কিশোরগঞ্জ (কটিয়াদী) প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মসূয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জহিরুল ইসলাম (জহির মেম্বার) দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ভাবে সরকারী বালুর ডাইক থেকে বালু বিক্রয় করে আসছেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বৈরাগীরচর গ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদীর পাড়ে বালুর ডাইক থেকে অবৈধ ভাবে বালু বিক্রয় করার সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১লক্ষ টাকা জরিমানা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা।এলকাবাসী সূত্রে,জানাযায় এই বালুর ডাইকটি ব্রহ্মপুত্র নদী রক্ষায় সরকারের একটি চলমান প্রকল্প ছিলো। যার মাধ্যমে নদীর নাব্যতা রক্ষায় নদী ক্ষনন করা হয়। ক্ষননকৃত নদীর এই বালু উত্তোলন করে বৈরাগীরচর গ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদীর পাড়ে বিশাল বড় একটি বালুর ডাইক তৈরী হয়। যা পরে সরকারী নিলামের মাধ্যমে বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী লোকজনসহ এই বালুর ডাইক থেকে অবৈধ ভাবে মসূয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জহিরুল ইসলাম (জহির মেম্বার) এর ছত্রছাঁয়ায় গড়ে উঠে বালুর আরেক রাজ্য। আনুমানিক ১০ কোটি টাকার বালুর ডাইক থেকে ৬ কোটি টাকার বালু বিক্রয় করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। এখনো আনুমানিক আরো ৪ কোটি টাকার বালু রয়েছে এ ডাইকে।অনুসন্ধানে জানা যায় বিগত ফ্যাস্টিট সরকারের আমলেও মসূয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জহিরুল ইসলাম (জহির মেম্বার) সাবেক সাংসদ নূর মোহাম্মদের ভাগ্নে মুন এর সখ্যতায় তার এই বালুর রাজ্যের যাত্রা শুরু হয়। সরকার পতনের পর পুন:রায় এই মেম্বার কিছু সংখ্যক লোককে শেয়ার রেখে সম্পূর্ণ অবৈধ বালুর ডাইকের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা জানান, অবৈধ ভাবে সরকারী বালুর ডাইক থেকে বালু বিক্রয় করে আসছেন মসূয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জহিরুল ইসলাম (জহির মেম্বার) আমরা এমন একটি অভিযোগ পেয়েছি।ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সত্যতা পাই। তারা অবৈধ কাগজ পত্র তৈরী করে দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারী বালু বিক্রয় করে আসছে। তাদেরকে বালু মহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ১৫ (১) ধারায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় জহির মেম্বারের একটি বেকু মেশিন ও বালু স্থানীয় চেয়ারম্যানের জিম্মায় রেখে আসা হয়।উপজেলা বিএনপি সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের ১৮ আগস্ট এক নোটিশের মাধ্যমে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে জহিরুল ইসলামকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তবে মসূয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদ থেকে এখনো তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়নি। ফলে যুবদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ এখনও অব্যাহত রয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com