বিশেষ প্রতিনিধি,
সাম্প্রতিক সময়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ঘাঁটলেই একটি রহস্যময় শব্দ বারবার চোখে পড়ে-"অপারেশন সান রাইজ স্পিট"। ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউব কিংবা হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট- সর্বত্রই এটি এক রহস্যময় শব্দগুচ্ছ হিসেবে ঘুরপাক খাচ্ছে। অথচ এখনো পর্যন্ত এই শব্দের কোনো নির্ভরযোগ্য ব্যাখ্যা, নিশ্চিত প্রাতিষ্ঠানিক উৎস কিংবা সরকারিভাবে কোনো স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই প্রশ্ন করছেন।
* এটি কি সত্যিই কোনো বিশেষ গোয়েন্দা বা রাষ্ট্রীয় মিশনের নাম? * নাকি কেবলই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো নতুন ধরনের গুজব বা মিথ্যাচার? * এই শব্দের পেছনে কি রাজনৈতিক কোনো বার্তা লুকিয়ে আছে? * নাকি এটি ভাইরাল কনটেন্টের নামে ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করার ডিজিটাল স্টান্ট? আমাদের প্রশ্ন করতে হবে— না জেনে বিশ্বাস করা কি দায়িত্বশীল আচরণ? একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার বিশ্বাস—বস্তুনিষ্ঠতা, সততা ও তথ্য যাচাইয়ের দায়িত্ব আমাদের সবার। কোনো শব্দ বা “অপারেশন”-এর নাম সামাজিক মাধ্যমে হঠাৎ ভাইরাল হয়ে গেলেই সেটিকে সত্য ধরে নেওয়া, আতঙ্ক ছড়ানো বা কল্পিত ব্যাখ্যা দেওয়া কখনোই যুক্তিযুক্ত নয়। এ ধরনের তথ্যের পেছনে সত্যতা খোঁজা, উৎস যাচাই করা এবং রাষ্ট্র বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট বক্তব্য আসা না পর্যন্ত আমাদের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব— সচেতন থাকা, বিভ্রান্ত না হওয়া। নাগরিকদের প্রতি খোলামেলা আহ্বান: আপনি কি “অপারেশন সান রাইজ স্পিট” শব্দটি প্রথম কোথায় শুনেছেন?এটির সম্পর্কে কোনো নিশ্চিত তথ্য বা যুক্তিযুক্ত ব্যাখ্যা জানেন কি? কমেন্ট, মেসেজ বা মেইলের মাধ্যমে জানাতে পারেন। সাংবাদিকতা তখনই সফল হয়, যখন জনগণের অংশগ্রহণে সত্য উঠে আসে। তথ্যের যুগে দায়িত্বশীলতা জরুরি এই ডিজিটাল যুগে, যেখানে গুজবের গতি আলোর চেয়েও দ্রুত, সেখানে "ফ্যাক্ট চেক" বা তথ্য যাচাই করা হলো সময়ের চাহিদা। গুজব নয়, গঠনমূলক আলোচনা ও সত্যের অনুসন্ধানই হোক আমাদের পথচলার পাথেয়।
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com