সুমন ভট্টাচার্য, স্টাফ রিপোর্টার
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের ধারাবাহিক ও সফল অভিযানে উন্মোচিত হয়েছে দুইটি ক্লু-লেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য। সদর কোতোয়ালি মডেল থানার বিদ্যাগঞ্জ এলাকায় নদীতে ভাসমান অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারের ঘটনা এবং নগরীর বাইপাস এলাকায় অটোরিকশা চালক হত্যা—দুটি মামলাই ছিল শুরুতে পরিচয়হীন ও প্রমাণবিহীন। কিন্তু পুলিশি তৎপরতায় মিলেছে রহস্যের জট খুলে ফেলার সাফল্য।
জানা যায়, বিদ্যাগঞ্জ এলাকায় নদীতে ভাসমান এক অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারের পর থেকেই ঘটনাটি ছিল তদন্তের বড় চ্যালেঞ্জ। নিহতের পরিচয় না থাকায় কে, কেন ও কীভাবে খুন হলো—তা স্পষ্ট ছিল না। এ ঘটনায় এসআই জসিম উদ্দিন বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার আখতার উল আলম এর নির্দেশনা ও তদারকিতে ওসি মো. শিব্বিরুল ইসলাম নেতৃত্বাধীন তদন্ত টিম আধুনিক প্রযুক্তি, তথ্য বিশ্লেষণ ও গোপন অনুসন্ধানের মাধ্যমে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে আসরাফ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে যে, পরিকল্পিতভাবে পেট কেটে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে, ময়মনসিংহ নগরীর বাইপাস এলাকায় একজন অটোরিকশা চালককে হত্যা করে গাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনাতেও অগ্রগতি এসেছে। এ ঘটনায় মতিন (৪৫) নামের এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সে স্বীকার করেছে—চালককে হত্যা করে মিশুকটি নিয়ে পালিয়ে যায়। যদিও ছিনতাই হওয়া মিশুকটি এখনো উদ্ধার হয়নি,তবে পুলিশ জানিয়েছে—গাড়ির অবস্থান চিহ্নিত করা গেছে এবং উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।
দুটি হত্যাকাণ্ডই ছিল পরিচয়হীন ও ক্লু-লেস,কিন্তু ধারাবাহিক তদন্ত,সমন্বিত টিমওয়ার্ক এবং সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে পুলিশ সত্য উন্মোচনে সক্ষম হয়েছে।স্থানীয়রা মনে করছেন,ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের সাম্প্রতিক এই সাফল্য অপরাধ দমন ও জনআস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com