হাকীম মোঃরফিকুল ইসলাম
২০১৯ সালে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র একবছর পরেই স্কুলের দুটি বড় মেহগনি গাছ অনুমতি না নিয়ে কর্তন ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়াই গাছ বিক্রি করার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগের স্রোত বইছে।এমন ধরনের ঘটনার সাথে মিল রয়েছে অভ্যন্তরীণ তদন্তে পাওয়া অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের: নাম বেনামী ভাউচার, টাকার আত্মসাৎ, নিম্নমানের খাতা ও প্রশ্নপত্র ব্যবহার ইত্যাদি।
শিক্ষক ছাঁটাই এবং ফলাফলের পতন তদন্ত ও প্রতিবাদে জড়িত ৫ জন শিক্ষককে ছুটি দেওয়া হয়েছিল, যা কিনা কোনো আঞ্চলিক বা স্কুলের নিয়ম নীতিকে মেনে করা হয়নি। এতে স্কুলের অভিভাবক ও ছাত্রদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।ফলাফলেও প্রতিফলন ঘটে: ২০২৫ সালে মাত্র ৩৮% শিক্ষার্থী পাশ করেছে, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
আগের আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ২০২৪ সালে বড় ধরনের ছাত্র আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল বিশেষ করে দুর্নীতির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক বহিষ্কৃত হয়েছিল। পরে “অদৃশ্য শক্তি”–র মাধ্যমে তাকে পুনর্বাসন করা হয়, যা সম্পর্কে এলাকার সাধারণ মানুষ বলেছে:
“টাকার কারণে সঠিক তদন্ত হয়নি, বিভাগীয় তদন্ত দরকার।”এলাকার প্রতিক্রিয়া ও দাবী অভিভাবক ও শিক্ষক সমাজ বিশৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছে।অনেকে দাবি করছেন, তদন্ত যথাযথ হয়নি এবং বিভাগীয় তদন্ত প্রয়োজন।
পরবর্তী করণীয়
পদক্ষেপ বিবরণ
১. বিভাগীয় তদন্ত বিদ্যালয়ের বিষয়বস্তু ও আর্থিক লেনদেনসহ পরিচালনা স্ট্রাকচার পর্যবেক্ষণ।
২. শিক্ষকদের পুনর্বাছায় প্রক্রিয়া থার্ড‑পার্টি পর্যবেক্ষণে নিরপেক্ষ ধর্মঘট ও ছুটির বিষয়সমূহ যাচাই।
৩. পুনঃপ্রশাসনিক সংস্কার অনাবশ্যক বা সন্দেহজনক সম্পদের সুরাষ্ট্র নিরাপত্তা ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া কার্যকর করা।
৪. ফলাফল পুনর্গঠন শিক্ষার মান নিশ্চিতকরণে বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রণয়নের মাধ্যমে পরবর্তী সালের ফোকাস।
✨ স্থানীয়দের উচ্ছ্বাস
এলাকাবাসীর একাংশ একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, “অনুধাবন ছাড়া, ধন-সম্পদের বলপ্রয়োগ নিয়ে তদন্ত কখনও সঠিকভাবে হওয়া সম্ভব নয়।”
এই প্রতিবেদনে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের জন্য বর্তমানে সরাসরি কোন প্রতিনিয়ত সাইট বা সংবাদ মাধ্যম উল্লেখযোগ্য তথ্য পাইনি। তবে, এখানে ২০২২–২০২৪ সালের অতীতের গাছ কাটা ও অনুমতি না নিয়ে বিক্রি সংক্রান্ত ঘটনাগুলো থেকে প্রাসঙ্গিক সাদৃশ্য তুলে ধরা হলো । এর উপর ভিত্তি করে বর্তমান বিষয়ও সমতূল্য গুরুত্ব বহন করছে।
🎯 উপসংহার
আরজত আতরজান স্কুলে প্রধান শিক্ষক আবুবকর ছিদ্দিকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগসহ পরিচালনাগত অগোছালিত অবস্থা পক্ষে প্রমাণ স্বরূপ দৃশ্যমান। ইতিবাচক ও দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তনের জন্য সকল প্রাসঙ্গিক কর্তৃপক্ষ—শিক্ষাবোর্ড, জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর—এই ঘটনার যথাযথ বিভাগীয় তদন্ত চালিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি রয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com