হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে সরকারি বিজ্ঞাপনের বিলের টাকা পরিশোধ না করে উল্টো সাংবাদিককে হুমকি-ধমকি ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা ও পাওনা টাকা আদায়ের দাবিতে হোসেনপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক এস.কে শাহীন নবাব।
অভিযুক্ত কর্মকর্তার নাম জেসমিন আক্তার (৩৬)। তিনি হোসেনপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে কর্মরত আছেন। অন্যদিকে বাদী এস.কে শাহীন নবাব বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে)-এর হোসেনপুর উপজেলা শাখার সভাপতি এবং ‘দৈনিক নওরোজ’ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি।
থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে হোসেনপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় থেকে ‘খাদ্য বান্ধব ডিলার নিয়োগ’ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি (স্মারক নং-১৮২) প্রকাশের জন্য এস.কে শাহীন নবাবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে ‘দৈনিক নওরোজ’ পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশিত হয়। এরপর পত্রিকাটির নিয়ম মেনে ১৬,২৮৪ (ষোল হাজার দুইশত চুরাশি) টাকার বিল ভাউচার অভিযুক্ত কর্মকর্তার দপ্তরে জমা দেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়,বিল জমা দেওয়ার পর দীর্ঘ এক বছর অতিবাহিত হলেও অভিযুক্ত জেসমিন আক্তার বিল পরিশোধ না করে নানা অজুহাতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিক খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন,ওই কর্মকর্তা সরকারি কোষাগার থেকে সম্পূর্ণ বিলের টাকা উত্তোলন করে ফেলেছেন,কিন্তু অসৎ উদ্দেশ্যে তা সাংবাদিককে পরিশোধ করছেন না।
সর্বশেষ গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ দুপুরে ভুক্তভোগী সাংবাদিক মুঠোফোনে বিলের টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে, অভিযুক্ত কর্মকর্তা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি সাংবাদিককে চিনতে অস্বীকার করেন এবং টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। সাংবাদিক আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা বললে জেসমিন আক্তার তাকে হুমকি দিয়ে বলেন, “আপনি থানা-পুলিশ করে কীভাবে আমার নিকট হতে টাকা উদ্ধার করেন সেটা আমি দেখব এবং আপনি কত বড় সাংবাদিক সেটাও আমি দেখব।”
এস.কে শাহীন নবাব অভিযোগ করেন, “তিনি একজন সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থেকেও আমার সাথে প্রতারণা করছেন। তিনি সম্পূর্ণ টাকা উত্তোলন করে আমাকে অর্ধেক টাকা দিয়ে বাকিটা আত্মসাৎ করার পায়তারা করছিলেন। এখন টাকা চাইতে গেলে আমাকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোসহ নানা হুমকি দিচ্ছেন।”এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে আইনি সহায়তা পেতে তিনি থানায় এই অভিযোগ দায়ের করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com