আব্দুস সাত্তার সুমন লাল সবুজের ছড়া পত্র ছড়ায় ছড়ায় কথা, মুখরিত ছড়া পাতা লিখছে দারুন যথা। ছড়াকারের বর্ষা বইছে কলম কথা বলে, নানান রকম হাতের ছোঁয়ায় কলম কালি চলে। পাতায়
শাহজালাল সুজন টগবগিয়ে চলছে ঘোড়া কান দুটো তার খাড়া, ঘোড় সওয়ারি চাবুক কষে করছে জোরে তাড়া। হ্রেষা করে ডাকে ঘোড়া ঘুঙুর বাজে গলে, উৎসাহ পায় ঘোড় সওয়ারি মাঠের উপর চলে।
আব্দুস সাত্তার সুমন বৃষ্টি হচ্ছে ঝড় প্রভা কুয়াশাতে হানা, বর্ষা নিঝুম আষাঢ় কালে বাহির যেতে মানা। বজ্রপাতে শিলা বৃষ্টি সাদাকালো রবি, মুষলধারে পরছে সদা ঝাপসা কাঁচের ছবি। প্রজননের নতুন শপথ
শাহজালাল সুজন আমার দেশের নিত্য পণ্যের দামটা আকাশ ছোঁয়া, কিনতে গেলে হৃদয় পোড়ে উঠে কালো ধোঁয়া। হর হামেশাই দাম বেড়ে যায় সকল পণ্যে দেখি, কেউ ধরে না লাগাম টেনে সাধুর
শেখ মোমতাজুল করিম শিপলু মধুমাখা নাম যে মায়ের বাংলাদেশ বাংলাদেশ— চির জাগ্রত মম উন্নত প্রাণ জুড়ানো আবেশ। এদেশ আমার মাতৃভূমি মায়ের সমতুল, ভালোবাসি ও দেশ তোমায় হয় না কোনো ভুল।।
শেখ মোমতাজুল করিম শিপলু মায়ের মতো মা পেলো যে সে-তো জগৎ সুখী, জননী নাই অরণ্য তার আপন গৃহে দুখী। মা যদি হয় মায়ের মতন রয়না সুখের সীমা, সুখ সাগরে ভেসে
শেখ মোমতাজুল করিম শিপলু যৌবনে নদ পা ফেলেছে নদীর সাথে মিশে, ষোড়শ রূপে ষোড়শীর গান ভুগছে প্রেমের বিষে। উপচে পড়া যৌবনের জল দান করেছে কন্যা, কঠিন শাসন প্রেম আলিঙ্গন সারাদেশের
আব্দুস সাত্তার সুমন বিকেল হলে নামাজ শেষে পড়াশোনার পাঠে, নাটাই ঘড়ির সুতো লয়ে ধান ক্ষেতেরই মাঠে। দল বেঁধেছি ছেলেপুলে খালি পায়ে চলে, দূর গগনে ঘুড়ি উড়ায় মেঘের কথা বলে। আষাঢ়
মোশাহেদ চৌধুরী এমন করে মনের ঘরে উঠলো কেন ঝড় ঝড় না শুধু আরও আছে গুরুম গুড়ুম বাজ সুখের ভেলায় রুদ্র নাচন নাচছে কেন আজ উড়বে কী মন দূর আকাশে সয়না
আব্দুস সাত্তার সুমন শীত গরমে মিশে গেছে বৃষ্টি আসে থামে, আষাঢ় মাসে বর্ষা হয়ে শরীর যাচ্ছে ঘামে। ফোটায় ফোটায় ঘামের জলে ঝাপসা দাবদাহ, শুকনো শরীর ভিজে যায় যে লোডশেডিং এর