বিশেষ প্রতিনিধিঃ
বিগত স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের ধূসর ময়মনসিংহের গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) এনামুল হকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে জাল-জালিয়াতি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।সূত্র মতে, ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে ময়মনসিংহ গণপূর্ত বিভাগের,কেন্দুয়া গণপূর্ত উপ বিভাগ অফিসের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি ও মেরামতের বরাদ্দ আত্বসাৎ সহ তৎকালীন নিবার্হী প্রকৌশলীকে ম্যানেজ করে ও কাজের রেট গোপন করে টেন্ডার দিয়ে কাজ বাগিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে।জানা গেছে,সংশ্লিষ্ট দফতরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) এনামুল হক, তিনি তার মনোনীত লাইসেন্স দিয়ে নিয়মিত ঠিকাদারি কাজ করে আসছেন।তদন্ত করলে তিনি যোগদানের পর থেকে এ পর্যন্ত,কোন কোন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কে বেশি বেশি কাজ দেওয়া হয়েছে,কারা কারা বাদ পড়েছেন বা বঞ্চিত হয়েছেন,সব কিছুই বেরিয়ে আসবে বলে মনে করেন অনেকে।জানা গেছে,অনেক ঠিকাদারকে তাদের লাইসেন্সের প্রোফাইল ভারী করার কথা বলে না জানিয়ে সেই লাইসেন্স দিয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করতেন তিনি ।কাজের রেট গোপন করে এনামুল হক তার মনোনীত লাইসেন্স দিয়ে কাজ নিয়ে এবং নিজেই প্রকল্পের (এসও) হয়ে বিল ভাউচার করে অর্থ লোপাট করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।উল্লেখ্য,উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এনামুল হক ময়মনসিংহ গণপূর্ত বিভাগে অনিয়ম ও দূর্নীতি করে অল্প সময়ে কোটিপতি বনে গেছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।স্হানীয়রা জানান,আওয়ামী লীগের সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের দুর্নীতির সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি।কোন রকম জবাবদিহিতা ছাড়াই অর্থ লোপাটে বেপরোয়া ছিলেন এই এনামুল হক।তবে সরকারের উন্নয়ন কাজে যারা অর্থ লোপাটের চিন্তায় থাকে,তাদের দিয়ে কখনো দেশের উন্নয়ন সম্ভব না।তাই এদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান স্হানীয় সচেতন মহল।
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com