
রাশেদ কবির,সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি;
সিরাজগঞ্জ সদর ও রায়গঞ্জে আন্দোলনকারীদের সাথে আওয়ামী লীগের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে।এসব সংঘর্ষে এ পর্যন্ত সাত জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গেছে।রোববার (৪ আগস্ট) দুপুরে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ডাকা অসহযোগ আন্দোলনকে ঘিরে এ ঘটনা ঘটে।জানাযায় সকালে সিরাজগঞ্জে শহরের সবগুলো রুট দখলে নেয় আন্দোলনকারীরা।তাদের সঙ্গে যোগ দেন সাধারণ জনতা এবং জেলা বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা।এসময় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়েপড়ে আন্দোলনকারীরা কয়েক ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।এ সময় শহরের বাজার স্টেশন, এসএস রোড, মুজিব সড়ক,রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।সংঘর্ষের এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা পিছু হটলে পুরো শহর দখল করে নেয় আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রী ও বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীরা।এ সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবদল নেতা রঞ্জু (৪০),যুবদল কর্মী আব্দুল লতিফ ও ছাত্রদল কর্মী সুমন নিহত হয়েছেন বলে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।অপরদিকে রায়গঞ্জের ধানগড়া এলাকায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়।একপর্যায়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা পিছু হটে পাশের রায়গঞ্জ প্রেসক্লাবে ঢুকে পড়েন।এসময় সেখানে হামলা চালানো হয়।এতে ঘটনাস্থলে তিনজন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর এক সাংবাদিকের মৃত্যু হয়।রায়গঞ্জে নিহতরা হলেন-রায়গঞ্জের ব্রহ্মগাছা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার লিটন,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আলআমিন,ইউপি মেম্বার ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা জাহাঙ্গীর আলম এবং সাংবাদিক প্রদীপ ভৌমিক।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম তৌহিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এসময় আন্দোলনকারীরা সিরাজগঞ্জ সদর আসনের স্থানীয় এমপি ড. জান্নাত আরা হেনরীর বাসা,জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়, সাবেক এমপি হাবিবে মিল্লাত মুন্নার বাসা, আওয়ামী নেতা ও পৌর মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা'র মার্কেট মুক্তা প্লাজায় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।এছাড়া জেলা জজ আদালত,এসিল্যান্ড অফিস,মুক্তির সোপান স্মৃতিসৌধ,শিল্পকলা একাডেমিসহ শহরের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বেশ কয়েকটি স্থাপনা ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।এদিকে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে স্থানীয় সংসদ সদস্য চয়ন ইসলাম এমপির বাসা ভাংচুর করা হয়।বেলকুচি ও উল্লাপাড়া আওয়ামী লীগ অফিসে আগুন দেওয়া হয়।সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার জানান, এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ১৪ জন ভর্তি হয়েছে।এর মধ্যে ৭ জন গুলিবিদ্ধ।
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com