ফরিদ মিয়া নান্দাইলঃ
কাঠের গুঁড়ার সঙ্গে গমের ভূষি,ধানের তুষ মিশিয়ে গো-খাদ্য তৈরি করে বাজারজাত করা হতো।খবর পেয়ে পুলিশ ঘরভর্তি কাঠের গুঁড়া ও বিভিন্ন কোম্পানির নামখচিত ১০৮ বস্তা গো-খাদ্য জব্দ করে।এ সময় কারখানাটির মালিক পালিয়ে যান।আজ শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বাঁশহাটি ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্র জানায়,নান্দাইল চৌরাস্তা ও কেন্দুয়া আঞ্চলিক সড়কের পাশে ওই স্থানে দীর্ঘদিন ধরে গো-খাদ্যের ব্যবসা করে আসছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ১৮বাড়ী এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল ইসলাম। তিনি সেখানে একটি কারখানা তৈরি করেন।তার শ্বশুরবাড়ির নান্দাইল উপজেলায় যেখান থেকে গো-খাদ্য বস্তাভর্তি করে পাশের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠাবাড়ি রায়ের বাজারের গুদামে রেখে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করতেন।স্থানীয়রা জানান,বিগত চার বছর ধরে কামরুল ওই ঘরে স্থানীয় স-মিল থেকে কাঠের গুড়া এনে রাখেন।বিষয়টি অনেকের নজরে পড়লে আলোচনার সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় ঘটনাটি জানতে পারে নান্দাইল থানা পুলিশ।শনিবার বিকেলে নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ আহম্মেদ ঘটনাস্থলে গিয়ে দোকানটি বন্ধ পান।পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় দোকানের তালা ভেঙে দেখা যায়,ঘরের ভেতরের এক পাশে স্তুপ করে রাখা কাঠের গুঁড়া,ধানের তুষ ও কিছু গমের ভূষি। যা একসঙ্গে মিশিয়ে বিভিন্ন নামি-দামি কোম্পানির নাম ব্যবহার করে বস্তায় ভরে বাজারজাত করা হতো।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এর ফলে গো-খামারিরা প্রতারিত হওয়াসহ গবাদিপশু নানা রোগে আক্রান্ত হতো। অন্যদিকে, নামি-দামি কম্পানির দুর্নামও হতো। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পশু চিকিৎসক মো. উজ্জল হোসাইন জানান, কাঠের গুঁড়া মিশ্রিত গো-খাদ্যে পশুর বিষক্রিয়া হতে পারে। নান্দাইল থানার ওসি ফরিদ আহম্মেদ জানান, জব্ধকৃত মালামাল থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।স্থানীয় একটি মহল মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com