
তোকে আমার অদেয় আর কিছুই নেই
শুধুই শুধু তুই যা ভাবিস তেমনটা নয়
আমি কিন্তু ইচ্ছে করেই নিচ্ছি মেনে সব পরাজয়।
চাস যদি তুই শীতের কাঁথা,বিছানা বালিশ,
গোছল করার গরম পানি-একটুখানি
কপালে হাত-ব্যথায় মালিশ-
শীতের ভোরে ঘাসের ডগায় ঝুলে থাকা শিশির কণা কী যে দারুণ ! চেয়ে থাকি এক পলকে।
এ’সবকিছুই দেবো তোকে –
যখন পড়ে ভোরের আলো,ঠিক যেন সব মুক্তোদানা,
তাও যদি চাস দিতে পারি অরুণ রাঙা আকাশ খানা।
মা’র বানানো শীতের পিঠে খেজুর গুড়ের
মিষ্টিমাখা হাসিটি সেই স্নিগ্ধ ভোরের।
কিংবা খুব যত্নে রাখা বইয়ের পাতায়
শুকিয়ে যাওয়া একটি গোলাপ,
না-ইবা হলো তোর সাথে আর গভীর আলাপ —
দিতে পারি ল্যাপটপ আর মোবাইল ফোন,
কিংবা ধর হৃদয় ঝরা একটু খুন
তুই যদি চাস দেবো তোকে জ্বলতে থাকা বুকের আগুন।
তোকে আমি সবই দেবো
দেবো না কিন্তু নিত্য লেখা আটপৌরে কবিতার ভাগ
দহন জ্বালার ছাঁচে গড়া মনে জাগা রাগ-অনুরাগ
দেবো না আমি – কখনোই দেবো না
তোকে আমার এই কবিতা দেবো না।