ষ্টাফ রিপোর্টারঃ-
ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা পৌরসভায় বিগত ১৬/০৩/২০২৫ ইং তারিখে রোজ রবিবার বিকাল আনুমানিক ৫:৪০ ঘটিকায় উত্তর পৈরতলা (খুর্শিদ মিয়ার মার্কেটের) এর সামনে সাংবাদিক মো: মশিউর রহমান সোহাগ এর উপর হামলা করেন জাবের মিয়া ও তার সহযোগিরা সাংবাদিক মশিউর রহমান সোহাগের স্ত্রী বিলকিস আক্তার বলেন আমিও আমার স্বামী ব্রাক্ষণবাড়িয়া শহর হয়তে রিক্সায় করে উত্তর পৈরতলা ছয়ঘড়িয়া পাড়া ভাড়াটিয়া বাসায় যাওয়ার পথে উত্তর পৈরতলা খুর্শিদ মিয়ার মার্কেটের সামনে আসলে ১।জাবের মিয়া(৫০), পিতা মৃত মুকবুল মিয়া,২।জাহিদ হাসান সাকিম,(২৫) পিতা জাবের মিয়া ৩। মারুফ হোসেন সাইমন (২৩) পিতা জাবের মিয়া ও তার সহযোগিরা রিক্সার গতি রোদ করিয়া জাবের মিয়া আমার স্বামীকে বলেন সুদের ১ লক্ষ্য টাকা সুদসহ ২০ তারিখের মধ্যে তুই আনিয়া না দিলে রাস্তায় রিক্সা থামিয়ে পিটিয়ে তর কাছ থেকে আদায় করবো ঠিক তখনই আমার স্বামী বলেন টাকা তো আমি নেয়নি তাহলে আমি কেন টাকা দিব টাকা তো আপনি খোদেজার কাছে পান খোদেজা তো আপনার কাছ থেকে ১ মাসের সময় নিয়েছে আর সময় তো এখনও অনেক বাকি রয়েছে এ কথা বলার সাথে সাথে আমার স্বামীকে রিক্সা থেকে নামিয়ে ঔষধের দোকানে শাটার লাগানো রট ও পাশে থাকা লাঠি দিয়ে এলোপাথাড়ি ভাবে মারধর শুরু করে আমার স্বামীকে আহত করে। পরে স্বাক্ষীগন তাড়াতাড়ি করে আসলে তার পালিয়ে যায়। পরে আমিও স্বাক্ষীগন মিলে আমার স্বামীকে ব্রাক্ষণবাড়িয়া সদর হসপিটালে চিকিৎসা করি এবং চিকিৎসা শেষে বাড়িতে আনিয়া আপোষ মিমাংসা অপেক্ষা করি কিন্তু কেও আসেনি। এমত অবস্থায় ন্যায় বিচারের আসায় আমি ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সদর) আদালতে হাজির হইয়া সি,আরঃ৬৭১/২৫ সঠিক বিচার পাওয়ার জন্যে আক্রমণ কারীদের নামে এই মামাল দায়ের করি।অবশেষে সাংবাদিক মশিউর রহমান সোহাগ বলেন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ও প্রশাসন এবং মিডিয়ার কাছে এর সঠিক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com