মোশাহেদ চৌধুরী পরিচয় খুঁজি সাঈদের মাঝে পরিচয় খুঁজি মুগ্ধে সাঈদ আমায় শিখিয়েছে ভাই পিঠ নয় আর বুক দে। মুক্ত রাজার আসনে পড়লে কলঙ্কের কালো দাগটা মুক্তিকামী জনতার বুঝি বেড়ে যায়
মোশাহেদ চৌধুরী কারার কপাট ভেঙে করি মুক্ত রুদ্ধ স্বর কোথায় বলো জুলুমখানা সেই সে আয়নাঘর।। মানবতা খেলো সেথায় ভীষণতর মার যে বানালো আয়নাঘর আজ শাস্তিটা হোক তার। মানুষের গান গেয়ে
মোশাহেদ চৌধুরী রবিঠাকুর ভুল বলেছেন, আমরা নাকি সবাই রাজা ! হাজার বছর পেছনে যান দেখতে থাকুন দু’চোখ মেলে পড়ুন তো ভাই ইতিহাসের সকল পাতা। দেখান দেখি আমরা কবে রাজা ছিলাম
আব্দুস সাত্তার সুমন আমরা নাকি নবীর উম্মত নামে যে মুসলমান, দাড়ি টুপি হুজুর দেখে নিচ্ছি কেড়ে প্রাণ। পাথর মূর্তি ভাস্কর্যে দাঁড়ায় আছে দেশে, ধ্বংস দেখে যারা কাঁদে শিরিক দাতা বেশে।
সাধন তত্ত্ব ব্রম্মাদ্বারে সৃষ্টির ধারা লিঙ্গ মুলে দিলে বেড়া। ঠিক রাখিলে জন্মের গোড়া, জন্ম মরণ তার বারণ। বাতাশে ভাসিয়া বীজ শুন্যে থাকে পঞ্চ চিজ। তিনটি দ্বারা উপরে নিচ, গুরুর কাছে
ফারুক মন্ডল নীল আকাশের বুকে, মেঘের সাদা নৌকা, চলে যায় নিবিড়তা থেকে, নীলের দিকে তাকিয়ে। নীল সাগরের তীরে, বসে আছি নিরবধূ, নীলের রাঙায় মনে, শান্তির জোয়ার ভরে। নীল কমল ফুটেছে,
মোশাহেদ চৌধুরী বন্ধুরে ! ও আমার পরান বন্ধুরে —- যারে আমি ভালোবাসি সে-ই থাকে দূরে।। নিত্য যে সে হাসায়-কাঁদায় ভেবে তারে করি হায় হায় গোপনে সে গান গেয়ে যায় মনোবীণার
মোঃ শেখ নজরুল ইসলাম অবাক হয়ে গেলাম আমি দেখে দেশের ভাব আচরণ আইনের গলায় দরি দিয়ে গায়ের জোরে দাবি পুরণ। নীতিকথার দোহাই দিয়া সহজ সরল সঙ্গে নিয়া চালাকচতুর ক’জন গিয়া
মোশাহেদ চৌধুরী মনটা আমার পাগলা ঘোড়া ছুটছে তেপান্তরে রুখতে তারে পারে না যে রৌদ্র-বৃষ্টি ঝড়ে।। গোলাপ হয়ে তোমার খোঁপায় বসতে যে চায় এসে আড়াল থেকে রূপ যে তোমার দেখবে ভালোবেসে।
আব্দুস সাত্তার সুমন ঘুম থেকে উঠে সবাই জাগ্রত হই, ভেদাভেদ ভুলে এবার মিলেমিশে রই। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আজ কাজ করব ভাই, দুর্যোগ মোকাবেলায় একসাথে চাই। হিন্দু মুসলিম অন্য ধর্ম হাল