড়ি। কারেন্ট আসে চলে যায় যে মোমের আলোয় রেখা, প্রথম দেখায় প্রেমে পরি অবাক চোখে
আব্দুস সাত্তার সুমন বর্ষায় বইছে মিষ্টি হাওয়া আষাঢ় মাসের কালে, সুভাষ ছড়ায় সাদা হলুদ কদম ফুলের ডালে। গন্ধ ছড়ায় সকাল বিকাল বাতাস বহে দিলে, টুপুর টুপুর বৃষ্টি ঝরে আমার বাড়ির
শাহজালাল সুজন ক্ষণস্থায়ী জীবন নিয়ে এসেছি এই ভবে, দুঃখ কষ্টের বেড়াজালে আমৃত্যু যে রবে। জীবন হলো জোয়ার ভাটা নদীর বাঁকে চলে, ক্ষণিক সুখে আত্মভোলা দুঃখ চোখের জলে। স্বার্থের জন্য কেউবা
আব্দুস সাত্তার সুমন জ্ঞানের অসীম পরিসীমা শিখতে চায় না কেউ, শিখতে বললেই সবই পারি ঘন কথার ঢেউ। যারা ভাবে মহাজ্ঞানী মূর্খ হয়ে বেশ, শস্য দানা ক্ষুদ্র জ্ঞানের শেখার নেইকো শেষ!
শেখ মোমতাজুল করিম শিপলু চুল পেকেছে চুল পেকেছে আমার দাদুর আজ, তাইতো দাদু যুবক সাজে রং করা তার কাজ। ধবধবে কেশ সাদা রঙে কালো কালি মাখে, ক’দিন গেলেই যেমন তেমন
শেখ মোমতাজুল করিম শিপলু আরব থেকে আসলো যে সাপ রা’সেল ভাইপার নাম, ছোবল দিয়ে বিষ ঢালা যে মানুষ মারা কাম। ভিন দেশ থেকে ক্যামনে এলো বিষধর এই সাপ, ষড়যন্ত্রের বুনলো
মৌমিতা পাল আস্তে আস্তে পাথর হয়ে যাচ্ছি অনুভূতি গুলো ভোঁতা হয়ে আসছে। আবেগ গুলো পাথর চাপা হয়ে দেয়ালের তলায় আটকা পড়ছে। এক কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে পথ চলছি আমরা, আধুনিকতার
জাহাঙ্গীর হোসেন ঈদুল আযহা জিলহজ মাসের দশ তারিখে হয় বনের পশুত্বকে বাদ দিয়ে মনের পশুত্বকে কোরবানি করতে হয়। কোরবানির রক্ত আর গোস্তের দিকে,আল্লাহ চাহে-নয় দিল কে পরিষ্কার করতে পারলে আল্লাহ
শেখ মোমতাজুল করিম শিপলু জামাই ষষ্ঠী শশুর বাড়ি মধুর হাঁড়ি লয়, শালা শালি বায়না ধরে কত কথাই কয়। সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যে জামাই ষষ্ঠী হয়, ধুমধামেরই আয়োজনে কেউই বেজার নয়। শশুরালয়
মাসে,মাসে,জোয়ার আসে, ভাষায় নদীর কুল গো, কামিনী গেছেন ফুল গো, ভাষায় নদীর কুল গো (২) নদী যখন যোয়ার আসে, প্রভু তখন ধ্যানে বসে বহে যোয়ার মৃনাল বাতাসে,, ত্রীবেনী ঘাটের মূল