সুমন ভট্টাচার্য-সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার.
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় পাঁচ বছরের শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর নদীতে ফেলে হত্যার ঘটনায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক এক আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সুদীপ্তা সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আরিফ,রাকিব ও সিয়াম। অপরদিকে অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি মারুফকে দুটি ধারায় ১০ বছর ও আড়াই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত জানিয়েছেন, দুটি সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে।প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগ পর্যন্ত তাকে গাজীপুরের টঙ্গির কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হবে। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট বজলুল করিম চৌধুরী বলেন, “এই রায়ের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা আদালতে আসামিদের অপরাধ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি।আদালত জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেছেন।”আদালত সূত্রে জানা যায়, নির্মম এ হত্যাকাণ্ডের মাত্র ২৫ দিনের মধ্যে বিচারকাজ সম্পন্ন হয়। অভিযোগপত্র দাখিলের পর মাত্র ১০ কার্যদিবসেই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে।মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১৪ জুন বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলার একটি এলাকায় শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়। পরদিন ১৫ জুন নিহত শিশুটির বাবা রাজু মিয়া ধোবাউড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার তদন্ত শেষে মাত্র ৯ দিনের মাথায়, ২৩ জুন, চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশ।রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নিহত শিশুর বাবা রাজু মিয়া বলেন,“আমার ফুলের মতো মেয়েকে তো আর ফিরে পাব না। এই রায় দ্রুত কার্যকর হোক,এটাই আমাদের একমাত্র দাবি।”অন্যদিকে রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বদরুল আলম বলেন,রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে কি না,সে সিদ্ধান্ত আসামিদের পরিবারের।
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com