
আঞ্চলিক প্রতিনিধি,ময়মনসিংহ:
বর্তমান সময়ের পরিক্রমায় বাংলাদেশ পুলিশ আস্তে আস্তে হলেও যথেষ্ট জনবান্ধন পুলিশে পরিণত হয়েছে।জনসেবায় পুলিশের মনোজগতেও ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ও মানবিক ছেলে-মেয়েগুলো দলেদলে এই বাহিনীতে যোগ দিচ্ছেন।বাংলাদেশ পুলিশের গুণগত পরিবর্তন এখন সাদাচোখেও দৃশ্যমান,যদিও যথেষ্ট ব্যতিক্রম রয়েছে এবং ব্যতিক্রম সবসময় উদাহরণও নয়।যে কোন লোক ৯৯৯ এ ফ্রি ডায়াল করলেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাজির হচ্ছেন।গহীন অরণ্যে বা মাঝ নদীতে কোনো সমস্যায় পড়ে জাস্ট একটা কল করলেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাচ্ছেন বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা।করোনাকালে পুলিশ ইতিহাসের সেরা মানবিক ও সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন।বর্তমানে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শিতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের তত্ত্বাবধান ও বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক(আইজিপি)চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন এর দ নেতৃত্বের কারণে।পুলিশের এই পরিবর্তনের পিছনে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ পুলিশের কিছু ডাইনামিক পুলিশ সদস্যরা।তাদের মধ্য অন্যতম একজন হলেন ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার নিভৃত পল্লীর কৃতি সন্তান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালেয় মেধাবী ছাত্র ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) অভিজাত ডিপ্লোমেটিক জোন কূটনীতিক এলাকা বনানী থানার সুযোগ্য ডাইনামিক অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বাদল।যার শৈশব কৈশোর পড়াশোনা বেড়ে ওঠে হাওর অঞ্চল কিশোরগঞ্জে। গত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ইং মোস্তফিজুর রহমান বাদল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) বনানী থানায় যোগদান করেন। মোস্তাফিজুর রহমান বাদল গত ২০ জুলাই ২০২০ ইং তারিখে প্রথম অফিসার ইনচার্জ হিসেবে ডিএমপি জনবহুল এলাকা কামরাঙ্গীরচর থানার সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করেন।এর আগে তিনি ওয়ারী থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) এর দায়িত্বপালন করেন। ২০০৫ তম ব্যাচ এর পুলিশ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বাদল। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া মুজিব সৈনিক ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বাদল।সরকার বিরোধী জ্বালাও পোড়াও আন্দোলনে নিজের জীবন বাজী রেখে দায়িত্ব পালন করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান বাদল। পুলিশ যে জনগণের বন্ধু,আইন-শৃঙ্খলা রায় নিরলসভাবে কাজ করার পাশাপাশি তারাও যে মানবিক কাজের একেত্রে পিছিয়ে নেই,অনেকে তা স্বীকারে নারাজ।দু-একজনের অপকর্মে পুরো পুলিশ বাহিনীকে সমালোচনায় বিদ্ধ করতে কুণ্ঠাবোধ করে না।তবে পুলিশ বিভাগে রয়েছে হাজারো মোস্তাফিজুর রহমান বাদলের মতো মানবিক পুলিশ অফিসার।মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বাদল এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানুষের দু:খ-কষ্ট দেখলে আমার সহ্য হতো না।এগিয়ে গিয়ে সাহায্য করতে ইচ্ছে করতো। তাছাড়া পুলিশের চাকরিটাও মানুষকে সহযোগিতা করার মত চাকরি এটা। শত ব্যস্ততার মধ্য ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন এই কর্মকর্তা।তিনি আরো বলেন মানুষের বিপদের সময় যে পাশে থাকে সে-ই প্রকৃত বন্ধু।আমি কোনো জনপ্রতিনিধি বা মহৎ ব্যক্তি হতে চাই না।আমি চাই মানুষের দুঃসময়ের বন্ধু হতে।তাই নিজের সাধ্য অনুযায়ী সব সময় চেষ্টা করি সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে।এ ছাড়াও,করোনাকালীন সময়ে মোস্তাফিজুর রহমান বাদল কামরাঙ্গীরচর থানার অফিসার ইনচার্জ হয়েও সরকারী সহায়তার পাশাপাশি নিজ ব্যক্তি উদ্দ্যোগে থানাধীন এলাকার অসহায়,হতদরিদ্র,কর্মহীন নিম্ম আয়ের মানুষ গুলো’কে আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে ছিলেন।সেই সময়ে তিনি সাধারণ মানুষকে দিয়েছেন স্বাস্থ্য সুরা সামগ্রী ও খাদ্য সামগ্রী।এভাবেই প্রতিনিয়ত অসহায় মানুষের জন্য নিরলসভাবে নিঃস্বার্থভাবে আজও কাজ করে যাচ্ছেন।কামরাঙ্গীরচর থাকাকালীন থানায় সেবা প্রত্যাশী ও পুলিশ সদস্যেদের জন্য করেছেন মুজিব কর্ণার লাইব্রেরি যেখানে একসাথে বসে সেবা প্রত্যাশী পুলিশ সদস্যবৃন্দ পড়তে পারেন বঙ্গবন্ধু আদর্শ আত্মজীবনীসহ অসংখ্য কবিতা ও সাহিত্যের বই।যাহা এখন ও চলমান আছে ঐ থানায়। মোস্তাফিজুর রহমান বনানী থানায় যোগদানের পর থেকে থানার চেহারায় পাল্টিয়ে দিয়েছেন।ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনে থানার আঁশে পাশের নোংরা পরিবেশ পরিস্কার পরিছন্ন করে সেবা প্রার্থীদের থানা একটি সুন্দর মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করে দিয়েছেন যাতে করে সেবা প্রার্থীদের জন্য থানায় একটি সুন্দর মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। যাতে করে সেবা প্রার্থীরা হয়রানির শিকার না হন এবং থানায় এসে সুন্দর একটি পরিবেশ পান।তিনি তার সততা ও বিচণ বুদ্ধিমত্তা এবং মেধার বিকাশে তার দায়িত্বরত অভিজাত ডিপ্লোমেটিক জোন কূটনীতিক এলাকা বনানী এলাকা মাদক,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ,মামলা হ্রাস,চোর-ডাকাতের উৎপাত ও দখল বাজদের হাত থেকে মুক্ত করেছেন।তার চোখে ধনী-গরিব,জেলে,রিক্সা চালক হতে সব শ্রেণি পেশার মানুষ সমান।একজন সৎ ও অন্যায়ের কাছে আপোষহীন পুলিশ অফিসার হিসাবে পরিচিত। বনানী থানা এলাকার মানুষের কাছে ওসি মোস্তাফিজুর রহমান এক আস্থার প্রতীক।সর্বপরি তিনি বলেন বর্তমান সরকার গণমানুষের বন্ধু,সরকার আমাদের পাঠিয়েছেন মানুষের মুখেহাসি ফোটাতে,মানুষের সাথে মিলেমিশে তাদের সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করে নিতে।আমরা মানুষের অতন্ত্র প্রহরী আমাদের কাজ হচ্ছে দেশকে মাদক,সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ,চাদাঁবাজ,ইভটিজার মুক্ত করে মানুষের মাঝে শান্তি ফিরিয়ে আনা।এদিকে সচেতন মহল মনে করছেন,একজন ওসি হয়েও সমাজের অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের কল্যাণে এভাবে নিজেকে নিয়োজিত রাখা মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বনানী থানার সুযোগ্য অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান।যার ফলে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে।