ফারুক, বিশেষ প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর এলাকার মজলিশপুর মৌজার জায়গা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের একটি দেওয়ানি মামলার রায় ও ডিক্রি প্রকাশ করা হয়েছে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের '৬১৫ নং' (হালে ১৬৫/২০২১ইং) দেওয়ানি মোকাদ্দমায় বাদীপক্ষ 'ইব্রাহিম গং'-এর অনুকূলে রায় প্রদান করেছেন সিনিয়র সিভিল জজ আদালত। এই রায়ের প্রেক্ষিতে মামলার ডিক্রিপ্রাপ্ত সম্পত্তি উদ্ধার করে বাদীপক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আদালতের পক্ষ থেকে একটি দখলদারিত্বের পরোয়ানা (Warrant to the Bailiff to give Possession of Land) জারি করা হয়েছে।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী চূড়ান্ত আইনি প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে জেলা নাজির এবং পুলিশ প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতের জেলা নাজির আওলাদ হোসেন এই পরোয়ানা সংক্রান্ত দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক বিষয়গুলো তত্ত্বাবধান করছেন।
বিরোধপূর্ণ জমির সীমানা ও দখল ডিক্রিদারদের বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আদালতের জারিকারক (বেলিফ) মোঃ সাহাদাত হোসেনকে। এছাড়া দখল হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষে এস আই জসিম উদ্দিন নিয়োজিত রয়েছেন।
মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মজলিশপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত তারু মিয়ার পুত্র ইব্রাহিম, ভকুর আলী ও মোতালিব মিয়া বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। মামলায় প্রধান বিবাদী করা হয়েছিল একই এলাকার মৃত সৈয়দ আলীর পুত্র মধু মিয়াকে। এ ছাড়া মামলায় আরও বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দাকে বিবাদী করা হয়েছিল।বিতর্কিত সম্পত্তি ও তফসিল মামলার নালিশি সম্পত্তিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার অন্তর্গত ঐতিহ্যবাহী মজলিশপুর মৌজায় অবস্থিত, যা সি.এস খতিয়ান ১৯৪ এবং এস.এ খতিয়ান ২৪৭-এর অন্তর্ভুক্ত। তফসিল অনুযায়ী, এই খতিয়ানের বিভিন্ন দাগে (যেমন: ৭২, ৭৪, ১৪৫, ৪৬৫, ৪৬৮, ৪৭০, ১২২৪ ও ১২২৫ নং দাগ) নাল ও বাড়িসহ মোট ২.২০ একর জমি নিয়ে এই বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল। বাদীপক্ষ উক্ত সম্পত্তি থেকে তাঁদের প্রাপ্য ১১.৪৬ শতক ভূমির প্রাথমিক ও ফাইনাল ডিক্রি দাবি করে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন।সাক্ষ্য গ্রহণ ও চূড়ান্ত পরোয়ানা
মামলার দীর্ঘ শুনানি এবং স্থানীয় সাক্ষী ও শনাক্তকারী (যাঁদের মধ্যে মোঃ সাদ্দাম হোসেন, নূরুল হক মিয়া, বাবুল মিয়া, আব্বাস মিয়া ও মজিবুর রহমান অন্যতম) প্রমুখের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত বাদীপক্ষের দাবি সঠিক বলে গণ্য করেন।আদালতের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে স্পষ্ট বলা হয়েছে, আইনানুযায়ী বিবাদী বা অন্য কোনো পক্ষের অবৈধ বাধা থাকলে তা অপসারণ করে জারিকারক মোঃ সাহাদাত হোসেনের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে বাদীপক্ষকে উক্ত জমির দখল বুঝিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে ।
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com