
সুমন ভট্টাচার্য ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ-
শেখ হাসিনা মূল্যায়ন করে মুক্তিযোদ্ধাদের কে, এর পরে আর কেউ মূল্যায়ন করে না!শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন না করলে মুক্তিযোদ্ধারা ডাস্টবিনে থাকতো আগের মত!
ত্রিশালের ধানীখলা ইউনিয়নের পাকিস্তানিদের গঠিত শান্তি কমিটির সদস্য মৃত জুবেদ আলী মাস্টারের নাতি ডা. কবির রাইহানের সম্পর্কে জানতে চাইলে এসব কথা বলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাহিদ খান ভুলা, সাবেক কমান্ডার ত্রিশাল থানা। আমরা জানা মতে গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে পরাজিত হয়েছে রায়হান।
তিনি আরও বলেন, এটা আওয়ামী লীগের একান্ত নিজস্ব ব্যাপার! মুক্তিযোদ্ধাদের কথা শুনবে কি শুনবে না এটা তাদের ব্যাপার! তবে প্রতিক্রিয়া আমার খুবই দুঃখ জনক এবং কষ্ট জনক! যুদ্ধ করছি আমরা বঙ্গবন্ধুর আহবানে, ঐ দিন যদি আমরা যুদ্ধ না করতাম তাহলে আওয়ামী লীগ আজ ক্ষমতায় থাকতে পারতোনা!এই আওয়ামী লীগে যদি দালাল পরিবারের সন্তানরা কেউ নের্তৃত্বে যাই, এইডা মনে কষ্ট লাগে! এই দুঃখ আর মনে রাখার জাইগা নাই!কবির রাইহান তো অলরেডি নৌকা নিয়া নির্বাচন করেই ফেলছে দালাল পরিবার থাইকা!এটা কাঁঠাল ইউনিয়ন বাসির নিন্দা জানানোর কথা! নট অনলি কবির রায়হান!আমাদের দাবি সারা বাংলাদেশে কোথাও যেনো দালাল পরিবারের কেউ আওয়ামী লীগের নের্তৃত্বে না আসে।ত্যাগীরা যেন স্থান পায়।
সাবেক আহবায়ক ধানীখলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফখরুল ইসলাম খান বলেন, জুবেদ আলী মাস্টার শান্তি কমিটির সদস্য ছিল। তাদের সাহায্য ও নের্তৃত্বেই পাঞ্জাবিরা অত্যাচার ও হামলা করেছে লুটপাট করেছে।দালাল পরিবারের সন্তানরা কেউ যেনো আওয়ামী লীগের কোনো পদে না আসতে পারে আমি তার প্রতিবাদ জানাই।
ত্রিশাল মুক্তিযোদ্ধার সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: সাইদুল হক বলেন,জুবেদ আলী পাকিস্তানি পক্ষের শক্তি, মুক্তিযোদ্ধাদের বিরোধী শক্তি ছিল।জুবেদ আলী মাস্টার পাকিস্তানিদের গঠিত শান্তি কমিটির সদস্য ছিল।ডা. কবির রায়হান আওয়ামী বিরোধী শক্তির পরিবারের সন্তান।নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থ সিদ্ধির জন্য ডা. কবির রাইহান আওয়ামী লীগের নেতা হইতে চায়।আমি এটাকে ঘৃণা ও নিন্দা জানায়।ডা. কবির রায়হান যেনো আওয়ামী লীগের কোনো পদে না থাকে তার জোর দাবি জানায়।আওয়ামী লীগ সরকার ঘোষণা করেছে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি কেউ আওয়ামী লীগে থাকতে পারবে না।
ত্রিশাল উপজেলার কাঁঠাল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো: জহিরুল ইসলাম বলেন,আমি শুনেছি ডা. কবির রায়হানের দাদা মৃত জুবেদ আলী মাস্টার শান্তি কমিটির সক্রিয় সদস্য ছিল। ডা. কবির রায়হান বিএনপি পন্থী লোক। আওয়ামী লীগের কিছু সুবিধাবাদী লোকের জন্য উনি আওয়ামী লীগে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।আমার বোধগম্য হয় সে কিভাবে কাদের ছত্রছায়া নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে পরাজিত হয়েও এখন আবার সভাপতি প্রার্থী হতে চায়।
এবিষয়ে ডা. কবির রায়হানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও উনার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এছাড়াও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দাদা ১৯৭১ সালের শান্তি কমিটির সদস্য, চাচা বিএনপির থানা কমিটির সদস্য, মামা বিএনপির শ্রমিক দলের আহবায়ক আর তাদের বংশধরেরা আওয়ামী লীগের কাঁঠাল ইউনিয়নের সভাপতি পদপার্থী! এমনই অভিযোগ উঠেছে ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার কাঁঠাল ইউনিয়নের ডা. কবির রায়হানের বিরুদ্ধে।