
মোঃ জাহিদ হোসেন,দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
স্থানীয় বাসিন্দা মাহাবুর রহমান জানান,খাবার হোটেলগুলি ওই এলাকার চার জনের স্ত্রী দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।সবাই ওকে ভাবি বলে ডাকে।সে কারণেই হোটেলের নাম ভাবীর হোটেল।তাদের হোটেলে হাঁসের মাংস রান্নার স্বাদ দিন দিন ছড়িয়ে পড়ছে এবং এখন রানী ঘাট পরমেশ্বরপুরের নামকরণ করা হয়েছে ‘ভাবীর মোড়’।জামালউদ্দিনের স্ত্রী মাস্তারা বেগম(৪৫),দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী তসলিমা আক্তার (৪০),নাজমুল হকের স্ত্রী মেরিনা পারভীন(৩৭)এবং হুসেন আলীর স্ত্রী বেলি আক্তার(৪০)চারটি হোটেলটি কর্নারে চালাচ্ছেন।২ এপ্রিল রানি ঘাটে চার জনের সাথে কথা বলে জানা গেল যে প্রত্যেকে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ টি হাঁস রান্না করে।এছাড়াও অন্যান্য পদ আছে।প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে খাওয়া শেষ করতে পারে।হাঁসের মাংস বিক্রি হয় ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।একদিকে সুস্বাদু খাবার,অন্যদিকে টাঙ্গান নদীর তীরে রাবার বাঁধের সৌন্দর্য।দুটি কারণে দর্শকদের সংখ্যা সাত বা আট বছর ধরে বাড়ছে।প্রায় ১৯৯০ শুকনো মরসুমে,টাঙ্গান নদী থেকে বালুচরিত হয় ট্রাক দ্বারা। শ্রমিকরা বালু দিয়ে ট্রাক ভরে দিতেন।কাজের মাঝে তাদের জন্য একটু চা এবং প্রাতঃরাশের প্রয়োজন ছিল। তারপরে সবজি বিক্রেতা জামালউদ্দিনের স্ত্রী মাস্তারা বেগম কোণে একটি প্লাস্টিকের তাঁবু দিয়ে চা এবং বিস্কুট বিক্রি শুরু করেন।একদিন শ্রমিকদের অনুরোধে তিনি ডাল,চাল এবং ডিম বিক্রি শুরু করেন।বালুঘাট দুই বছর ধরে বন্ধ রয়েছে।ভবীরের হোটেল থেকে গেছে।এইভাবে ধীরে ধীরে রণীর ঘাটের নাম পরিবর্তন করে ভবীর মোড় করা হয়েছে।এই সংযোগস্থলে প্রথম হোটেলটি খোলেন মাস্তারা বেগম।তার ব্যবসায়ের উন্নতি দেখে আরও গ্রামীণ নারী রা একের পর এক এখানে হাঁসের মাংস এবং ভাত বিক্রি শুরু করেন।মাসতারা বেগম এর স্বামী বলেছিলেন,‘ঘাট বন্ধ হওয়ার পরে কিছু সময়ের জন্য ব্যবসা ধীর হয়ে গেছে।পরে রাস্তাটি প্রশস্ত করার কাজ শুরু হলে আবার বিক্রি শুরু হয়।এবং এখন জানা গেছে যে দূর থেকে লোকেরা এখানে খেতে আসে।রাস্তার প্রতিটি পাশে সারি ধরে সাত টি খাবারের হোটেল রয়েছে।কোনও হোটেলে প্রবেশের সাথে সাথেই আপনি দেওয়ালে আঁকা বিভিন্ন ফুলের নকশা দেখতে পাবেন এর পাশেই লেখা আছে,‘ভাবীর হোটেল-১’। এখানে সাতটি মহিলার জন্য সাতটি হোটেল।সব কটির নাম ভাবীর হোটেল।হাঁসের মাংসে পূর্ণ হাঁড়িগুলি টেবিলে রাখা হয়। নির্জন পরিবেশ,খাবারপ্রেমীরা আসছেন,পেটপুজো,চলে যাচ্ছেন।‘ভাবী’খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে বিল নেওয়ার সমস্ত কাজ করছে।দিনাজপুর শহর থেকে ৩৪কিলোমিটার দূরে ভারতের সীমান্তে টাঙ্গান নদী প্রবাহিত হয়।নদীর উপর একটি ব্রিজ সহ একটি রাবার বাঁধ নির্মিত হয়েছে। দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার এই জায়গার নাম রানী ঘাট মোড়।তবে এখন পরিচয়‘ভবীর মোড়’।কেন এই নাম?স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,খাবার হোটেলগুলি ওই এলাকার চার জনের স্ত্রী দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল। সবাই ওকে ভবি বলে ডাকে।সে কারণেই হোটেলের নাম ভবীর হোটেল।তাদের হোটেলে হাঁসের মাংস রান্নার স্বাদ দিন দিন ছড়িয়ে পড়ছে এবং এখন রানী ঘাট পরমেশ্বরপুরের নামকরণ করা হয়েছে‘ভাবীর মোড়’।জামালউদ্দিনের স্ত্রী মাস্তারা বেগম(৪৫),দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী তসলিমা আক্তার (৪০),নাজমুল হকের স্ত্রী মেরিনা পারভীন (৩৭) এবং হুসেন আলীর স্ত্রী বেলি আক্তার (৪০)রানি ঘাটে তাদের সাথে কথা বলে জানা গেল যে প্রত্যেকে প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ হাঁস রান্না করে।এছাড়াও অন্যান্য পদ আছে।হাঁসের মাংস বিক্রি হয় ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায়।একদিকে সুস্বাদু খাবার,অন্যদিকে টাঙ্গান নদীর তীরে রাবার বাঁধের সৌন্দর্য।দুটি কারণে দর্শকদের সংখ্যা সাত বা আট বছর ধরে বাড়ছে।জানাযায় ১৯৯০ শুকনো মরসুমে,টাঙ্গান নদী থেকে বালুচরিত হয় ট্রাক দ্বারা।শ্রমিকরা বালু দিয়ে ট্রাক ভরে দিতেন।কাজের মাঝে তাদের জন্য একটু চা এবং প্রাতঃরাশের প্রয়োজন ছিল।তারপরে সবজি বিক্রেতা জামালউদ্দিনের স্ত্রী মাস্তারা বেগম কোণে একটি প্লাস্টিকের তাঁবু দিয়ে চা এবং বিস্কুট বিক্রি শুরু করেন। একদিন শ্রমিকদের অনুরোধে তিনি ডাল,চাল এবং ডিম বিক্রি শুরু করেন।এইভাবে ধীরে ধীরে রণীর ঘাটের নাম পরিবর্তন করে ভবীর মোড় করা হয়েছে।এই সংযোগস্থলে প্রথম হোটেলটি খোলেন মাস্তারা বেগম।তার ব্যবসায়ের উন্নতি দেখে অন্যরা একের পর এক এখানে হাঁসের মাংস এবং ভাত বিক্রি শুরু করেন।ভারীর মোড়ের ভারীরা বলেছিলেন,‘ঘাট বন্ধ হওয়ার পরে কিছু সময়ের জন্য ব্যবসা ধীর হয়ে গেছে।পরে,রাস্তাটি প্রশস্ত করার কাজ শুরু হলে আবার বিক্রি শুরু হয়।