বিশেষ প্রতিনিধি.
এবার অফিসে সাটার লাগিয়ে এক নারীকে ধর্ষণ করেছে পুলিশ ও ডিজিএফআই’র এর সোর্স পরিচয় দেওয়া রেজাউল। এঘটনায় এক নারী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় ও পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন। ৪ নভেম্বর এই ঘটনায় ঘটে, পরের দিন ৫ নভেম্বর ওই নারী অভিযোগ করেছেন। এর আগে ২০২১ সালে ভাতিজিকে ধর্ষণ করে আলোচনায় আসে রেজাউল। তখনও আদালতে মামলা হয় তার বিরুদ্ধে। ঘটনা সামাল দিতে নিজের ভিটা বাড়ি বেচে ধর্ষিতার পরিবারকে টাকা দিয়ে মামলা উঠিয়ে নেয় রেজাউল। ধর্ষণের ওই ঘটনা সে নিজের মোবাইলে ভিডিও করে রেখেছিলো যা পরবর্তীতে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে চলে যায়।
তবে সম্প্রতি ঘটনাটি অভিযোগপত্র থেকে ও বিচারপ্রার্থী নারীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, রেজাউল ওই নারীর পরিচিতি ছিলো। ওই নারী এতিম হওয়ায় কাজ দিবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলো। ৪ নভেম্বর রেজাউল গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে বলে ওই নারীকে ফোনে তার ট্যাংকের পাড় অফিসে ডেকে নেয়। কথাবার্তা চলার এক পর্যায়ে বাইরে থেকে রেজাউলের এক সহযোগী ঘটুরার সজিব সাটার নামিয়ে দেয়। তখন ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করে সে। এসময় প্রতিবাদ করতে চাইলে রেজাউল ওই নারীকে কিল, ঘুষি মারতে শুরু করে। এই ঘটনার আশপাশের দোকানদারগণ দেখেছেন বলেও বলেন ওই নারী। পরবর্তীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতলে চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি।
এবিষয়ে তদন্তের দায়ীত্বে থাকা শহরের ১ নং পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ নাসির ও সদর থানার ওসি তদন্ত অমিতাভ দুজনই ০৬ নভেম্বর বিকেলে জানিয়েছেন তারা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। কিন্তু একই দিন সন্ধ্যার দিকেই খবর আসে তদন্ত কর্মকর্তা নাসির বিষয়টিকে মিমাংসা করার জন্য জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে ইনচার্জ নাসির বলেন,
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com