সুমন ভট্টাচার্য
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (মমেক) পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আবু জাফরের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ক্যাজুয়ালটি ইনচার্জ ডা. ধনদেব বর্মণ।শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ক্যাজুয়ালটি অপারেশন থিয়েটারে এ ঘটনা ঘটে।
পরিদর্শনের সময় কক্ষে টেবিল কেন রাখা হয়েছে—ডিজি এ বিষয়ে জানতে চাইলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। এ সময় ডিজি বলেন, “আপনি কার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছেন? হুঁশ করে কথা বলবেন।” তিনি সঙ্গে থাকা কর্মকর্তাদের ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করতে নির্দেশ দেন। আরও বলেন, “যারা ডিজির সঙ্গে এমন ব্যবহার করে, তারা রোগীর সঙ্গে কেমন আচরণ করে?”
জবাবে ডা. ধনদেব বর্মণ বলেন, “রোগীর সঙ্গে আমি ভালো ব্যবহার করি, কিন্তু দায়িত্বে থাকা অনেকের সঙ্গে আমার ব্যবহার ভালো হয় না।” তিনি আরও অভিযোগ করেন,“ঢাকায় তিন দিনের ট্রেনিং করেছি, আপনার দু’দিন আসার কথা ছিল—একদিনও আসেননি। আমাকে সাসপেন্ড করেন,সমস্যা নেই।”পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. গোলাম ফেরদৌস ও উপপরিচালক জাকিউল ইসলাম উপস্থিত হয়ে দু’পক্ষকে শান্ত করেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডিজি মো. আবু জাফর বলেন,দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ সবসময়ই ধারণক্ষমতার বেশি। হাসপাতাল সংখ্যা ও জনবল বাড়ানো জরুরি উল্লেখ করে তিনি জানান, সারা দেশে প্রায় ১৫ হাজার রোগী মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পরে শিশুদের মূত্রাশয় ও প্রজননতন্ত্র–সংক্রান্ত রোগের চিকিৎসা বিষয়ে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ডিজি। অনুষ্ঠানে খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রুহুল আমিন,ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মো. নাজমুল আলম খান এবং মমেক হাসপাতালের পরিচালকসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com