অভি খান - চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি.
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপুর এলাকায় সেচ সংকটকে কেন্দ্র করে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। অভিযোগ উঠেছে, প্রভাবশালী ব্যক্তি ইসমাইল হাজারীর সেচ মেশিনের অবহেলা ও স্বার্থপর আচরণের কারণে মৌসুমের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পানির অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকদের জমিতে নিয়মিত পানি সরবরাহ না করায় ধানক্ষেত শুকিয়ে ফেটে যাচ্ছে। এতে ফলনের আশঙ্কাজনক অবনতি ঘটছে। কৃষকদের অভিযোগ, দ্বিগুণ লাভের আশায় ইসমাইল হাজারী নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পানি সরবরাহ করছেন না, বরং অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে নির্বাচিত কিছু জমিতে সেচ দিচ্ছেন। ফলে সাধারণ কৃষকরা চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে দ্রুত সেচ সমস্যার সমাধান, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়।
এ বিষয়ে সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শনে যান চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আরিফ সোলায়মান মজুমদার। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত জমি পরিদর্শন করে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, “আমাদের একমাত্র ভরসা এই ফসল। সময়মতো পানি না পেলে সব শেষ হয়ে যাবে। আমরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই।”
এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। অন্যথায় চলতি মৌসুমে বড় ধরনের খাদ্য উৎপাদন ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কৃষকদের দাবি:
ইসমাইল হাজারীর বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ
নিয়মিত ও সমন্বিত সেচ ব্যবস্থার নিশ্চয়তা
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com