ময়মনসিংহ প্রতিনিধি (S)
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ, সংস্কার, কাবিটা ও কবিখা কর্মসূচির আওতায় অনুমোদিত ২ শত কোটি টাকার ১৮৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঈশ্বরগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম,প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগ তোলা হয়।চেয়ারম্যানরা অভিযোগ করেন,প্রকল্প অনুমোদনে স্বেচ্ছাচারিতা ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে প্রকৃত প্রাপকেরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে টিআর কর্মসূচির আওতায় ১৬১ লাখ টাকার বিপরীতে ১০৩টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৮ নম্বর প্রকল্পে ভুল নামে ২ লাখ টাকা বরাদ্দ এবং ১৯ নম্বর প্রকল্পে ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও চেয়ারম্যানের তালিকায় প্রকল্পের নাম নেই। অনেক প্রকল্পে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
একইভাবে, কাবিটা কর্মসূচির আওতায় ২০৪ লাখ টাকার বিপরীতে ৪৭টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রকল্পে লোকেশন ও বাজেটের গরমিল রয়েছে। কাবিখা কর্মসূচিতেও চাল ও গম বরাদ্দের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমান বলেন,“৮০ শতাংশ প্রকল্প তালিকা চেয়ারম্যানরা দেন,আমি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আবেদনের ভিত্তিতে ২০ শতাংশ প্রকল্প অনুমোদন করি। কোনো অনিয়মকে প্রশ্রয় দিই না,বিষয়টি তদন্তাধীন।”
অন্যদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন,“প্রকল্প অনুমোদনের সভা না করেই ইউএনও এককভাবে স্বাক্ষর করেন। আমি যাচাই করে স্বাক্ষর দিই মাত্র। এখনো প্রকল্প অনুমোদন হয়নি, তারপরও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।”স্থানীয় সচেতন মহল বলছে,প্রকল্পগুলোতে অর্থ বরাদ্দের গরমিল ও অস্পষ্টতা খতিয়ে দেখা হলে বড় ধরনের দুর্নীতির চিত্র বেরিয়ে আসবে।
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com